ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৪১ মিনিট ৮ সেকেন্ড

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ , হেমন্তকাল, ৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০

সম্পাদকীয় নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি

নিরাপদ নিউজ:  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। এ মাসেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই সব রাজনৈতিক দল ও জোট নির্বাচনী লড়াইয়ে উঠেপড়ে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় এলেই জনমনে নানামুখী শঙ্কা দেখা দেয়। নির্বাচনকেন্দ্রিক অশান্তিরও সৃষ্টি হয়। উৎসবমুখর পরিবেশের কথা বলা হলেও কখনো কখনো নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সহিংসনির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। এ মাসেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই সব রাজনৈতিক দল ও জোট নির্বাচনী লড়াইয়ে উঠেপড়ে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচনের সময় এলেই জনমনে নানামুখী শঙ্কা দেখা দেয়। নির্বাচনকেন্দ্রিক অশান্তিরও সৃষ্টি হয়। উৎসবমুখর পরিবেশের কথা বলা হলেও কখনো কখনো নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সহিংসতা আতঙ্ক জাগায়। বিগত নির্বাচনের আগেও দেখা গেছে, নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সহিংসতায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় পুড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি হতে হয় দেশের সাধারণ মানুষকে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা হয়। এমনিতেই দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। নির্বাচন এলে সেই নিরাপত্তাহীনতা আরো বেড়ে যায়। অথচ বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শের কথা আমরা বরাবর বলে এসেছি, তারও মূলমন্ত্র অসাম্প্রদায়িকতা।

দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যখন আঘাত আসে, সেই আঘাত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাতের শামিল। আমরা সব সময় একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি। দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ যেমন সহাবস্থান করবে, একইভাবে সব রাজনৈতিক মতবাদের মানুষও তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও বিশ্বাস নিয়ে থাকবে। কিন্তু আজকের দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতা এই যে সেখানে পেশিশক্তির ব্যবহার অনেক সময় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নির্বাচনের সময় সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলো তৎপর হয়ে ওঠে। অবৈধ টাকার প্রভাবে কলুষিত হয় রাজনীতি। রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষীরা পেশিশক্তিকে ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।

এ অবস্থা বিবেচনায় রেখেই নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসির এ নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীরা যে নতুন করে সংগঠিত হতে চাচ্ছে এমন খবর গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে এসেছে। তা ছাড়া কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দেওয়া জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েক মাসে জঙ্গি আস্তানার খবর পাওয়া গেছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। তার মানে এই নয় যে জঙ্গিরা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। তারা যে সংগঠিত হয়ে দেশের শান্তি বিনষ্ট করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ অবস্থায় আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো যাতে কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে কড়া দৃষ্টি রাখতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

নির্বাচনের আর বেশিদিন বাকি নেই। এখন থেকেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। আমরা আশা করব, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।তা আতঙ্ক জাগায়। বিগত নির্বাচনের আগেও দেখা গেছে, নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সহিংসতায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় পুড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি হতে হয় দেশের সাধারণ মানুষকে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা হয়।

এমনিতেই দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। নির্বাচন এলে সেই নিরাপত্তাহীনতা আরো বেড়ে যায়। অথচ বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শের কথা আমরা বরাবর বলে এসেছি, তারও মূলমন্ত্র অসাম্প্রদায়িকতা। দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যখন আঘাত আসে, সেই আঘাত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাতের শামিল। আমরা সব সময় একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি। দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ যেমন সহাবস্থান করবে, একইভাবে সব রাজনৈতিক মতবাদের মানুষও তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও বিশ্বাস নিয়ে থাকবে। কিন্তু আজকের দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতা এই যে সেখানে পেশিশক্তির ব্যবহার অনেক সময় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নির্বাচনের সময় সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলো তৎপর হয়ে ওঠে। অবৈধ টাকার প্রভাবে কলুষিত হয় রাজনীতি। রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষীরা পেশিশক্তিকে ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এ অবস্থা বিবেচনায় রেখেই নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসির এ নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীরা যে নতুন করে সংগঠিত হতে চাচ্ছে এমন খবর গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে এসেছে। তা ছাড়া কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দেওয়া জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েক মাসে জঙ্গি আস্তানার খবর পাওয়া গেছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। তার মানে এই নয় যে জঙ্গিরা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। তারা যে সংগঠিত হয়ে দেশের শান্তি বিনষ্ট করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এ অবস্থায় আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো যাতে কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে কড়া দৃষ্টি রাখতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

নির্বাচনের আর বেশিদিন বাকি নেই। এখন থেকেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। আমরা আশা করব, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)