ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট এপ্রিল ২৬, ২০১৫

ঢাকা বুধবার, ৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

ভ্রমন নীলগিরি বাংলাদেশের দার্জিলিং

নীলগিরি বাংলাদেশের দার্জিলিং

যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালী চলে দিনরাত।

যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালী চলে দিনরাত।

নিরাপদ নিউজ : বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৫০ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বদিকে লামা উপজেলার অংশে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২২০০ ফুট উপরে বাংলাদেশের নতুন পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির অবস্থান। যাকে বাংলাদেশের দার্জিলিং হিসাবে অবহিত করা যায়। যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালী চলে দিনরাত। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন ঐ মেঘের দেশে। তবে যারা মেঘ ভালোবাসেন তারা জুন-জুলাইতে অর্থাৎ বর্ষাকালে ভ্রমণে গেলে বেশী মজা পাবেন। কারন মেঘ তখন আপনা হতে এসে আপনাকে ধরা দিয়ে যাবে।এখানে মেঘদূত, আকাশনীলা, নীলাঙ্গনা, মারমা হাউজসহ নানা নামের আকর্ষীয় কটেজ রয়েছে। আছে একটি ক্যাফেটেরিয়া। বর্তমানে দেশি বিদেশি পর্যটকরা প্রতিদিনই নীলগিরি ভ্রমণে আসছেন।


নীলগিরি যেতে হলে আগে থেকে ল্যান্ড ক্রুজার জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় ৪ ঘঃ ৩০মিঃ। ভাড়া সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত আসা-যাওয়া-ছোট জীপ- ৫সিট-২৩০০ টাকা এবং বড় জীপ-৮সিট- ২৮০০ টাকা। কিন্তু এখানে ড্রাইভাররা আপনার কাছে আরো অনেক বেশী চাইতে পারে যা কখনো দিবেন না। বাদশা ড্রাইভার – (৫ সিটের ল্যান্ড ক্রুজার ড্রাইভার) ফোন:-০১৫৫০৬০১৬৩৫,০১৯২৫৮৭০০২৭।এই ড্রাইভারের মাধ্যমে (নীলগিরি+চিম্বুক+শৈলপ্রপাত+স্বর্ণ মন্দির) এই চারটি সাইট দেখতে মাত্র ২৮০০ টাকা এবং দুপুরে লান্স করানোর মাধ্যমে। ইচ্ছে করলে স্থানীয় ড্রাইভার বাদশার সহযোগীতা নিতে পারেন।

কটেজ ভাড়া:


গিরি মারমেট: ৭৫০০ টাকা। (৮/১০ জন থাকতে পারবে)।
মেঘদূত: ৬৫০০ টাকা। (৮/১০ জন থাকতে পারবে)।
নীলাঙ্গনা: ৫৫০০ টাকা। (৪/৬ জন থাকতে পারবে ২ রুমে) এটি ছবির বাশের কটেজটি।
নীলাঙ্গনায় কাপলের জন্য এক রুম ভাড়া নেওয়া যায় যাহা ৫৫০০টাকার অর্ধেকে ২৭৫০টাকায়।
এখানে খাবার ব্রেকফাষ্ট+লান্স+ডিনার মিলে খরচ হবে দিনে ৫০০ টাকা জনপ্রতি। এবং এটি অবশ্যই কটেজ বুকিং দেওয়ার সাথে খাবার বুকিংও দিতে হবে অন্যথায় কটেজে থাকতে হবে না খেয়েই।


বান্দরবান শহরে খাবার হোটলের মান তেমন ভাল নয়। তবে যে হোটেলে আপনি থাকবেন সে গুলোতে রেষ্টুরেন্টের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া আরো দুটি মোটামুটি মানের ভাল হোটেল হচ্ছে জেলা সদর বিল্ডিং এর কাছে “ফিয়েস্তা“ হোটেল এবং বান্দরবান বাজারের কাছে “তাজিংডং“ হোটেল। বান্দরবানে সব হোটেলে খাবারের মানের চেয়ে দামটা বেশী। রান্নায় মসল্লা ব্যবহার এবং হলুদের আধিক্য বেশী। হিল জুস, নীলাচল ইত্যাদি বান্দরবনের বিখ্যাত খাবার খেতে ভুলবেন না।


মনে রাখবেন, কটেজ বুকিং দেওয়ার সাথে খাবার বুকিংও দিতে হবে অন্যথায় কটেজে থাকতে হবে না খেয়েই।
হাতে মাত্র ২ দিন সময় নিয়ে অনায়াসেই ঘুরে আসা যেতে পারে নীলগিরিসহ বান্দরবান-এর প্রধান কয়েকটি পর্যটন স্পট। ভ্রমণ করুন, দেশকে জানুন আরআপনার ভ্রমণ কাহিনী ও ভ্রমণের ছবি শেয়ার করুন সবার সাথে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)