ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট এপ্রিল ১৩, ২০১৯

ঢাকা রবিবার, ৬ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৭ জিলক্বদ, ১৪৪০

নারী ও শিশু সংবাদ ‘নুসরাত হত্যার বিচার চাইতে ফেস্টুন হাতে তারাও নেমেছেন রাজপথে’

‘নুসরাত হত্যার বিচার চাইতে ফেস্টুন হাতে তারাও নেমেছেন রাজপথে’

নিরাপদ নিউজ: ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ। ঘটনায় হতভম্ব সবাই। প্রাথমিক শোকের ধাক্কা কেটে যেতেই শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীসহ দেশের অনেক স্থানে সাধারণ মানুষই প্রতিহত করছেন নারী নিপীড়কদের। বসে নেই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরাও। ফেস্টুন হাতে তারাও রাজপথে নেমেছেন নুসরাত হত্যার বিচার চাইতে।

কাজী রোকসানা রুমা ফেসবুকে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের প্রতিবাদের একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন। অল্প সময়ের মাঝেই ছবিগুলো ভাইরাল হয়ে গেছে। কাজী রোকসানা লিখেছেন, ‘ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সাথে কাজ করছি আজ আমরা। ধুনটে। নুসরাতের বিষয়ে তারা জানে। তারা প্রতিবাদ করতে চায়। ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলোনা কি করা উচিত। অল্পক্ষনের সিদ্ধান্তে দাঁড়িয়ে গেলো রাস্তার মোড়ে। তারা অনুমতি দিলো ছবি ফেসবুকে পোস্ট দিতে। এভাবেই প্রতিবাদ হোক সর্বত্র।’

উল্লেখ্য, ২ বছর ধরে নুসরাতকে উত্যক্ত করে যাচ্ছিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা এবং তার পোষা গুণ্ডা বাহিনী। গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে তার মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। এরপর সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। গত ৬ এপ্রিল (শনিবার) সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান।

সেখানে বোরকা পরা চার-পাঁচজন মেয়ে তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার হাত বেঁধে গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। ৫ দিন ধরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন রাফি। সব চেষ্টা বিফল করে দিয়ে গতকাল বুধবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)