ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৪ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

উপসম্পাদকীয় পাকিস্তানের জঙ্গি ও আজকের বাংলাদেশ

পাকিস্তানের জঙ্গি ও আজকের বাংলাদেশ

post editorial

অরণ্য পাশা: পাকিস্তান এই পরিস্থিতি থেকে তখনই বের হতে পারবে, যখন পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক দল অসাম্প্রদায়িক চেতানায় এক হয়ে কাজ করতে পারবে। বাংলাদেশ যতটুকু পেরেছে, তা এখন পাকিস্তানের জন্য উদাহরণ হতে পারে। এই নিষ্পাপ শিশুগুলোর কি অপরাধ? যারা আজ স্কুল চত্বর মাতাতো হাসি আনন্দ আর কোলাহলে তাদেরই বুলেটে স্তব্ধ হয়ে বিদায় নিতে হলো এই পৃথিবী থেকে।
বেশ কিছুদিন ব্যস্ততার মাঝে কাটছে। তাই কয়েকদিন লেখালেখি টা নিয়মিত হয়নি। আরটিভি ১০ বছরে পদার্পণ ২৬ ডিসেম্বর। এ উপলক্ষে অফিসে রাজ্যের কাজে ডুবে আছি। তাই গত ১৬ ডিসেম্বর ছুটি না কাটিয়ে অফিস করছিলাম। বিজয়ের আনন্দ নিয়ে। কিন্তু বিজয়ের দিনে খুব কষ্ট লাগলো। পেশোয়ারে পাকিস্তানি তালিবান ববর্রতা ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে দিলো। তালেবানরা একটি স্কুলে পাখির মত শিশু মারছে। প্রতিনিয়ত টিভি স্ক্রিনে চোখ রাখছি। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। তালেবানরা শিশু হত্যায় মেতে উঠেছে। ববর্র পাকিস্তানিরা কেন নারী ও শিশুর প্রতি এত নির্দয় ও নির্মম আচরণ করে তা আমার বোঁধগম্য নয়। বিকৃত নরপশু তালেবান সন্ত্রাসীদের জন্য বুকের ভেতর ক্রমেই ঘৃণার দলা পাকিয়ে উঠছে। ভাবছি বসে বসে যদি আজ আমরা পাকিস্তানের সাথে থাকতাম। কি হত? কি হত? পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৪৩ বছর আগের এ ঘটনার দিনে পাকিস্তানের কাছ থেকে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। নিয়তির কী পরিহাস! আজ যখন বিজয়ের আনন্দে হাসছে বাংলাদেশ, তখন কাঁদছে পাকিস্তান। যে ধমের্র দোহাই দিয়ে পাকিস্তানের জন্ম, যার জন্য বাংলাদেশকে নানাভাবে শোষণ করেছিল পাকিস্তানি রাষ্ট্রের কুশীলবরা, সেই ধমের্র ভূত এখনো চেপে আছে পাকিস্তানের ঘাড়ে। ধমের্র কারণেই দেশটিতে ঝরে গেল শতাধিক শিশুর প্রাণ। হায় পাকিস্তান! এই কথাগুলো মোটেও প্রতিশোধপরায়ণ নয়। পাকিস্তানের স্কুলে ১৬ ডিসেম্বর গণহত্যায় আমরাও মর্মাহত। তালেবানের প্রতি অন্তর থেকে ধিক্কার জানাই। এই তালেবান আর মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে গণহত্যা চালানো রাজাকার-আলবদরের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় কি? এদের গোড়া তো একই সূতায় গাঁথা। রাজাকাররা বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের ধর্মদ্রোহী, কাফের বলে হত্যা করত। আজকের পাকিস্তানি তালেবানরাও তো তেমন ফতোয়াই দেয়। ইসলাম প্রতিষ্ঠার অজুহাতে তারা স্কুলে, মাদ্রাসায়, মসজিদে, মন্দিরে, গির্জায় হামলা চালায়। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকে হত্যা করা হয়।
তালেবানের কাছে মানুষ হত্যাই প্রতিশোধ নেয়ার একমাত্র পন্থা! পেশোয়ারের স্কুলে গণহত্যা চালানোর পর তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের জবাব দিতেই তারা এই হত্যাকান্ড চালিয়েছে। তাহলে ধর্মটা থাকল কোথায়? মানুষ হত্যা তো কোনো ধর্ম হতে পারে না। তাও আবার শিশু হত্যা!
শুধু তালেবান নয়। একই ঘরানার অসংখ্য সংগঠন পাকিস্তানে সক্রিয়। তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশু-বৃদ্ধ কেউই। ধরুন, আপনি শপিং মলে কেনাকাটা করতে গেছেন। সেখানেই আত্মঘাতী হামলা। বাসে চড়েছেন। সেখানেও আত্মঘাতী হামলা। মসজিদে নামাজ আদায়ে গেছেন। বোমা বিস্ফোরণে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেল আপনার দেহ। শিশুকে স্কুলে পাঠালেন বাবা-মা। সে ফিরল লাশ হয়ে। এমন অবস্থা কখনো কাম্য হতে পারে না। এখানেই অনন্য বাংলাদেশ। সব মানুষের জন্য শান্তির পয়গাম দিতে পারে এই দেশ। যদিও বাংলাদেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে খুশি হওয়ার কারণ নেই, তারপরও বলছি, এ দেশ এখন বসবাসযোগ্য বাংলাদেশ, পাকিস্তানের মতো অনিরাপদ নয়।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবান, বিশ্বজুড়ে সক্রিয় তালেবান-বন্ধু আল-কায়েদা, আফ্রিকায় বোকো হারাম, ইরাক-সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট, সোমালিয়া-কেনিয়ায় আল শাবাব এবং মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় জানা অজানা অসংখ্য জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামের দোহাই দিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা করে চলেছে। কোনো গোষ্ঠী বিশ্বজুড়ে, কোনোটি আঞ্চলিকভাবে আবার কোনো কোনো জঙ্গিদল নিজেদের দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে খ্যাপা পাগলের মতো হামলা-হাঙ্গামা-খুন করে যাচ্ছে। জঙ্গিদের দর্শন একটাই, ‘হয় আমাদের কথা শোনো, না-হয় মরো।’ অর্থাৎ জঙ্গিরা মানুষের ওপর যা চাপিয়ে দেবে, তাই সবাইকে মানতে হবে। তা না হলে ধর্মদ্রোহী ও ইসলাম অবমাননাকারী আখ্যা দিয়ে তাদের হত্যা করা হবে। এ তো কোন ধর্ম নয়। ইসলাম তো জোর করে কারো ওপর ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার শিক্ষা দেয় না। তবু জঙ্গিদের এই ধারণা বিশ্বের প্রায় সব দেশেই কমবেশি ঢুকে গেছে। আমাদের দেশও তার বাইরে নয়। আমাদের দেশে বেশ কিছু জঙ্গি সংগঠনকে বিভিন্ন সময়ে ‘আমরা হব তালেবান, বাংলা হবে পাকিস্তান’ ধাঁচের স্লোগান দিতে দেখা গেছে। তাদের কাজকর্মে তালেবান ও আল-কায়েদার প্রতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তালেবাণী স্টাইলে রাজনৈতিক সংগঠন রয়েছে দেশে। দেশের ভেতরে ও বিশ্বের যেকোনো স্থানে ইসলাম অবমাননাকর কোনো কিছু ঘটলে বা উচ্চারিত হলে, তাদের দেখা যায় রাজপথে। দেখা যায় জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর করতে। হ্যাঁ, যেকোনো ধর্ম অবমাননাকারী ও ধমের্র বিরুদ্ধাচরণকারীর বিরুদ্ধে আমরাও। কিন্তু প্রশ্ন হলো- মানুষ হত্যা কি ধর্ম অবমাননা নয়? ধমের্র দোহাই দিয়ে নিষ্পাপ শিশুদের খুন করা কি ইসলামকে মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার শামিল নয়? পাকিস্তানে তালেবানরা তা-ই করেছে। ১৪১ জন মানুষকে নির্বিচারে খুন করে তারা ইসলামকে কলুষিত করেছে। মানবতাবাদি ইসলাম ধর্মকে মানুষের বিরুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। পাকিস্তান তালেবানদের চালানো হত্যাকান্ড সম্পর্কে আফগান তালেবান এক বিবৃতিতে বলেছে, নিরীহ জনগণ, নারী ও শিশু হত্যা ইসলামের মূলনীতির বিরুদ্ধাচরণ। প্রত্যেক ইসলামপন্থি সরকার ও গোষ্ঠীরই উচিত ইসলামের মূলনীতি মেনে চলা।’ ফলে বলতে দ্বিধা থাকে না, শিশু হত্যাকারী পাকিস্তান তালেবান ধমের্র কেউ নয়। এরা খুনি, ববর্র, রক্তপিপাসু ও তা-বকারী।
দুঃখের বিষয়, এই খুনিদের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি কোনো ইসলামপন্থি দলকে। এই দলগুলো ইসলামের খেদমতকারী, ইসলামের রক্ষক ও ইসলাম প্রতিষ্ঠায় লড়াইকারী হিসেবে নিজেদের প্রচার করে। দেয়ালে দেয়ালে, রাস্তার মোড়ে, পাবলিক প্লেসে তাদের ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায়। সাম্প্রতিক অতীতে ধর্ম নিয়ে কটূক্তির দায়ে একজন প্রাক্তন মন্ত্রীর ফাঁসি কার্যকরের জন্য রাজপথ গরম করেছিল এই দলগুলো। অভিযুক্ত মন্ত্রীর বিচার চলছে। কিন্তু পাকিস্তানে একসঙ্গে এতগুলো শিশুকে হত্যা করা হলো, অথচ এসব দল এই ঘটনায় এখন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। না গণমাধ্যমে, না রাজপথে কোথাও তাদের হইচই নেই। প্রশ্ন জাগে- তারা আজ কোথায়? তারা কি নীরব থেকে তালেবানের এই হত্যাকান্ডকেই সমর্থন করছেন? নাকি অন্য কিছু। আমরা তা প্রত্যাশা করি না। এই হত্যাযজ্ঞের পর গোটা বিশ্ব নিন্দা জানিয়েছে, সমব্যথী হয়েছে বেদনাতুর পাকিস্তানের। হত্যার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবান। পাকিস্তান তালেবানের দ্বারা সংঘটিত এই হত্যাকান্ড এতটাই নারকীয় যে, তাদের দোসর আফগানিস্তানের তালেবানরাও বিস্ময় প্রকাশ করে এর নিন্দা জানিয়েছে। পাকিস্তানে দুই শ্রেণির মানুষ খুবই পরাক্রমশালী। এক. সে দেশের সামরিকবাহিনীর সদস্যরা। দুই. তালেবান স্টাইলের জঙ্গিরা। তারা দুপক্ষই অস্ত্রধারী। তারা সাধারণ মানুষ থেকে আলাদা। এক পক্ষ আইনের সুযোগে হত্যা করে, অন্যটি দ্বিন প্রতিষ্ঠার নামে হত্যা করে। এই পাকিস্তানের সঙ্গে আজকের বাংলাদেশের খুব মিল আছে কি? এটি সত্য যে, জঙ্গি আশঙ্কায় আছে বাংলাদেশও। তবে এ দেশ জঙ্গি কিংবা তালেবানের মতো কোনো ভয়ঙ্কর সংগঠনের অভয়ারণ্য নয়। স্বাধীনতার পর গত কয়েক দশকে উন্নয়নের সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ প্রায় দ্বিগুণ এগিয়ে। দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষার বিস্তার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, কুসংস্কার থেকে মুক্তি, আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধি, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস এবং অর্থনৈতিক মুক্তি সব ক্ষেত্রেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যখন ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, তখন পাকিস্তানের রিজার্ভ মাত্র ১৪ বিলিয়ন ডলার। বৈদেশিক ঘাটতি কমিয়ে রপ্তানি আয়ে বাংলাদেশ পাকিস্তানের তুলনায় বেশ এগিয়ে। প্রতিবেশী দেশ ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। স্বাধীন হওয়ার পর ৪৩ বছরে বাংলাদেশ একটু একটু করে নানা বাঁধা দূর করে উন্নয়নের পথে অবিচল থেকেছে। আর পাকিস্তান মরছে নিজ সৃষ্ট জঙ্গিদের তা-বে। বাংলাদেশের অধিকাংশ শিশু জীবন রক্ষার প্রয়োজনীয় টিকা পায়। কিন্তু পাকিস্তানে শিশুদের পোলিও খাওয়ানোর কর্মসূচিতে আত্মঘাতী হামলা হয়, বোমা ফাটানো হয়। তথ্যপ্রযুক্তির মুক্ত বিশ্ব থেকে পাকিস্তানিদের অন্ধকার জগতে ঠেলে দেওয়া হয়। অবশ্য এলিট পাকিস্তানিদের কথা আলাদা। তাদের শিশুরা সব পায়। কিন্তু এবার সব রকমের সুরক্ষা থাকার পরও এলিটরাও বাঁচাতে পারল না তাদের শিশুদের। সেনাবাহিনী পরিচালিত স্কুলে ঢুকে নৃশংসভাবে শিশুদের হত্যা করল জঙ্গিরা। এটি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর চিত্র। সেনাবাহিনীর নিরাপত্তাবেষ্টনী মিথ্যা প্রমাণ করে স্কুলে হানা দিয়ে জঙ্গিরা যেন বুঝিয়ে দিল, তাদের পক্ষে সব কিছুই সম্ভব। তাহলে সাধারণ পাকিস্তানিরা যাবে কোথায়?
পাকিস্তান এই পরিস্থিতি থেকে তখনই বের হতে পারবে, যখন পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক দল অসাম্প্রদায়িক চেতানায় এক হয়ে কাজ করতে পারবে। বাংলাদেশ যতটুকু পেরেছে, তা এখন পাকিস্তানের জন্য উদাহরণ হতে পারে। এই নিষ্পাপ শিশুগুলোর কি অপরাধ? যারা আজ স্কুল চত্বর মাতাতো হাসি আনন্দ আর কোলাহলে তাদেরই বুলেটে স্তব্ধ হয়ে বিদায় নিতে হলো এই পৃথিবী থেকে। তাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। ১৬ ডিসেম্বরের এ ঘটনার ঠিক দশ দিন আগেই পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় জঙ্গি হামলার শিকার মালালা ইউসুফজাই বিশ্ববাসীকে শান্তির বাণী পৌঁছে দিয়ে জয় করেছেন নোবেল। দিনটিতে পাকিস্তানজুড়ে আনন্দ বয়ে গেছে। তার দশ দিন না যেতেই যে শিশুরা অনেকেই স্বপ্ন দেখেছে শান্তি ফিরিয়ে আনবে, করবে নোবেল জয়, কেউ কেউ হয়তো মালালা হওয়ার স্বপ্ন বুনেছে- তারাই অকস্মাৎ জঙ্গিদের বুলেটে বিদায় নিলো। আমরা কে কোথাকার? সেটি আজ আর বড় প্রশ্ন নয়। পাকিস্তান আমাদের সঙ্গে একাত্তরে কি করেছে তার বিবেচনা মাথায় নিয়েও নয়- আসুন পৃথিবীর দেশে দেশে এ জঙ্গিবাদ যেখানেই আছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলি। আর একটি শিশুকেও যেন জীবন দিতে না হয় বুলেটে। এই নির্মমতার বিরুদ্ধে আসুন রুখে দাঁড়াই। বাংলাদেশ কি সেই ঝুঁকি থেকে খুব দূরে? বাংলাদেশকে এই সব ঘৃণ্য ববর্র ঘটনা থেকে বাঁচিয়ে রাখার দৃপ্ত শপথ ও সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাদের, এখনই। ইসলামের নামে এই সব ববর্র হত্যাকান্ড ঘটার আগে সাবধান হতে হবে। ধমের্র নামে যারা অশান্তি করতে চায়। তাদের চিহ্নিত করে রুখে দাঁড়ান। কারণ, বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হলেও এখনো কিছু পাকিস্তানপন্থী লোক এদেশে আছে। সুযোগ পেলেই তারা ধমের্র নামে ছোবল মারার চেষ্টা করে। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। আমার সোনার দেশে জঙ্গির কোন ঠাঁই নাই।
লেখক: জনসংযোগ কর্মকর্তা, আরটিভি

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)