ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জুলাই ৭, ২০১৯

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৪ শ্রাবণ, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৪ জিলক্বদ, ১৪৪০

খুলনা, সড়ক সংবাদ পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থ্যা না থাকায় দক্ষিণ খুলনার বানিজ্যিক শহরে ভোগান্তি

পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থ্যা না থাকায় দক্ষিণ খুলনার বানিজ্যিক শহরে ভোগান্তি

এইচ,এম,শফিউল ইসলাম,নিরাপদ নিউজ:  দক্ষিণ খুলনার বানিজ্যিক শহর কপিলমুনি বাজার সামান্য বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে জন র্দুভোগ চরমে গিয়ে পৌঁছেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। সরেজমিনে দেখাযায় ঐতিহ্যবাহী বাজারের পাকা রাস্তায় পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে পানি নিস্কাশনে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। বাজারের অভ্যান্তরে ড্রেন কোন কাজে আসছে না। একইভাবে প্রধান সড়কের পার্শ্বে কোন ড্রেন না থাকায় বর্ষার পানি সরতে পারছে না।

জানাগেছে, খুলনা জেলার যতগুলি পাইকারী বাজার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার। ঐতিয্যবাহি এ পুরাতন বাজারের উপর নির্ভর করে আশপাশ জেলা, উপজেলার বাজার দর নিয়ন্ত্রীত হয় কপিলমুনির বাজার দরের উপর। অথচ দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এ বাজার ব্যবস্থাপনায় নেই কোন তদারকি। ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে বাহির হতে আসা হাটুরিরা পড়েছে মহা বিপদে।

 

তারা মালামাল রাখা ও কেনাবেচা করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর মুল কারণ হিসাবে প্রধান সড়কের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা। বাজারের শান্তা ফিসের মালিক শেখ আনারুল ইসলাম এ প্রতিনিি ধকে জানান, পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থ্য নেই। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা ঘাট বাজার স্যাঁত স্যঁতে হয়ে একাকার। পানি নিস্কাশনের ব্যপারে কপিলমুনির একজন ব্যবসায়ী বিপ্লব সাধু দুঃখ করে বলেন যে এতবড় বাজার সরকারী ডাকে বিক্রয় হয় অর্ধ কোটি টাকায় অতচ শ্রীবৃদ্ধি নেই বল্লে চলে। স্থানীয় বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সরদার গোলাম মোস্তফা ইত্তেফাককে বলেন যে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠেছে বাজার যে যার মত রাস্তা দখল করে বসে আছে।

 

তিনি আরও বলেন সব চাইতে বড় সমস্য আমাদের খুলনাÑপাইকগাছ মেইন সড়কে কোন পানি নিস্কাশনের ড্রেণ নেই। যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে থাকে,সেই সঙ্গে রাস্তার বারোটা বেজে যায়। সকল ব্যবসায়ী নেতা সহ সকলের দাবি সরকারের কাছে যে কাশিমনগর বাজার হয়ে কপিলমুনি থেকে গোলাবাড়ি বাজার মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তার পার্শ্ব দিয়ে ড্রেণ নির্মাণ করে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থ্য করলে পিচের রাস্তা সহ জন জীবন স্বস্তিতে থাকবে বলে জানান সবাই।

এ বিষয় খুলনা বিভাগের সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা তাপসী রানী দাশ বলেন আঠারোমাইল বেতগ্রাম হতে কয়রা পর্যন্ত মান উন্নত করণ বাজেট হয়েছে খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে। বাজারের বিষয়ে সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন মেইন রাস্তায় ড্রেণ তৈরির কোন বিকল্প পথ নেই। এ জন্য সরকারী কর্মকর্তাদের ড্রেণের বিষয় দৃষ্টি দেওয়ার আহবান করেছে এলাকাবাসী।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)