আপডেট ১০ মিনিট ১০ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১০ চৈত্র, ১৪২৫ , বসন্তকাল, ১৬ রজব, ১৪৪০

কৃষি, রাজশাহী পোরশার আমবাগান গুলোতে এখন মুকুলের সমারোহ

পোরশার আমবাগান গুলোতে এখন মুকুলের সমারোহ

সালাউদ্দীন আহম্মেদ, নিরাপদ নিউজ:  নওগাঁর পোরশায় আম গাছ গুলোতে এখন মুকুলের সমারোহ। প্রতিটি গাছে গাছে ঝলমল করছে সোনালী আমের মুকল। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে ছোট বড় আমবাগানের গাছ গুলো। মুকুল আসতে বাদ পড়েনি রাস্তাঘাট এবং বাড়ির অলিতে-গলিতে লাগানো গাছ গুলোতেও। যেদিকে দু‘চোখ যায়, সেদিকেই দেখা যাচ্ছে মুকুলের সমাগম। মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে যেন পুরো এলাকা।

গাছে মুকুল আসার সঙ্গে সঙ্গে দল বেধে মধু আহরণে ব্যস্ত মৌমাছিরা। তেমনি ভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সেখানকার আম চাষী ও বাগান মালিকরা। গাছে মুকুল আসার পর পরই ভালো ফলনের আশায় আম বাগান পরিচর্যাতেও দ্বিগুণ সময় ব্যয় করছেন চাষীরা। যদিও বছরের শুরু থেকেই সার ও কিটনাশ প্রয়োজন মতো ব্যবহার করে থাকেন চাষীরা। উপজেলার চকবিষ্ণপুর গ্রামের আম চাষী মোঃ আব্দুল হাকিম জানান তার আম চাষের অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গাছে মুকুল বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। ঝড় ঝঞ্ঝা, শিলা-বৃষ্টি না হলে ভালো ফলনের আশাবাদি তিনি।

গাছে গাছে ব্যাপক আমের মুকুল দেখে আশাবাদি এলাকার আম চাষীসহ ছোট বড় আম ব্যবসায়ীরা। তারা অপেক্ষা করছেন মুকুল ঝরে আমের গুঠি আসার। কলনী গ্রামের আমচাষে সফল ব্যক্তি মোঃ আব্দুস সালাম বললেন, এখন প্রায় প্রতিটি আম গাছেই মুকুল আশা শেষ হয়েছে। আর কয়েক দিনের মধ্যে মুকুল ঝরে পরিনত হবে গুঠিতে। আমের গুঠি আসার মাঝা মাঝি সময়ে পোঁকা মাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে আমরা/আম চাষীগণ উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ঔষুধ ও কিটনাশ প্রয়োগ করব। এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকতা মাহফুজার রহমান জানান,- নওগাঁ জেলায় এবার প্রায় ১৪হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে আম চাষাবাদ হচ্ছে। এ জেলার মধ্যে পোরশায় সব চাইতে বেশি।

এ উপজেলায় প্রায় ৯ হাজার ২শত হেক্টর জমিতে আম চাষ করেছেন চাষীরা। এবছর জেলায় প্রায় আড়াই লক্ষ মেট্রিকটন আম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষেই আমাদের সাধ্য মতো আমরা প্রতি বছরের মতো এবারও আম চাষীদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলন পাবে চাষীরা।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)