আপডেট মার্চ ৬, ২০১৭

ঢাকা সোমবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ , গ্রীষ্মকাল, ১২ রমযান, ১৪৩৯

চট্টগ্রাম, ভ্রমন প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামের মহামায়া

প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামের মহামায়া

প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামের মহামায়া

শফিক আহমেদ সাজীব, ০৬ মার্চ ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : বসন্তের মোহনীয় সাজে সেজেছে প্রাকৃতিক রূবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ মহামায়া লেকের চারিধার, লেকের পাড়ের নবসৃজিত সারি সারি ঝাউ, হরেক রকম ফুল পাখির মেলায় মহামায়া লেকের সৌন্দর্য আরেক নতুন রূপ ধারন করেছে সম্প্রতি। এবারের বসন্তের রূপের সৌন্দর্যে অবগাহন করতে দর্শনার্থীরা যেন মাতোয়ারা। যেই এখানে আসছে হচ্ছে বিমোহিত। বিমুগ্ধ চিত্তে সে প্রকৃতির কোলে নিমজ্জিত হচ্ছে ভিন্ন স্বত্তায়। মীরসরাইতে গড়ে উঠা এগার বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহামায়া লেকে সম্প্রতি দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষনীয়। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়ন করা এই সেচ প্রকল্পে দিন দিন নজরকাড়া রূপ দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছে অগনিত দর্শনার্থী। এবার বসন্তের এই প্রাকৃতিক প্রাচুর্যময় সময়ে পুরো এলাকা ভিন্ন রকম সাজে এখন। পুরো লেক জলে টুইটুম্বুর এখন। অতিরিক্ত পানি ইনটেক ষ্ট্রাকচার দিয়ে ছেড়ে দেয়ায় সেখানে সৃষ্টি হয়েছে নয়নাভিরাম স্রোতস্বিনী, দর্শনার্থিরা সেখানে ব্লকের উপর গড়িয়ে পড়া জলে সৃষ্টি হওয়া জলপ্রপাতে আনন্দে কেউ হাটছে, কেউ খেলছে, কেউ ঝর্ণার জলে মত্ত। প্রায় ১০ স্কয়ার কিলোমিটার লেকের জলে অনেকে নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লেকের বিভিন্ন অংশে পাহাড়ের চূড়া, বনানী, সারি সারি বাগান, জুম চাষ, পাহাড়ি রকমারি ফুলের মেলা, ঝোপে ঝোপে মাছরাঙ্গা আর বকের শিকারী মগ্নতার দৃশ্য, এছাড়া অতিথি পাখি, পান কৌড়ি দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে। যে যার মতো ছোট্ট ডিঙ্গি কিংবা সপরিবারে বড় নৌকা নিয়ে লেকে সারাবেলা ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকে ছুটে যাচ্ছে গহীন বনের নানা দৃশ্য অবলোকন করে ঝর্ণা দেখতে। অনেকাংশে সিলেটের মাধবকুন্ড থেকেও দৃষ্টিনন্দন এই ঝর্ণা যে কোন দর্শনার্থীকেই করছে বিমুগ্ধ। এই ভরা ফাগুনে মহামায়া লেক দেখে আসতে পারেন যে কেউ অনায়াসেই। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ের ঠাকুরদীঘি থেকে মহাসড়কের পাশেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাইনবোর্ডে প্রকল্পের দেখে মহাসড়ক থেকে মাত্র ১কিলোমিটার পূর্ব দিকে পাহাড়ের কোলেই এই মহামায়া লেক। সারাবেলা কিংবা চাইলে সারাদিনই এই প্রকল্প এলাকায় যে কেউ মহা আনন্দে কাটাতে পারেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)