ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট আগস্ট ১৯, ২০১৯

ঢাকা সোমবার, ২ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৭ মুহাররম, ১৪৪১

বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ ‘প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রই আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ভিত্তি’

‘প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রই আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ভিত্তি’

নিরাপদ নিউজ: প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রগুলোই আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ভিত্তি এমন মন্তব্য করে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল বলেছেন, ‘প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের সত্যতা সম্পর্কে তারাই প্রশ্ন করেন, যারা ওই বিষয়গুলো সম্পর্কে অজ্ঞ।’

দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে ভারতের এই মন্ত্রী বলেন, ঋষি কণাদ পরমাণু বোমার তত্ত্ব প্রবর্তন করেছিলেন, এই কথা শুনে কারও কারও পেটে ব্যথা হতে শুরু হয়। তারা আমাকে এই নিয়ে প্রশ্ন করেন, কারণ প্রাচীন ভারতের জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আজকাল পরমাণু বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু হাজার হাজার বছর আগেই কণাদ পরমাণু পরীক্ষা করেছিলেন। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জ্ঞানও অনেক দিন আগে থেকে রয়েছে আমাদের।’

গবেষণার পথে না এগোনোর ভুল করার জন্যই প্রাচীন ভারতের জ্ঞান সম্পর্কে কেউ কেউ সন্দিহান বলে মনে করেন পোখরিয়াল।

তিনি বলেন, আমাদের একমাত্র ভুল হল, কোনো দিন ওই সমস্ত তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করিনি। আমেরিকার বিজ্ঞানীদের কাছে প্রশ্ন করুন, তাদের আবিষ্কারের তত্ত্ব কোথায় থেকে পেয়েছিলেন? তারা স্বীকার করবেন, ভারতীয় শাস্ত্রে সেসব খুঁজে পেয়েছেন।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যম বলছে, প্রাচীন ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং উৎকর্ষের প্রমাণ রামেশ্বরমের রামসেতু বলেও দাবি করেছেন পোখরিয়াল। শুধু তাই নয়, তার মতে, বিশ্বের একমাত্র বিজ্ঞানসম্মত ভাষা হল সংস্কৃত।

গত সরকারে থাকাকালীন দেশটির সংসদে রমেশ পোখরিয়ালের একটি বক্তব্য নিয়ে চরম শোরগোল শুরু হয়। সংসদে পোখরিয়াল মন্তব্য করেছিলেন, জ্যোতির্বিদ্যা বিজ্ঞানের চেয়ে এগিয়ে। তার এই দাবি নিয়ে সেসময় রীতিমতো হাসির রোল পড়ে যায়।

সংসদে আলোচনায় তৎকালীন সাংসদ নিশাঙ্ক বলেছিলেন, ‘জ্যোতিষচর্চার কাছে বিজ্ঞান কিছুই নয়, তুচ্ছ ব্যাপার! জ্যোতিষচর্চাই হল সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের থেকেও এটা বড় বিষয়। আমাদের সত্যিই বিষয়টি নিয়ে প্রচার করা উচিত।’

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)