ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫১ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৪ আষাঢ়, ১৪২৫ , বর্ষাকাল, ৩ শাওয়াল, ১৪৩৯

ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজশাহী বগুড়ায় চামড়া কেনার প্রস্তুতি চলছে ব্যবসায়ীদের

বগুড়ায় চামড়া কেনার প্রস্তুতি চলছে ব্যবসায়ীদের

বগুড়ায় চামড়া কেনার প্রস্তুতি চলছে ব্যবসায়ীদের

নিরাপদ নিউজ: বগুড়ায় চামড়া কেনার প্রস্তুতি নিয়েছে চমড়া ব্যবসায়ীরা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেধে দেয়া দামেই গরু ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ফুট, খাসি ১৮ থেকে ২২ টাকা ফুট চামড়া কেনার জন্য তোড়জোড় পড়েছে।

তবে নগদে চামড়া কেনার ক্ষেত্রে আর্থিক সংকটে রয়েছে চামড়া ব্যবসায়ীরা। ঢাকার ট্যানারী মালিকরা গত বছরের চামড়ার দাম এখনো পরিশোধ না করায় আর্থিক সংকট আরো তীব্র হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীদের। আজ বগুড়া শহরের চামড়া পট্টি এলাকায় ঘুরে জানা গেছে এ তথ্য।

বগুড়া শহরেরর চামড়া ব্যসায়ীরা বলছেন, জেলায় গত বছর একটি মাঝারি আকারের গরুর চামড়া ১২ শত থেকে ১৪ শত টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। এবার ঢাকা থেকে জেলা পর্যায়ে গরুর চামড়া ৪৫ তেকে ৫০ টাকা ফুট, খাসির চামড়া ১৮ থেকে ২২ টাকা ফুট নেয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি গরুর চামড়া গড়ে ২০- ২২ ফুট হয়ে থাকে। সেই হিসাবে বগুড়ায় একটি গরুর চামড়া ২০ ফুট হলে এবং ৫০ টাকা ফুট ধরা হলে দাম দাঁড়ায় ১ হাজার টাকা। একটি মাঝারি সাইজের গরুর চামড়া কেনাবেচা হবে ১ হাজার টাকায়।

কিন্তু এ দামে কোরবানিদাতারা না দিতে চাইলে সেক্ষেত্রে দাম বাড়তে পারে। চামড়া ব্যবসায়িরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরেই ঢাকার ট্যানারী মালিকদের কাছ থেকে বগুড়ার ব্যবসায়িরা পাওনা রয়েছে কয়েক কোটি টাকা। এই টাকা পরিশোধ না করায় বছরের পর বছর আর্থিক সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি এখানকার ব্যবসায়ীরা। ঢাকার ট্যানারী মালিকদের কাছে আটকা রয়েছে টাকা। তবে ঈদের আগ মুহূর্তে এসে ঢাকার ব্যবসায়ীরা অনেকটা নমনীয় ভাব দেখান। কিছু করে টাকা পরিশোধ করেন। তারপরও চামড়া কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা।

বগুড়ার চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, দুই মাস আগে বগুড়ার বাজারে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৮৫-৯০ টাকা দরে বেচাবিক্রি হয়েছে। একইভাবে খাঁসির চামড়া ২০-২৫ টাকা ও বকরীর চামড়া ১০-১২ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে। বর্তমানে প্রতি বর্গফুট ভাল মানের গরুর চামড়া ৭০-৭৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বগুড়া জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির কোষাধ্যক্ষ জাহিদুর রহমান জানান, ঢাকার ট্যানারী মালিকরা গত বছরের চামড়ার দামই পরিশোধ করেনি। যে কারণে ব্যবসায়িদের কাছে নগদ অর্থ নেই। নগদ অর্থ ধার দেনা করে নিয়ে আসতে হচ্ছে। তা দিয়ে আর কত চামড়া কেনা যায়। তারপওর চেষ্টা চলছে দেশীয় শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে চামড়া কেনা হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেধে দেওয়া দামেই। তারপরও বগুড়ার বাজার ব্যবস্থার পর এই দাম কম বেশি হতে পারে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)