ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট June ২, ২০১৫

ঢাকা শুক্রবার, ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৭ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

বহির্বিশ্ব বাংলাদেশ নয় মানবপাচারের কবলে পড়া ৭২৭ জনকে মংডুতে পাঠানো হচ্ছে

বাংলাদেশ নয় মানবপাচারের কবলে পড়া ৭২৭ জনকে মংডুতে পাঠানো হচ্ছে

বাংলাদেশ নয় মানবপাচারের কবলে পড়া ৭২৭ জনকে মংডুতে পাঠানো হচ্ছে

বাংলাদেশ নয় মানবপাচারের কবলে পড়া ৭২৭ জনকে মংডুতে পাঠানো হচ্ছে

ঢাকা, ০২ জুন ২০১৫, নিরাপদনিউজ : মানবপাচারের কবলে পড়া ৭২৭ জনকে বাংলাদেশ নয় তাদের পাঠানো হচ্ছে মংডুতে। এর আগে এক খবরে বলা হয়েছিল- ৭২৭ জনকে অভিবাসনপ্রত্যাশীকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে। তবে এ ধরণের ইঙ্গিত দিয়েছিল মায়ানমার কর্তৃপক্ষই। কিন্তু দেশটির তথ্যমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইয়ে হুতুত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বলেন, নৌবাহিনীর পাহারায় নৌকাটিকে একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাদের নাগরিকত্ব সনাক্ত করার জন্যই স্থানান্তর করা হচ্ছে মাত্র। অবশ্য পরে একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিজিবির পক্ষ থেকেও।
তারও আগে মিয়ানমার আরেকটি নৌকা থেকে প্রায় ২০০ জনকে উদ্ধারের পর তাদের বাংলাদেশি বলে দাবি করে। তবে তারা রোহিঙ্গাদের আড়াল করে আরোহীদের বাংলাদেশি বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিজিবি কর্মকর্তা মেজর রাসের বলেন, মিয়ানমারের নৌ বাহিনী চিঠির বক্তব্যের বাইরে অন্য কিছু করার চেষ্টা করলে বাংলাদেশ সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করবে। বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সদস্যরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবির ৪২ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী গণমাধ্যমকে জানান, ওই নৌকা ও আরোহীদের বিষয়ে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বিজিবিকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়- মিয়ানমারের নৌবাহিনীর পাহারায় দুটি জাহাজে করে ওই অভিবাসীদের বুধবার নাফ নদী দিয়ে মংডু শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। চিঠিতে বলা হয়েছে, তাদের পুশব্যাক নয়, স্থানান্তর করা হচ্ছে।
তবে তার আগে গত শুক্রবার মিয়ানমারের দক্ষিণ উপকূলে ওই নৌকা আটকের পর দেশটির সরকার আরোহীদের বাঙালি বলে দাবি করে। এর মাত্র কয়েকদিন পর আজ মঙ্গলবার সকালে মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দামান সাগর থেকে আটক ওই নৌকার আরোহীরা মিয়ানমারে নয় বাংলাদেশে যেতে চান। ময়ানমারের নৌবাহিনী তাদের সাথে করে বাংলাদেশের জলসীমায় নিয়ে যাবে। নৌকার আরোহীদের সাথে পানি ও খাবারও দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটা তাদের ইচ্ছাতেই করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)