ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২৪ মিনিট ১০ সেকেন্ড

ঢাকা শুক্রবার, ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

ক্রিকেট বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষে অস্বস্তিতে

বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষে অস্বস্তিতে

নিরাপদ নিউজ: দলে চার স্পিনার, কোনো পেসার নেই। এমন একাদশ নিয়েও দিনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। ৭৭ রানের মধ্যে আফগানিস্তানের ৩ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু এরপরের গল্পটা মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়। রহমত শাহ’র ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি আর আসগর আফগানের অপরাজিত ৮৮ রানের ইনিংসে ভর করে বরং স্বস্তির দিন কাটালো সফরকারীরা। দিন শেষে আফগানদের সংগ্রহ ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান।  সিরিজের একমাত্র টেস্টে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় আফগানিস্তান। আর টস করতে নেমেই ইতিহাস গড়েন আফগানদের নতুন অধিনায়ক রশিদ খান। এ দিন রশিদ মাঠে নেমেছেন ২০ বছর ৩৫০ দিন নিয়ে। যা টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড।

ফলে ভেঙে গেল জিম্বাবুয়ের সাবেক ক্রিকেটার টাটেন্ডা টাইবুর রেকর্ড। ২০০৪ সালে হারাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলকে ২০ বছর ৩৫৮ দিন বয়সে নেতৃত্ব দিতে নেমেছিলেন টাইবু। শুরুতে ফিল্ডিং করতে নেমে দলীয় ১৩ ও নিজের সপ্তম ওভারে ব্যক্তিগত ৯ রানে থাকা জানাতকে ফেরান তাইজুল। এরই সঙ্গে বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার হিসেবে টেস্টে ১০০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন তাইজুল। এর আগের রেকর্ডধারী সাকিব ২৮ টেস্টে ১০০ উইকেট নিয়েছিলেন। যেখানে বর্তমানে ৫৫ টেস্টে তার বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ২০৫টি উইকেট রয়েছে। আফগানদের আরেক ওপেনার ইব্রাহীম জাদরানকেও (২১) বিদায় করেন তাইজুল।

মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির ঠিক আগেই তৃতীয় উইকেট উপহার দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৩তম ওভারের চতুর্থ বলে আফগানিস্তানের দলীয় ৭৭ রানে হাশমতউল্লাহ শহিদীকে বিদায় করেন এই অলরাউন্ডার। ব্যক্তিগত ১৪ রানে শহিদী উইকেটের পেছনে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দেন।  তবে এরপর থেকেই শুরু আফগানদের প্রতিরোধের গল্প।  আফগানিস্তানের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরি করে দুর্দান্ত এক রেকর্ড গড়েন রহমত শাহ। নিজেদের মাত্র তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামা আফগানদের হয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান তিনি। ১৮৬ বলে সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটসম্যান অবশ্য নাঈম হাসানের পরের বলেই বিদায় নেন।

সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১০টি চার ও দুটি ছক্কায় ১০২ করেন তিনি। একই ওভারে শূন্য রানে মোহাম্মদ নবীকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান নাঈম। সেঞ্চুরিয়ান রহমতকে বিদায় করলেও স্বস্তিতে ছিলেন না টাইগাররা। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন আসগর আফগান। সঙ্গী আফসার জাজাইকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৭৪ রানের জুটি গড়েছেন সাবেক অধিনায়ক। আফসার অপরাজিত আছেন ৩৫ রানে। বল হাতে ২টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন তাইজুল ও নাঈম। বাকি উইকেট মাহমুদউল্লাহ’র।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)