ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ১২ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ২২ শাওয়াল, ১৪৪০

বরিশাল, সড়ক সংবাদ বাউফলে চাঁদকাঠীর খেয়াঘাট মমিনপুর সড়কের বেহাল দশা

বাউফলে চাঁদকাঠীর খেয়াঘাট মমিনপুর সড়কের বেহাল দশা

বাউফলে চাঁদকাঠীর খেয়াঘাট মমিনপুর সড়কের বেহাল দশা

কামরুল হাসান, নিরাপদ নিউজ : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের চাঁদকাঠী ফুলতলা খেয়াঘাট থেকে মমিনপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যাত্রীবাহী যানবাহন ও এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । প্রায়ই ঘটেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিকল হয়ে পড়ছে যাত্রীবাহী যানবাহন। গুরুত্বপূর্ন এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন টেম্পো, অটোরিক্সা, টমটম, ভ্যান গাড়ীসহ বিভিন্ন ভারী যানবাহন কালিশুরী হয়ে পটুয়াখালী জেলা সদরসহ বিভাগীয় শহর বরিশালে যাতায়াত করে। এ ছাড়া প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। বিশেষ করে এই এলাকার মুমূর্ষু রোগী সহ গর্ভবর্তী মা’দের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। কয়েক দিন আগে নিজেদের সুবিধার্থে গাড়ী চালকরা পকেটের টাকায় ইট ও বালু দিয়ে বড় বড় গর্ত ভরে কোন রকম যান চলাচলের যেটুকু উপযোগী করে তুলেছিল তাও এখন আর নেই। বর্ষ মৌসুমে কষ্টের কোন সীমা থাকবে না বলে মনে করেন এলাকাবাসী। এলজিডির এ সড়কটি প্রায় ৫ বছর আগে সর্বশেষ সংস্কার করা হয়েছে। এরপর আর সংস্কারের উদ্যোগ না নেয়ায় চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। সংস্কারের অভাবে এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচসহ কার্পেটিং এর পাথর উঠে খানাখন্দে ভরে গেছে। যা বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। গতকাল রোবিবার সকালে সরেজমিনে গেলে চাঁদকাঠী- মোমিনপুর সড়কের এ রকম বেহালচিত্র দেখা যায়। অথচ চলাচলের এই ভোগান্তি নিরসনে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ওই সড়ক দিয়ে কালিশুরী বন্দরের যাতায়াত করে এমন একজন ব্যবসায়ী শিকদার কসমেটিকসের সত্ত্বাধিকারী মেহেন্দীপুর গ্রামের মোঃ অসিম শিকদার বলেন, আমাকে প্রতিদিন এই সড়কটি দিয়ে ব্যবসার কাজে মেহেন্দীপুর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দুরে কালিশুরী বন্দরে যেতে হয়। সড়কটিতে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যাত্রীবাহী গাড়ী চলাচল প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তাই মাঝে মাঝে পুরো পথ হেটেই যেতে হয়। কখনো গাড়ী পেলেও ভাড়া গুনতে হচ্ছে দ্বিগুন।এতে ভোগান্তির পাশাপাশি সময় ও অর্থ উভয়ই অপচয় হচ্ছে। তাই জরুরী ভিত্তিতে সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন। কেশবপুর গ্রামের সত্তোর্ধ আরেক পথচারী রশিদ মাতুব্বর বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে কয়েকটি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। ত্ইা জনগনের দুর্ভোগ লাগবের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জনগুরুত্বপূর্ন সড়কটি সংস্কারের দাবী জানাই। বাউফল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জহিরুল ইসলাস বলেন, অতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীন সড়কের মেরামত নামে একটি প্রকল্পে সড়কটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আশা করি এ মাসের মধ্যে বরাদ্ধ পেয়ে যাব। বরাদ্ধ পেলে সংস্কারের কাজ হাতে নেয়া হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)