ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মার্চ ৭, ২০১৯

ঢাকা শনিবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ , গ্রীষ্মকাল, ১৯ রমযান, ১৪৪০

টিভি প্রোগ্রাম বৈশাখী টিভির ‘প্রিয়মুখ’ অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অণিমা রায়

বৈশাখী টিভির ‘প্রিয়মুখ’ অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অণিমা রায়

নিরাপদ নিউজ: বৈশাখী টিভিতে নতুন বছর থেকে শুরু হয়েছে শোবিজ মিডিয়ার তারকাদের জীবনীভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘প্রিয়মুখ’। ৯ মার্চ সন্ধ্যা ৬.০০ টায় প্রচার হবে এ অনুষ্ঠানের ১০ম পর্ব। এ অনুষ্ঠানের  জন্য মুখোমুখি কথা বলেছেন জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অণিমা রায়। বললেন অজানা অনেক কথা। শহিদুল ইসলাম সজীবের  প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি  গ্রন্থনা ও  সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন দুলাল খান।

দেশের জনপ্রিয় সব রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীর মধ্যে অন্যতম অণিমা রায়। সংগীতের সব শাখাতেই রয়েছে যার অবাধ পদচারণা। আজকের এই অবস্থানের পেছনে যার ভূমিকা সর্বাগ্রে তিনি হলেন তার কাকা বিমল রায়। ছোটবেলায় এই কাকার উৎসাহেই সংগীতের পথে হাঁটতে শুরু করেন অণিমা রায়। হাতেখড়ি ওস্তাদ দেবাশীষ শর্মার কাছে। এরপর যার কাছে তালিম নেন তিনি হলেন সাস্ত্রীয় সংগীতের ওস্তাদ সাধনচন্দ্র বর্মন।

রবীন্দ্র সংগীতের প্রতি তখন ছিল অণিমা রায়ের দারুণ দুর্বলতা। যে কারণে গুরু সাধনচন্দ্র বর্মন তাকে পরিচয় করিয়ে দেন রবীন্দ্র সংগীতের স্বযশী শিল্পী মিতা হকের সঙ্গে। তার কাছেই চলে অণিমার কঠোর সাধনা। একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন। এখানেই অনার্সসহ মাস্টার করেছেন তিনি। শিক্ষক হিসেবে পান রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, নিলুফার ইয়াসমিন এবং মৃদুল কান্তি চক্রবর্তীকে। অণিমা রায়কে ভাগ্যবতীই বলতে হবে যিনি সংগীত গুরু হিসেবে পেয়েছেন দেশের খ্যাতনামা এসব সংগীতজ্ঞকে। এদের তত্ত¡াবধানেই সংগীত সাগরে একাকার হয়ে মিশে যান তিনি। স্বপ্নের পরিসর বেড়ে যায় বহুগুণে।

এমফিল করেছেন রবীন্দ্র গীতিনাট্য,নৃত্যনাট্য ও নাটকের গান নিয়ে। পঞ্চগীতি কবির গানে স্বদেশ চেতনা বিষয়ে  পিএইচডি করছেন বিশ্বজিৎ ঘোষ ও লীনা তাপসী খানের অধীনে।

অণিমা রায়ের জন্ম ঢাকার কেরানী গঞ্জে, ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুলাই। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন লেখক, সাংবাদিক, গায়ক, সংগীত পরিচালক তানভীর তারেককে। একমাত্র সন্তান অমিয়, স্বামী, শাশুরি নিয়ে সুখের সংসার তার। পেশাগত জীবনে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান।

অণিমা রায়ের উলে¬খযোগ্য অ্যালবামের মধ্যে কোথা যাও, আমি চিত্রাঙ্গদা, ইচ্ছামতি, রবির আলো, তোমার বিরহে, প্রাণের মাঝে আয়, মাতৃভূমি, তিন কবির গান বিবর্তন এবং কলকাতার রতœা মিত্রের সাথে গান ও আবৃত্তির অ্যালবাম প্রতীক্ষা। কলকাতায় রি-ইউনিয়ন নামে একটি চলচ্চিত্রে পে¬ব্যাকও করেছেন অণিমা। এ গানটির জন্য সেখানে দারুণ প্রশংসিত হন তিনি।

যতদিন বাঁচবেন ততদিন রবীন্দ্রনাথের গান আর তার কর্মময় জীবনকে ধারণ করেই বেঁচে থাকবেন। মৃত্যুর পরও যেন মানুষ মনে রাখেন অণিমা রায় নামে বলে কেউ একজন ছিলেন। এমন স্বপ্ন তিনি ঘুমিয়ে নয়, দেখেন জেগে জেগে…।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)