আপডেট ২৩ মিনিট ৩২ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ১১ বৈশাখ, ১৪২৬ , গ্রীষ্মকাল, ১৮ শাবান, ১৪৪০

টিভি প্রোগ্রাম বৈশাখী টেলিভিশনে শিশু কিশোর ধারাবাহিক নাটক ‘হ্যাপী লজ’

বৈশাখী টেলিভিশনে শিশু কিশোর ধারাবাহিক নাটক ‘হ্যাপী লজ’

নিরাপদ নিউজ: বৈশাখী টেলিভিশনে শুরু হলো শিশু কিশোর ধারাবাহিক নাটক ‘হ্যাপী লজ’। প্রতি শুক্রবার ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় প্রচার হবে এটি। প্রথম পর্ব প্রচার হবে ৫ এপ্রিল,শুক্রবার। সাঈদ রিংকুর পরিচালনায় এ নাটকের কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন আলমগীর কবির। নবাগত একঝাক শিশু কিশোর ছাড়াও এ নাটকে অভিনয় করেছেন, ইন্তেখাব দিনার, সুষমা সরকার, অলিভি, সৌজন্য অধিকারী, আলমগীর কবির, কামাল বায়েজিদ, সুভাশীষ ভৌমিক, শতদল বড়ুয়া বিলু, জাহাঙ্গীর, রিয়াজ প্রমুখ।
শিশু কিশোর ধারাবাহিক নাটক নিয়ে বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। এদের মধ্য থেকেই তো কেউ কেউ দেশের নেতৃত্ব দিবে। তাই তাদের মনন ও মেধা বিকাশে সবার এগিয়ে আসা উচিৎ। নির্মল বিনোদনের মাধ্যমে শিশুরা যাতে নৈতিকতা শিখতে পারে সে জন্যই আমাদের এ উদ্যোগ। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। শিশুদের কথা মাথায় রেখে খুব শীঘ্রই আমরা বাংলায় ডাবকৃত মজার মজার কার্টুন ছবি প্রচার করব-যা বৈশাখী টিভির দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।

সংক্ষিপ্ত কাহিনী: বাড়ির নাম ‘হ্যাপী লজ’। হ্যাপী লজ বাড়ির মানুষজন ঢাকা পত্তনের সময়কার ইসলাম খাঁর বংশধর। তাদের পরিবারের পূর্বপুরুষ কেউ একজন ইসলাম খাঁর আমলের সেনাপতি ছিলেন। এ পরিবারেই শেষ বংশধর পিন্টু। তার পোষাকী নাম মির্জা আসাদুল্লাহ সবুক্তগিন আল সিরাজ। পিন্টুর এমন নাম নিয়ে স্কুলের সহপাঠীরা নানা ঠাট্টা, তামাশা করে, খ্যাপায়। শিক্ষকরাও তার দিকে অবাক চোখে তাকায়। পিন্টুর এমন আজব নাম রেখেছেন তার নানাজান। পিন্টুর স্কুল শিক্ষক পিতা হাসানুল ইসলাম সহজ সরল মানুষ। মা জুবাইদা একেবারেই সাদাসিদে। সবমিলিয়ে তারা হ্যাপী লজের হ্যাপী ফ্যামিলি।

তাদের সাথে থাকে পিন্টুর মামা আসগর আলী। ডাক নাম ইফতি। সেও তার নাম নিয়ে সুখী নয়। তার যত সব উদ্ভট বিষয়ে আগ্রহ। পড়ালেখা শেষ করে চাকরি বাকরি খুঁজছে। ইদানিং সংগীতের আদি উৎস ও বিকাশ নিয়ে গবেষণা করছে। নানা বিষয় নিয়ে মাঝে-মধ্যেই শুরু হয় মামা ভাগ্নে দ্বন্ব। হঠাৎ একদিন পিন্টুদের বাড়িতে এসে হাজির হন এক আজব মানুষ। নাম সলিমুল্লাহ খান। বয়স বছর পঞ্চাশেক। সম্পর্কে পিন্টুর মায়ের চাচা। দীর্ঘদিন ওমান ছিলেন। এখন স্থায়ীভাবে দেশে ফিরেছেন। নতুন অতিথি পেয়ে পিন্টুও বেশ খুশী। তার সঙ্গে নানান গল্পে তার সময় কাটে। তিনি আবার গণক। হাত দেখে অবলিলায় বাড়ির সবার ভবিষ্যত বলে দেন। কিন্তু পিন্টুর মামা তার ওপর দারুণ নাখোশ। কারণ, তার হাত দেখে তিনি বলেছেন-সে নাকি জীবনে কিছুই করতে পারবে না। যে কাজই করতে যাবেন তাতেই ধ্বংস অনিবার্য। এ নিয়ে একবুক ক্ষোভ, রাগ আর মনোকষ্ট রয়েছে তার।

পিন্টু, অত্রি আর সকাল- ভাল বন্ধু। প্রায় প্রতিদিনই তারা এ্যাডভাঞ্চারের প্ল্যান করে। ইয়েতি অভিযানে যাবে, প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে কি আছে তা দেখে আসবে ইত্যাদি।
এরই মধ্যে ঘটে যায় ভয়ানক দুর্ঘটনা। পিন্টুর বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় হাত ভেঙ্গে ফেলেন। আজব মানুষ সলিমুল্লাহ খান গম্ভীরভাবে বলেন-তিনি আগেই এটা আঁচ করতে পেরেছিলেন। বাড়ির সবাই ভয় পাবে বলে তা তিনি কাউকে বলেননি। তিনি আরো বলেন, এ বাড়িতে এক অশুভ ছায়ার চোখ পড়েছে।

এদিকে অত্রিদের বাড়িতে চুরি হয়ে গেছে দশ ভরি সোনা। ওদিকে শুভ, সকাল আর স্বপ্নদের বাড়িতে আবিস্কৃকৃত হয় গোপন চিরকুট। তাতে লেখা- কোনো এক মন্দিরের দেবী নাকি শিশু বলি চাইছে। হ্যাপী লজের বাড়ির সবাই যেন বিশ্বাস- অবিশ্বাসের দোলাচলে। আসলে কি ঘটছে হ্যাপী লজে, সলিমুল্লাহ খানেরইবা উদ্দেশ্য কি? ইফতি কি ভুল দেখল ছাদে পরী নামে নাকি ভিনপ্রহের প্রাণী? পিন্টুর মায়ের কাছে বাদশাহী মোহরের মধ্যে কি ভিনপ্রহের প্রাণীদের বেতার বার্তার রিসিভিং সিগন্যাল আছে? সব কিছুরই উত্তর পাওয়া যাবে শিশু- কিশোর ধারাবাহিক হ্যাপী লজে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)