আপডেট জুন ১১, ২০১৯

ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ১৫ শাওয়াল, ১৪৪০

বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রিত্বের জমজমাট লড়াইয়ে সাজিদ জাভিদসহ ১০ প্রার্থী

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রিত্বের জমজমাট লড়াইয়ে সাজিদ জাভিদসহ ১০ প্রার্থী

নিরাপদ নিউজ: দলীয় প্রধানের পদ থেকে টেরেসা মে’র সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির (টোরি) প্রধান, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা-কল্পনা। সোমবার ১০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে টোরি ব্যাকবেঞ্চ ১৯২২ কমিটি। এরপরই আরও বেড়ে যায় জল্পনা-কল্পনার মাত্রা।

গত বছরের মার্চের হিসাব অনুযায়ী কনজারভেটিভ পার্টির মোট সদস্য এক লাখ ২৪ হাজার। এসব সদস্য ও সাংসদদের ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিই হবেন দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, টোরি দলের ১৯২২ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ডেইম শেরল গিলান সোমবার প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। জেরমি হান্ট, ডমিনিক রাব, ম্যাট হ্যানকক ও মাইকেল গোভের মতো যারা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমার আগেই প্রচারণায় নেমে পড়েছেন তাঁরাও রয়েছেন এ তালিকায়।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন- মে’র মন্ত্রিসভার পরিবেশমন্ত্রী মাইকেল গোভ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক, সাবেক চিফ হুইপ মার্ক হারপার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ররি স্টুয়ার্ট, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন, সাবেক লিডার অব দ্য হাউজ আন্ড্রেয়া লেডসাম, সাবেক শ্রম ও পেনশন বিষয়ক মন্ত্রী এস্টার ম্যাকভেই, সাবেক ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডমিনিক রাব।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভেতর থেকে দলীয় প্রধান হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তি কনজারভেটিভ দলের শীর্ষ পদে আসীন হওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী পদে টেরিজা মে-র স্থলাভিষিক্ত হবেন।

ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের প্রক্রিয়া নিয়ে একটি চুক্তিতে উপনীত হতে ব্যর্থতার সব দায় নিজের কাঁধে নিয়ে শুক্রবার পদত্যাগ করেন মে। ফলে আগামী  জুলাইয়ের মধ্যেই নতুন নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবে কনজারভেটিভ পার্টি। যত দিন দলীয় প্রধান নির্বাচিত না হবে তত দিন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন মে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মের সময়কাল সবচেয়ে বিপর্যয়কর। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে ৩৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে ২৫ জনই ব্রেক্সিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে। আর পদত্যাগের পর তিনিই হলেন ব্রিটেনের সবচেয়ে স্বল্পকালীন প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে পঞ্চম।

মে’র পদত্যাগের পরই নতুন দলীয় প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ বিষয়ে টোরি ব্যাকবেঞ্চ ১৯২২ কমিটির প্রধান গ্রাহাম ব্রাডির সঙ্গে একমত হয়েছেন মে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)