ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জুন ১০, ২০১৫

ঢাকা শনিবার, ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৬ রবিউস-সানি, ১৪৪১

ক্রিকেট ভুল থেকে শিক্ষা না নেওয়ার মাশুল গুণছে বাংলাদেশঃ ধাওয়ান-বিজয়ে ভর দিয়ে বিশাল রানে ভারত

ভুল থেকে শিক্ষা না নেওয়ার মাশুল গুণছে বাংলাদেশঃ ধাওয়ান-বিজয়ে ভর দিয়ে বিশাল রানে ভারত

টেস্টে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ার পথে রয়েছে ভারত।

টেস্টে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ার পথে রয়েছে ভারত।

১০ জুন ২০১৫, নিরাপদ নিউজ : প্রতিটি ক্ষেত্রেই উচিত অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ সুগম করা। অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে তা পরিলক্ষিত হলেও এর ধার ধারে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কিংবা ক্রিকেট টিমের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এর আগেও পাকিস্তান সিরিজে এক পেসার নিয়ে টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ যে কতটা দুর্বল দল তার প্রমাণ দিয়েছে। ভারত সিরিজেও তার পুনরাবৃত্তি করল টিম ম্যানেজম্যান্ট। এর মাশুল দিতে হল মাঠে নেমে। শিখর ধাওয়ান ও মুরালি বিজয়ের রেকর্ড উদ্বোধনী জুটির সুবাদে ফতুল্লা টেস্টে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ার পথে রয়েছে ভারত।

একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে ভারতের সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৩৯ রান। ধাওয়ান ১৫০ ও বিজয় ৮৯ রানে ব্যাট করছেন।
টেস্টে বাংলাদেশের বিপে উদ্বোধনী জুটিতে এর আগে ভারতের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছিল দিনেশ কার্তিক ও ওয়াসিম জাফরের অধিকারে। ২০০৭ সালে ঢাকায় অবিচ্ছিন্ন ১৭৫ রানের জুটি গড়েছিলেন এই দুই জন। বুধবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ভালো সূচনা এনে দেন ধাওয়ান ও বিজয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ধাওয়ান আর প্রান্ত আগলে রাখার দিকেই মনোযোগ ছিল বিজয়ের।
বৃষ্টির কারণে প্রায় চার ঘণ্টার জন্য খেলা বন্ধ হওয়ার আগে একমাত্র সুযোগটি পায় বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলামের বলে শর্ট মিডউইকেট ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান সে সময় ৭৩ রানে ব্যাট করা ধাওয়ান। ঝাঁপিয়ে পড়লেও সহজ ক্যাচটি তালুবন্দি করতে পারেননি শুভাগত হোম চৌধুরী। সাড়ে এগারোটায় বন্ধ হয়ে সাড়ে তিনটায় খেলা শুরু হলেও ভারতের খেলায় কোনো ছন্দপতন ঘটেনি।

ধাওয়ান, বিজয়দের খুব একটা পরীায় ফেলতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা। বিপ্তি কয়েকটি এলবিডব্লিউর আবেদন ছাড়া আর তেমন কিছু করতে পারেননি তারা।
প্রথম ঘণ্টার পানি বিরতির আগেই অর্ধশতকে পৌঁছান ধাওয়ান। ৪৭ বলে অর্ধশতক করার পথে ১০টি চার হাঁকান তিনি। নিজের রান তিন অঙ্কে নিয়ে যেতে সব মিলিয়ে খেলেন ১০১ বল। শেষ পর্যন্ত ১৫০ রানে অপরাজিত থাকা ধাওয়ানের ১৫৮ বলের ইনিংসটি গড়া ২১টি চারে।

উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুল ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত না হলে হয়তো ফতুল্লা টেস্টে হয়তো খেলাই হতো না ধাওয়ানের। বাজে পারফরম্যান্সের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপে আগের ম্যাচে বাদ পড়েছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তৃতীয় সেশনে খেলা শুরুর পর অর্ধশতকে পৌঁছান বিজয়। ৮৯ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটসম্যানের বলের ১৭৮ ইনিংসটি সাজানো ৮টি চার ও ১টি ছক্কায়।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)