ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২০ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

অপরাধ, ঢাকা ভৈরবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ভেজাল শিশু খাদ্য জব্দ

ভৈরবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ভেজাল শিশু খাদ্য জব্দ

মো. আলাল উদ্দিন,নিরাপদ নিউজ:  ভৈরব পৌর শহরের রাণীর বাজার এলাকার গণি ষ্টোর নামে শিশু খাদ্যের দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫৫ কাটুন ভেজাল ও অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য সামগ্রী জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তখন অনুমোদনহীন ও ভেজাল খাদ্য বিক্রির দায়ে গণি ষ্টোর এর মালিক হাজী রুবেল মিয়া (৩৪) কে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

থরে থরে সাজানো শিশুদের নানা ধরণের লোভনীয় খাবার। চকলেট, লিচু, চানাচুর, আচার, বিভিন্ন ধরণের বিস্কুটসহ হরেক রকমের শিশু খাদ্য উপাদান সাজিয়ে রেখেছে দোকানটিতে। এর মধ্যে অধিকাংশ খাদ্য দ্রবের বিএসটিআই এর কোন অনুমোদন নেই। এইসব খাদ্য দ্রব্য নিয়মের তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘদিন দরে বাজারের বিক্রি করে আসছিল দোকানটির মালিক হাজী রুবেল মিয়া। পরে সেখানে বিএসটিআই এর কর্মকর্তা যাচাই বাছাই করে বিভিন্ন ধরনের অনুমোদনহীন ভেজাল শিশু খাদ্য জব্দ করে।

অনুমতি ছাড়া এসব খাদ্য বিক্রির দায়ে গণি ষ্টোরকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব খাদ্য শিশুদের জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন অভিযান পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান। অভিযানে সহযোগিতা করেন বিএসটিআই ফিল্ড অফিসার সিকান্দার মাহমুদ, ভৈরব পৌর স্যানেটারী ইন্সপেক্টর নাসিমা বেগম ও ভৈরব থানা পুলিশ। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে শাহীন ষ্টোর নামে আরেকটি খাদ্য সামগ্রীর গোডাউন তালা মেরে চলে যায় গোডাউনের মালিক।

তার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিক বার ফোন করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মালিক ফোন রিসিভ করেননি। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশে দোকানটিকে নতুন করে দুটি তালা মেরে বন্ধ করে দেয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান জানান, ভোক্তাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ভবিষ্যতে এসব ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিয়মিত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরে জব্দকৃত খাদ্যসামগ্রী পৌর মাতৃসদন মাঠে ধ্বংস করা হয়।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)