ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ১২ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ১ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৬ মুহাররম, ১৪৪১

খুলনা, সড়ক সংবাদ মহম্মদপুরে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা গ্রামবাসীর গলার কাঁটা

মহম্মদপুরে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা গ্রামবাসীর গলার কাঁটা

মাহামুদুন নবী,নিরাপদ নিউজ: মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পাল্লা থেকে চরগয়েশপুর গ্রামের ১৫ কিলোমিটার রাস্তা গ্রামবাসীর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারা বছরই লোকজনের চলাচলের একেবারই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চলতে গেলে বুঝায় যায়না এটি রাস্তা নাকি অন্য কিছু?। রাস্তাটির প্রায় ৮০ ভাগ যায়গারই ইট উঠে গেছে ।

প্রায় দেড়যুগ ধরে রাস্তাটিতে কোন সংষ্কারের কাজ নেই ফলে রাস্তা দিয়ে ভ্যান-রিক্সা-মোটরসাইকেল এমনকি বািই সাইকেল ও চলাচলের অনুপযোগী । দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংষ্কার করণের দাবি এলাকাবাসীর থাকলেও তাদের ডাকে সাড়া দেননি কোন জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ঠ কেউ। যুগের পর যুগ ধরে শুধু মেপেইে আসছে সংষ্কারের বালাই নেই বলে রাস্তাটি এখন গ্রামবাসীর গলার কাঁটায় পরিনত হয়েছে।

পাল্লা, কোমরপুর, দাতিয়াদহ,হরিনাডাঙ্গা, রায়পুর,মাধবপুর, আকসার চর, চুড়ালগাতি,চর-পুকুরিয়া, চরসেলামতপুর, রঘুনাথপুর, বাবুখালী ,গয়েশপুর, চর-গয়েশপুরসহ প্রায় ১৫-২০ গ্রামের লোজনের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি। এছাড়া এ রাস্তা দিয়ে এসব এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল কলেজে যাতায়াত করে । সাইকেল, মোটরসাইকেল বা ভ্যানতো দূরের কথা পায়ে হেঁটেও এই রাস্তায় চলাচল করার অনুপযোগী। গ্রামে কারো বিয়ে হলে ও অনেক দূরে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে বরযাত্রীদের আসা যাওয়া করতে হয়।

এছাড়া এ এলাকার অনেক মেয়েরই বিয়ে ঠিকঠাক হবার পর ও রাস্তার কারনে বাড়িঘর ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়েছে। এছাড়া আবার কারো কারো বিয়ে ভেঙ্গে ও গেছে বলে জানায় স্থানীয়রা।

পাল্লা গ্রামের তৃষ্না রানীসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী স্থানীয় পাল্লা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তৃষ্না জানায়, রাস্তার যে অবস্থা হইছে তাতে স্কুলে ও প্রাইভেট পড়তে যেতে মন চায় না। কারন রাস্তা দিয়ে কোন যানবাহনই চলাচল না করায় পায়ে হেটে প্রতিদিনই স্কুল ও প্রাইভেট পড়তে যেতে হয়।মাঝে-মাঝে পড়ালেখা ছেড়ে দিতে মন চায় ।

ওই গ্রামের ওয়াজেদ শেখ বলেন, রাস্তার দেখলে মনে হয় এলাকা ছেড়ে অন্যত্র ঘড়-বাড়ি বানায় । তিনি বলেন, প্রায় ১৫-২০ বার দেখিছি লোকজন এসে রাস্তা মেপে যাচ্ছে।কিন্তু সংষ্কারের কোন কাজ হতে দেখলাম না এ যাবৎ। আমাদের দুঃখ কেউ বুঝল না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শুকুর মিয়া বলেন , রাস্তাটার অবস্থা খারাপ জানি। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসকে কয়েকবার বিষয়টি জানানো হয়েছে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী বিকাশ চন্দ্র নন্দি বলেন, রাস্তাটি সংষ্কারের বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে । অচিরেই সংষ্কারের কাজ শুরু হতে পারে বলে তিনি আরো জানান।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)