আপডেট এপ্রিল ৩০, ২০১৯

ঢাকা মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ , গ্রীষ্মকাল, ১৫ রমযান, ১৪৪০

রংপুর, লিড নিউজ, সড়ক সংবাদ মহাসড়কের ফুটপাতের ওপর বৈদ্যুতিক তার, যেকোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা

মহাসড়কের ফুটপাতের ওপর বৈদ্যুতিক তার, যেকোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা

নিরাপদনিউজ: মহাসড়কের ফুটপাতের ওপর বিদ্যুতের তার পড়ে থাকার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে মানুষের জনজীবন। তারগুলো রয়েছে বিপজ্জনক অবস্থায়। এর ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনাসহ প্রাণহানি ঘটতে পারে।

লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের বাউরা মহাসড়কের পাশে প্রায় ৭ মাস থেকে পড়ে আছে বিদ্যুতের তার। এই বিদ্যুতের সুভিধাভোগী গ্রাহকেরা যে যেভাবে পেরেছে এলোমেলোভাবে বিদ্যুত সংযোগ নিয়েছে। বাঁশের খুটি সড়কের গাছের মাধ্যমে বিদ্যুতের সংযোগ নিয়েছেন তারা। পরবর্তীতে ওই বাশেঁর খুঁটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে খুঁটি না লাগিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এর ফলে পথচারী ও যানবাহন চালকরা সমস্যায় পড়ছে।

প্রায় একহাজার শিক্ষার্থী বাউরার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই মহাসড়কের ফুটপাত দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করে। ঝুঁকি নিয়ে যাতায়ত করছে শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় বাসীন্দা পঞ্চনন রায় জানান, বৈদ্যুতিক তার মাটিতে পড়ে থাকার কারণেএ গত বছর পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বুলু মিয়ার সপ্তম শ্রেণির স্কুলপড়ুয়া ছেলে ভোলা মিয়ার মৃত্যু হয়। সে আমাদের বাউরা ইউনিয়নের বাউরা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালযের ছাত্র ছিল। মহাসড়কে এভাবে বৈদ্যুতিক তার পড়ে থাকলে আর ও যেকোনো মুহূর্তে মানুষসহ যানবাহন বিপদে পড়তে পারে।

গত শনিবার সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের মহাসড়কের বাউরা রফিকুল হাজীর চাতালসংলগ্ন মহাসড়ক থেকে কাঁটালতলা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার ফুটপাতে মাঝে মাঝে পড়ে আছে বৈদ্যুতিক তার। এর ফলে পথচারীর চলাচলে কষ্ট হচ্ছে।

বুড়িমারী স্থলবন্দরের পণ্যবাহী ট্রাকচালক আজিজার রহমান (৫৮) বলেন, মহাসড়কে পাশে বিদ্যুতের তার পড়ে থাকার কারণে আমাদের একটা গাড়ি আরেকটা গাড়িকে সাইড দিতে অসুবিধা হয়। এ কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসীন্দা সিরাজুল ইসলাম লেবু (৪০) ও পথচারী ইউসুফ আলী (৩৬)বলেন, প্রায় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে এখানে বিদ্যুতের তার পরে আছে। এই তার দিয়ে যারা বিদ্যুতের সংযোগ নিয়েছেন তারা এই বিষয়ে কোনো খোঁজ-খবর নিচ্ছেন না। আমরা সাধারন মানুষ কখন যে দুর্ঘটনায় পড়ি কোনো নিশ্চয়তা নেই।

পিডিবির পাটগ্রাম আবাসিক নির্বাহী প্রকৌশলী (বিতরণ) মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান বলেন, আমাদের ওখানে প্রজেক্টের কাজ হচ্ছে পিলার বসানো হচ্ছে, পিলার বসানো শেষ হলে ওই সমস্যার সমাধান হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)