ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২৫ মিনিট ২৭ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ১ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৬ সফর, ১৪৪১

কৃষি, খুলনা মাগুরায় টার্কি মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী মিলন মিয়া

মাগুরায় টার্কি মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী মিলন মিয়া

মাগুরায় টার্কি মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী মিলন মিয়া

মাগুরায় টার্কি মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী মিলন মিয়া

মাহামুদুন নবী, ২৭ নভেম্বর ২০১৬, নিরাপদ নিউজ : মাগুরা মহম্মদপুরের বালিদিয়া গ্রামের মিলন মিয়া টার্কি মুরগি পালন করে এখন স্বাবলম্বী। তিনি উপজেলার বালিদিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমান মোল্যার ছেলে। ২০১৩ সালে ডিগ্রি পাস করার পর মিলন মিয়া চাকরি না পেয়ে টার্কি মুরগির ফার্ম করেন। শুরুতে শখের বসে যশোর থেকে দুই হাজার টাকা দিয়ে টার্কি মুরগির এক মাস বয়সী এক জোড়া বাচ্চা ক্রয় করে আনেন। ৬ মাসের মাথায় ডিম দিতে শুরু করে। এক নাগাড়ে ১২৫ থেকে ১৩০টি ডিম দেয়। প্রথমে ১০টি ডিম দেশি মুরগির কোলে বসালে ৮টি বাচ্চা হয়। শখের সেই দুইটি বাচ্চাই তার ভাগ্য খুলে দেয়। এরপর শ’শ’ ডিম খুলনার একটি হ্যাচারির মাধ্যমে বাচ্চা ফুটিয়ে আনেন মিলন মিয়া। প্রতিজোড়া এক মাসের বাচ্চা বিক্রি করেন দুই হাজার টাকা দরে। বাচ্চা বিক্রির অর্থে একটি আলাদা ঘর তৈরি করে সম্প্রসারণ করেছেন টার্কি মুরগি পালন। এখন তার ফার্মে ৭০ থেকে ৮০টি টার্কি মুরগি রয়েছে। এক মাসের বাচ্চা রয়েছে প্রায় দু’শটি। মিলনের টার্কি ফার্মে গিয়ে দেখাগেছে, বৃহৎ আকৃত্তির একটি মোরগ পাখা মেলে হেটে বেড়াচ্ছে। যেটি যে কারো নজর কাড়বে। মিলন জানায়, মোরগটির ওজন ১৬ কেজি। যার মূল্য নূন্যতম ৫ হাজার টাকা। এরকম ছোটবড় মোরগ-মুরগি রয়েছে ৬০ থেকে ৭০টি। প্রতিমাসে খরচ বাদে তার লাভ থাকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। মিলন মিয়া এ প্রসঙ্গে বলেন, ডিগ্রি পাস করার পর কয়েক বছর চাকরি খুঁজেছি হন্যে হয়ে কিন্তু তা ভাগ্যে জোটেনি। হতাশ হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে শখের বশে যশোর থেকে টার্কির দুইটি বাচ্চা এনে লালন-পালন করতে থাকি। ৬ মাসের মাথায় ডিম পাড়তে শুরু করে। দেশি মুরগির মাধ্যমে বাচ্চা ফুটিয়ে বিস্তার ঘটায়। উপজেলায় বিরল প্রজাতির টার্কির ফার্ম শুধু তারই রয়েছে। ফলে লোকমুখে খবরাখবর শুনে প্রতিদিনই বিভন্ন এলাকা থেকে লোকজন আমার ফার্মে এই মুরগি দেখতে ও ক্রয় করতে আসেন। এখন তিনি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী বলেও জানান।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)