সংবাদ শিরোনাম

১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং

00:00:00 রবিবার, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ , বসন্তকাল, ২রা জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী
জাতীয়, লিড নিউজ মানব দেহের অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

মানব দেহের অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

পোস্ট করেছেন: মোবারক হোসেন | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৭, ২০১৭ , ৬:২৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,লিড নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। – ফাইল ফটো

১৭ জুলাই ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : মানব দেহের অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন ২০১৭’র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। চিকিত্সা বিজ্ঞানের উত্কর্ষের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চিকিত্সা সেবার উন্নয়ন এবং মানব অঙ্গ পাচার বন্ধ ও এর অবৈধ ব্যবসা রোধের লক্ষ্যে খসড়া আইনটি প্রণীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ শামীম সাংবাদিকদের ব্রিফকালে বলেন, সরকার চিকিত্সা বিজ্ঞানের উত্কর্ষের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চিকিত্সা সেবার উন্নয়ন এবং মানব অঙ্গ পাচার বন্ধ ও এর অবৈধ ব্যবসা রোধে আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে কোনো ব্যক্তি অঙ্গদাতা ও গ্রহিতা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে বা এতে কাউকে উত্সাহিত বা প্ররোচিত বা ভীতি প্রদর্শন করলে তার সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বাধিক ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে। এছাড়া এ আইনের অন্যান্য ধারা অমান্যে বা এ ব্যাপারে কাউকে সহায়তার অপরাধে সর্বোচ্চ ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও সর্বাধিক ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে। কোন চিকিত্সক এই আইনে অপরাধী সাব্যস্ত হলে তার বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে এই আইন লংঘিত হলে এর মালিক, পরিচালক ও ম্যানেজার বা অন্য কোনো পদবীধারী যদি প্রমাণ করতে না পারেন যে তাদের জ্ঞাতসারে এ অপরাধ হয়নি এবং তারা এটা রোধে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন, তবে তারাও এই আইনে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সম্পর্কিত ১৯৯৯ সালের বিদ্যমান আইনে এর কোন ধারা লংঘনে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড বা সর্বাধিক ৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। আইনটি কার্যকরভারে যাত্রা শুরু করলে অঙ্গ সংস্থাপনের জন্য কাউকে আর দেশের বাইরে যেতে হবে না।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInEmail this to someone

comments

Bangla Converter | Career | About Us