আপডেট মার্চ ২১, ২০১৬

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৫ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২০ মুহাররম, ১৪৪১

আইন-আদালত, লিড নিউজ মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আরও এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত

মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আরও এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত

মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আরও এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত

মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আরও এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত

ঢাকা, ২১ মার্চ ২০১৬, নিরাপদনিউজ: প্লট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আরও এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। আজ সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মির্জা অব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও নিতাই রায় চৌধুরী। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। এর আগে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত মির্জা আব্বাসকে হাই কোর্টের দেয়া জামিন এক সপ্তাহ স্থগিত করেছিল। সোমবার দুদকের ওই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, হাইকোর্ট মির্জা আব্বাসকে এই মামলায় স্থায়ী জামিন দিয়েছে। জামিন সংক্রান্ত হাইকোর্টের ওই রায় এখনও প্রকাশ পায়নি। রায় প্রকাশ পেলে কী পর্যবেক্ষণ দিয়ে তাকে জামিন দেয়া হয়েছে তা জানা যাবে। এরপর আপিল বিভাগ ওই জামিন আদেশের ওপর দেয়া স্থগিতাদেশের মেয়াদ ১ সপ্তাহ বাড়ানো হয়।
বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ এ মামলায় মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী জামিন দেন। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন জামিন স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একই কথা বলেছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি করে চেম্বার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার গত ১০ মার্চ (বৃহস্পতিবার) শুনানির জন্য এটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এরপর রবিবার নির্ধারিত দিনে এ বিষয়ে শুনানি করে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আব্বাসের জামিন স্থগিতের মেয়াদ এক সপ্তাহ বৃদ্ধি করে। সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দের অভিযোগে শাহবাগ থানায় দুদুকের দায়ের করা এ মামলায় গত ৯ মার্চ বুধবার হাইকোর্ট থেকে জামিন পান বিএনপির এ সিনিয়র নেতা।
দুদকের এ মামলাসহ মোট তিন মামলায় জামিন পাওয়ায় কারামুক্তিতে বাধা ছিল না আব্বাসের। কিন্তু হাই কোর্টের দেয়া স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করায় তার কারামুক্তি আটকে যায়। এর আগে বিচারিক আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাই কোর্টে আবেদন করেন, সে আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৯ মার্চ বুধবার তাকে জামিন দেন।
বর্তমানে বিএনপির এ নেতা বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন বলেছেন, মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্লট বরাদ্দের বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই মামলায় জামিন চাইতে গিয়ে গত ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আব্বাস। শুনানি করে বিচারক তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জামিন আবেদন করেন আব্বাস।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)