ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জুন ১২, ২০১৯

ঢাকা রবিবার, ৭ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২২ মুহাররম, ১৪৪১

অপরাধ, বিনোদন মিলার সাবেক স্বামীর গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে সহকারির এসিড নিক্ষেপ!

মিলার সাবেক স্বামীর গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে সহকারির এসিড নিক্ষেপ!

নিরাপদ নিউজ: জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মিলার সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারীর গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে এসিড ছুঁড়েছে মিলার সহকারি এমন অভিযোগ করেছে সানজারীর ভাই এডভোকেট আলামিন খান। নাটকীয় কায়দায় এই এসিড ছোঁড়ার নাটক তৈরি করে মিলার সহকারি। সানজারীর ভাই ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন এভাবে- সানজারীকে দেখে মিলার সহকারি হঠাৎ চিৎকার করে বলতে থাকে ‘আমাকে বাঁচান। মিলা আমাকে মেরে ফেলবে।’ এসময় সানজারী বাইকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। একথা শুনে সে বাইক থামানো মাত্র মিলার সহকারি কিম এসিড নিক্ষেপ করে। লক্ষ্য ছিল সানজারীর বিশেষ অঙ্গ। যাতে করে সারা জীবনের জন্য সে বিকলাঙ্গ হয়ে যায়। কিন্তু পড়ে শরীরে। এসিড পড়তেই চিৎকার করতে করতে সানজারী রাস্তার পাশে এক বাড়িতে গিয়ে তাদের সহযোগিতা নিয়ে পানি ঢালতে থাকে গায়ে। বলা হচ্ছে তার শরীর যতটা পুড়েছে, সঙ্গে সঙ্গে পানি ঢালা না হলে আরও অনেক অংশ পুড়ে যেত। এজন্য মিলা ও তার সহকারী ‘কিম জন পিটার হালদার ওরফে পিটার কিমের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে তারা। এ লক্ষ্যে মানববন্ধনও করেছে তারা।
সানজারীর ভাই আলামিন খান আরও বলেন, কিমের এসিড ছোঁড়ার সময় সেই রাস্তার অদূরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মিলা। তাকে দেখেই দুর্ঘটনা আন্দাজ করতে পারেন ভাইয়া (সানজারী)। ততক্ষণে এসিড মারা হয়ে গেছে। এটা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। হাত, পেট ও শরীরের আরও বেশ কিছু অংশ এসিডে ঝলসে গেছে তার। মাথায় হেলমেট পরা অবস্থায় ছিলেন বলে তার মুখে এসিড মারা সম্ভব হয়নি। মামলা হওয়ার পরও মিলা ও তার সহকারি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
উল্লেখ্য গত ২ জুন সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলযোগে যাওয়ার সময় পথে এই হামলার শিকার হন সানজারি। গত ২ জুন থেকে ৯ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ৬০২ নাম্বার কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিল। এ ঘটনায় ৪ জুন এসিড দমন আইনে গায়িকা মিলার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন পারভেজ সানজারির বাবা এস এম নাসির উদ্দিন। উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি (নম্বর-৫) দায়ের করা হয়। সেই মামলার এজাহারে মিলা এবং তার সহকারী পিটার কিমকে অভিযুক্ত করা হয়। এর আগেও গত ২১ এপ্রিল আদালতে মিলার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন পারভেজ সানজারি।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)