ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ডিসেম্বর ৪, ২০১৪

ঢাকা সোমবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৬ , বর্ষাকাল, ২১ শাওয়াল, ১৪৪০

আইন-আদালত মুসা বিন শমসেরকে দুদকের তলব

মুসা বিন শমসেরকে দুদকের তলব

musa

ঢাকা, ডিসেম্বর ০৪ ২০১৪, নিরাপদনিউজ : আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং ডিফেন্স এ্যাডভান্সমেন্ট এন্ড ট্রেডিং (ড্যাটকো) চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসের এবং অপর এক ব্যবসায়ী এএম শহিদুল্লাহকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

বৃহস্পতিবার দুদকের সিনিয়র উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী তাদের ওই তলবি নোটিশ পাঠিয়েছেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

 

নোটিশে আগামী ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ড. মুসা বিন শমসেরকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিশে আগামী ১১ নভেম্বর সকাল ১০ টায় মের্সাস ডাইনস্টেকি বিজনেজ হাউসের মালকি ও দৈনিক পথযাত্রার মালিক কেএম শহদিুল্লাহকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো ৮/১০ জনকে তলব করার সিদ্ধান্ত রয়েছে দুদকের।

 

দুদক সূত্রে জানা যায়, বিদেশে সুইস ব্যাংকে ড. মুসা বিন শমসেরের আটকা পড়ে থাকা ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশী ৫১ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনা এবং বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়ে তাকে জিজ্ঞসাবাদের জন্য তলবি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

 

আর মের্সাস ডাইনস্টেকি বিজনেজ হাউসের মালকি কেএম শহদিুল্লাহর এ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমান অর্থ লেনদেনে মুসা বিন শমসেরের সম্পর্ক রয়েছে।এ কারণে তাকে সাক্ষি হিসেবে দুদক আগামী ১১ নভেম্বর তলব করেছে।

 

জানা যায়, বর্তমানে ড. মুসা বিন শমসেরের ৭ বিলিয়ন ডলারের একাউন্ট ফ্রিজ রয়েছে সুইস ব্যাংকে। অনিয়মিত লেনদেনের অভিযোগে ওই হিসাব জব্দ করে সুইস কর্তৃপক্ষ। মুসা বিন শমসের একটি কলম বানিয়েছেন ৭ হাজার ২৫০টি ছোট ছোট হীরা দিয়ে । এ কলম দিয়েই মুসা সব গুরুত্বপূর্ণ দলিল দস্তাবেজ, চুক্তি ইত্যাদি স্বাক্ষর করে থাকে। তার হীরক খচিত জুতো রয়েছে অসংখ্য ।

 

১৯৯৭ সালে ড. মুসা বিন শমসের তার ইউরোপিয়ান সদর দপ্তর হিসেবে একবার আয়ারল্যান্ডের কালকিনি দুর্গ কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সফল হননি। মুসা বর্তমানে বাস করছেন গুলশানে অবস্থিত তার প্রাসাদোপম বাড়িতে। এ বাড়িতে প্রায় প্রতিদিনই পার্টি থাকে। সেখানে সবসময় তার দেশি বিদেশি হাইপ্রোফাইল মেহমান উপস্থিত থাকেন।

 

ড. মুসা ১৯৯৪ সালে সর্বপ্রথম তার বন্ধু ব্রিটেনের বিরোধীদলীয় নেতা (পরে প্রধানমন্ত্রী) টনিব্লেয়ারের নির্বাচনী ফান্ডে ৫০ লাখ পাউন্ড অনুদান দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বিশ্ব দরবারে আলোচনায় উঠে আসেন। একজন বিদেশী নাগরিক হওয়ায় টনিব্লেয়ার অবশ্য সে অনুদান গ্রহণ করেননি। তার পরে নানা কর্মকান্ডের মাধ্যমে এ ব্যবসায়ী মাঝে মধ্যেই বিশ্ব মিডিয়ার আলোচনায় স্থান পান।-সূত্র : ঢাকাপ্রতিদিনডটকম

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)