ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জুলাই ১০, ২০১৯

ঢাকা শুক্রবার, ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৫ রবিউস-সানি, ১৪৪১

বহির্বিশ্ব যুক্তরাজ্যের প্রতি ট্রাম্প অশ্রদ্ধা দেখিয়েছেন: হান্ট

যুক্তরাজ্যের প্রতি ট্রাম্প অশ্রদ্ধা দেখিয়েছেন: হান্ট

নিরাপদ নিউজ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্য ও এর প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মেন্ডের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত কিম ডেরকের ইমেইল ফাঁসকান্ডে ট্রাম্প ওই রাষ্ট্রদূতকে ‘বিরাট বেকুব’ বলার পর ক্ষমতাসীন টোরি দলের নেতৃত্বপ্রত্যাশী হান্ট এ প্রতিক্রিয়া দেখান বলে বিবিসি জানিয়েছে।

রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের অনলাইনে ফাঁস হওয়া ওই ইমেইলগুলোতে ডেরক মার্কিন প্রশাসনকে ‘বেখাপ্পা ও অকর্মা’ অ্যাখ্যা দিয়েছিলেন।

ইমেইল ফাঁসের ঘটনাকে ‘দূর্ভাগ্যজনক’ অবিহিত করে যুক্তরাজ্য এ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়।

ডেরকের পাশাপাশি ব্রেক্সিট বিষয়ক ব্যর্থতায় টেরিজা মেন্ডেরও সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার উপদেশ অগ্রাহ্য করে ‘নিজের বোকামির পথ’ ধরেই অগ্রসর হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ট্রাম্প ডেরকের সঙ্গে ‘আর কোনো কাজ করবেন না’ বলে ঘোষণা দিলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট রাষ্ট্রদূতের প্রতি মেন্ডের ‘পুরো সমর্থন’ আছে বলে জানায়।

দুই দেশের এই চাপান-উতোরের মধ্যে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী লিয়াম ফক্সের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের একটি বৈঠকও বাতিল হয়েছে।

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে টুইটারে ট্রাম্পের একের পর এক মন্তব্যের পর টুইটারেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখান হান্ট।

“বন্ধুরা খোলামেলা কথা বলে, তাই আমিও বলছি- (ট্রাম্পের) এসব মন্তব্য ভুল এবং আমার দেশ ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশ্রদ্ধার শামিল,” বলেছেন তিনি।

টোরি দলের নেতৃত্বের দৌঁড়ে সাংসদদের ভোটে শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী বরিস জনসনের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছেন হান্ট; তবে তার ধারণা, দলের নিবন্ধিত সদস্যদের ভোটে উৎরে যাবেন তিনি।

হান্ট বলেছেন, তিনি কনজারভেটিভ দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে ডেরককে খ্রিস্টীয় বড়দিন পর্যন্ত স্বপদে বহাল রাখবেন। ওই সময়ই ডেরকের অবসর নেওয়ার কথা।

হান্ট এমনটা বললেও টেলিভিশন বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা জনসন অবশ্য ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ নিয়ে করা প্রশ্ন কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।

দায়িত্ব না নিয়ে আগে থেকে ধারণার বশবর্তী হয়ে কিছু বলা সমীচিন হবে না, বলেছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্ক আছে জানিয়ে সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ বজায় রাখার ওপরও জোর দিয়েছেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)