আপডেট ৩৭ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ , গ্রীষ্মকাল, ১০ রমযান, ১৪৩৯

স্বাস্থ্য কথা যে ৫টি কাজ করা উচিৎ নয় মৃগী রোগীদের খিঁচুনির সময়

যে ৫টি কাজ করা উচিৎ নয় মৃগী রোগীদের খিঁচুনির সময়

যে ৫টি কাজ করা উচিৎ নয় মৃগী রোগীদের খিঁচুনির সময়

নিরাপদ নিউজ : যখন কোন মৃগী রোগীর খিঁচুনি শুরু হয় তখন কী করতে হবে সেটা অধিকাংশ মানুষই জানেন। মৃগীরোগীদের খিঁচুনির সময় যে কাজগুলো করা উচিৎ নয় সে বিষয়টি কী আপনি জানেন? আজকের ফিচারে আমরা সে বিষয়গুলোই জানবো যা মৃগীরোগীদের খিঁচুনি ওঠার সময় করতে হয় না।

১। ব্যক্তির নড়াচড়ায় বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করবেন না

মৃগীরোগীর খিঁচুনি ওঠার পর তাকে আঘাত পাওয়া বা পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য আস্তে করে শুইয়ে দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু তাকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখা বা নড়াচড়ায় বাঁধা দেয়া ঠিক নয়। তাই তাকে এমনভাবে ধরুন যাতে সে ব্যথা না পায়।

 

২। তার মুখে কোন কিছু প্রবেশ করাবেন না

বেশীরভাগ মানুষই মৃগীরোগে আক্রান্ত মানুষের হাতে চাবি গুজে দেন বা পেঁয়াজের ঘ্রাণ নিতে দেন যাতে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু কখনোই তার মুখের ভেতরে কোন কিছু প্রবেশ করানোর চেষ্টা করবেন না যা তার ক্ষতির কারণ হতে পারে।

 

৩। বিপদজনক অবস্থায় না থাকলে তাকে নাড়ানোর চেষ্টা করবেন না

আমাদের মাঝে আক্রান্ত মানুষটিকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু সে যদি কোন আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিতে না থাকে তাহলে এটা করা উচিৎ নয়। তাছাড়া খিঁচুনি বন্ধ হয়ে গেলে আপনি তাকে এক পাশে ফিরিয়ে দিতে পারেন, তবে প্রয়োজন না হলে এটাও করা ঠিক নয়।

 

৪। পুরোপুরি সেরে না ওঠা পর্যন্ত তাকে কোন কিছু খেতে বা পান করতে দেবেন না

আমরা মনে করি যে, কোন কিছু খাওয়া বা পান করার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্থিতিশীল হতে সাহায্য করবে। যখন কেউ অজ্ঞান হয়ে যায় তখন এটা করা ভালো, তবে খিঁচুনিতে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য এটি ভালো নয়। তাই তার খিঁচুনি থেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

 

৫। তার চেতনা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেবেন না

কিছু ক্ষেত্রে খিঁচুনি ৫ মিনিটের বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। আবার অন্যদের ক্ষেত্রে একবার খিঁচুনি হওয়ার পর পুনরায় খিঁচুনি শুরু হয় তার সচেতন অবস্থায় আসার পূর্বেই। তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে সচেতন অবস্থায় আসার জন্য সময় দিন জোর না করে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)