সংবাদ শিরোনাম

২৪শে জুন, ২০১৭ ইং

00:00:00 শনিবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ , বর্ষাকাল, ১লা শাওয়াল, ১৪৩৮ হিজরী
নারী ও শিশু সংবাদ যৌতুকের জন্য ছাত্রী খুনের অভিযোগ!

যৌতুকের জন্য ছাত্রী খুনের অভিযোগ!

পোস্ট করেছেন: Nsc Sohag | প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ১৯, ২০১৭ , ১২:১৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: নারী ও শিশু সংবাদ

যৌতুকের জন্য ছাত্রী খুনের অভিযোগ!

১৯ এপ্রিল, ২০১৭, নিরাপদনিউজ : রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একজন ছাত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম স্বর্ণা আক্তার। তিনি উত্তরার এশিয়ান ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গতকাল পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, গত ১১ই এপ্রিল স্বর্ণার স্বামী নাজমুল হোসেন বিদ্যুৎ তাকে ধাক্কা দিয়ে ছাদ থেকে ফেলে দিলে গুরুতর আহত হন। এরপর গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বর্ণা। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়েছে। পুলিশ নাজমুলকে আটক করেছে। স্বর্ণা তার স্বামী নাজমুলের সঙ্গে যাত্রাবাড়ী থানার মাতুয়াইল এলাকার আবদুর রহমানের বাড়ির ৫ম তলায় ভাড়া থাকতেন।
স্বর্ণার বড় ভাই আল আমিন জানান, ৮ মাস আগে নাজমুলের সঙ্গে তার বোন স্বর্ণার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য প্রায়ই তার স্বামী নির্যাতন করতো। এমনকি শাশুড়ি সাহারা খাতুন তার ছেলে ও স্বর্ণাকে ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজা আটকে দিতেন। আর ভেতরে স্বর্ণার ওপর চলতো স্বামীর বেদম মারধর। এ ঘটনা প্রায়ই ঘটতো। আল আমিন জানান, নাজমুল তার পিতা-মাতার একমাত্র ছেলে। কিন্তু তার শাশুড়ি খুব লোভী ছিল। তিনি মোটা অঙ্কের টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার দাবি করতেন।

ওই দাবি মেটাতে না পারায় তারা নির্যাতন করতো। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ই এপ্রিল বিকালে স্বর্ণা বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে গেলে পেছন দিকে থেকে তার স্বামী ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন উন্নত চিকিৎসার জন্য পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানে গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। স্বর্ণার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি থানায়। অন্যদিকে ঘাতক নাজমুল হোসেন বিদ্যুতের বাড়ি একই জেলার গোপালপুর থানার বন্ধ হাদিরা গ্রামে।

এদিকে স্বর্ণাকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়ার দিন রাতেই তার মা যাত্রাবাড়ী থানায় একটি যৌতুকের মামলা  করেন। ওইদিন রাতেই পুলিশ নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে। নাজমুল ডিপ্লোমা পড়তো। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায়ও সে অংশগ্রহণ করে। ২ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে স্বর্ণা দ্বিতীয় ছিলেন।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn1Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us