ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৪২ মিনিট ৫১ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ৯ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , গ্রীষ্মকাল, ৭ই শাবান, ১৪৩৯ হিজরী

খুলনা, পরিবেশ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যু-দখলদারদের লোলুপ দৃষ্টিতে অস্তিত্ব সংকটে খুলনার নদ-নদী

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যু-দখলদারদের লোলুপ দৃষ্টিতে অস্তিত্ব সংকটে খুলনার নদ-নদী

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যু-দখলদারদের লোলুপ দৃষ্টিতে অস্তিত্ব সংকটে খুলনার নদ-নদী

নিরাপদ নিউজ:  আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপা) এবং কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ(সিডিপি) খুলনার যৌথ উদ্যোগে সেমিনার আজ বিকাল ৫টায় নগরীর সিডিপি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বাপা খুলনা’র সমন্বয়কারী এ্যাড. মো: বাবুল হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সিডিপি’র খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী এসএম ইকবাল হোসেন বিপ্লব এর সঞ্চলানায় সেমিনারের শুরুতে কি-নোট পেপার উপস্থাপন করা হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন- বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন আন্দোলনের চেয়ারম্যান শেখ মো: নাসিরউদ্দিন, প্রশিকার আঞ্চলিক কর্মকর্তা বাকের আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা,সন্তান ও প্রজন্ম কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ হোসাইন মো: ইউছা ওয়ায়েজ আররাফী নাজু, খুলনা জেলা নিসচা’র সহ-সভাপতি মো: সেলিম খান, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আফজাল হোসেন রাজু, নারীনেত্রী শিরিনা বেগম,যুব ইউনিয়নের খুলনা জেলা সা: সম্পাদক এ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী, খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহাত বিন শহীদ, মো: রফিকুল ইসলাম সাব্বির,উপকূল বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম, পিআরভি’র সা: সম্পাদক এম মোস্তফা কামাল, সিডিপি’র এসএমএ রহিম, ইন্দিরা ভট্টাচার্য্য, মো: শামীম উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।  সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি নদী মাতৃক দেশ। নদী আমাদের ভূমি, পানি, প্রকৃতি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অনস্বীকার্য ভূমিকা পালন করে। নদী আমাদেরকে মায়ের মতই লালন পালন করে থাকে। আমাদের সার্বিক প্রতিবেশ-পরিবেশ- নান্দনিক সৌন্দর্য্য -ব্যবসা বাণিজ্য- পরিবহন -সাহিত্য- সাংস্কৃতি সব কিছুরই মূল প্রেরণার উৎস। কিন্তু দু:খজনকভাবে সব সরকারের আমলেই রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যু-দখলদারদের লোলুপ দৃষ্টিতে অস্তিত্ব সংকটে এ অঞ্চলের নদ-নদী। ইতিপূর্বে দেশের সর্বোচ্চ আদালত নদী রক্ষা কল্পে সি এস ম্যাপ অনুযায়ী নদীর সীমানা নির্ধারনের যুগন্তকারী রায় প্রদান করলেও নির্বাহী বিভাগ এ বিষয়ে খুলনায় কোন আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। বর্তমান সরকার নদী রক্ষায় টাস্কফোর্স ও নদী রক্ষা কমিশন গঠন করলেও তাদের কার্যকলাপ ঠুঁটো জগন্নাতের ন্যায় পরীলক্ষিত হচ্ছে। এ বিষয়ে এ যাবৎ তারা কোন সফলতা দেখাতে পারেনি। বক্তারা আরো বলেন, নদী দখল দূষন অবারিত। নদী দখলদারদের প্রতিরোধ, পানি উন্নয়ন বোর্ড-স্থানীয় সরকার – সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভুল ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ না করলে অবশিষ্ট নদীগুলো রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে বক্তারা সরকারের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, সচেতন ব্যক্তিবর্গকে সোচ্ছার হওয়ারও আহবান জানান।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)