ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ডিসেম্বর ২৯, ২০১৪

ঢাকা শুক্রবার, ৪ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৯ সফর, ১৪৪১

অপরাধ, শিক্ষানগরী সংবাদ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

n churi.jpg 2
রাজশাহী, ডিসেম্বর ২৯ ২০১৪, নিরাপদনিউজ : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২২নং ওয়ার্ড থেকে সোমবার দুপুর আড়াইটায় এক নবজাতক চুরি হয়েছে। চুরির আধাঘণ্টা আগে ওই নবজাতকের জন্ম হয়। ওয়ার্ডে নেয়ার পরই নবজাতকটি চুরির ঘটনায় রামেক হাসপাতাল জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভার সুরসুনি পাড়ার তরিকুল ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম প্রসব বেদনা নিয়ে গত রবিবার রামেক হাসপাতালের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সোমবার দুপুর পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রসবের জন্য অপেক্ষার পর চিকিৎসকরা তার সিজার অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। এর আধাঘণ্টা পরই ওই নবজাতক মেয়ে শিশুটি সেবিকার মাধ্যমে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন প্রসূতি রুবিনার নানা মোজাফ্ফর ও নানী রহিমা বেগম। ওয়ার্ডে শিশুটিকে নিয়ে আসার পরে সেবিকার হাত থেকে তারা বুঝে নেন। এরপরে ওই ওয়ার্ড থেকেই অপরিচিত চল্লিশোর্ধ এক নারী নবজাতকটিকে কৌশলে চুরি করে নিয়ে যায়।
মোজাফ্ফর জানান, ওই নারী নবজাতককে কোলে নিয়ে আদর করছিলেন। ওই সময় তিনি ও তার স্ত্রী বাচ্চার শোবার বিছানাপত্র প্রস্তুত করছিলেন। এই ফাঁকে বাচ্চা নিয়ে ওই নারী নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। আশেপাশে অনেক খোঁজাখুজির পর তার সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি তারা কর্তব্যরত সেবিকাদের জানান। পরে ঘটনাটি রামেক হাসপাতাল বক্স পুলিশকে জানানো হয়। তিনি আরো জানান, মেয়ে রুবিনা অপারেশন থিয়েটারের পোস্ট অপারেটিভ রুমে রয়েছে। তার এখনো জ্ঞান ফেরেনি। জ্ঞান ফেরার পর মেয়েকে কি জবাব দেবেন তারা। এ ঘটনায় রুবিনার স্বামী তরিকুল ইসলাম জানান, অপারেশনের পর তিনি স্ত্রীর কাছে ছিলেন। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে কান্নাকাটির শব্দ শুনে তিনি সেখানে ছুটে গিয়ে তার নবজাতক চুরির বিষয়টি জানতে পারেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রামেক হাসপাতাল বক্স পুলিশের ইনচার্জ (এসআই) রতন কুমার সরকার জানান, এ ঘটনার পর রামেক হাসপাতালে প্রবেশের সকল গেইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এখন হাসপাতালজুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এদিকে, নবজাতক চুরির খবর পেয়ে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ছুটে যান রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন। পরিচালক সাংবাদিকদের জানান, তারা জড়িত ওই নারীকে আটক এবং নবজাতক উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।-সংগৃহীত

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)