আপডেট জুন ১১, ২০১৮

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪১

ফুটবল, লিড নিউজ রাশিয়ার ডিফেন্ডারের হুমকি: সুয়ারেজ কামড়ালে আমিও কামড়াব!

রাশিয়ার ডিফেন্ডারের হুমকি: সুয়ারেজ কামড়ালে আমিও কামড়াব!

নিরাপদনিউজ: বিশ্বকাপ নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে যেমন চাপা উত্তেজনা, তেমনই আগ্রহ সমর্থকদের মধ্যেও। ইতিমধ্যেই রাশিয়ার মিউজিয়ামে পেলে-ম্যারাডোনার মূর্তির সঙ্গে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। হাতে মাত্র আর তিনটে দিন। তারপরই মহারণ। তার আগে উত্তেজনার আঁচে গা সেঁকে নিচ্ছেন সকলেই। অন্যদিকে, খেলোয়াড়রাও তৈরি হচ্ছে কাকে, কে, কিভাবে সামলাবেন।

এরইমধ্যে লুইস সুয়ারেজকে একপ্রকার হুমকি দিয়ে রাখলেন রাশিয়ার ডিফেন্ডার ইলয়া কুতেপভ। তিনি জানিয়েছেন, চোখের বদলে চোখ, হাতের বদলে হাত এবং কামড়ের বদলে কামড় দিবো।

ব্রাজিল বিশ্বকাপে ইতালির বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল উরুগুয়ের। ডিফেন্ডার কিয়েলিনির ঘাড়ে কামড় বসিয়েছিলেন সুয়ারেজ। যা নিয়ে হইচই পড়ে যায় গোটা বিশ্বে। পরে চার ম্যাচ নির্বাসিত হন সুয়ারেজ। এরপর অবশ্য ক্ষমা চেয়ে নেন। এমন ঘটনা সেবারই প্রথম হয়েছিল তা নয়। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের হাতে, কাঁধে সুয়ারেজের এই কামড়ে দেওয়ার ঘটনা আগেও হয়েছে। আয়াখসে যখন খেলতেন তখন করেছেন। লিভারপুলে আসার পর চেলসির সাইডব্যাক ইভানোভিচকেও কামড়েছেন। তারপর বিশ্বকাপ। এবার হলে কী হবে? তবে এবার রাশিয়ার ডিফেন্ডার কুতেপভ তৈরি।

বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে আয়োজক রাশিয়া ও উরুগুয়ে। বাকি দুই দল সৌদি আরব ও মিশর। গ্রুপের শেষ ম্যাচে লুঝনিকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে রাশিয়া ও উরুগুয়ে। তা কুতেপভকে খুব সাধারণ একটা প্রশ্ন করা হয়েছিল। উরুগুয়ের তারকা সামলাতে তিনি তৈরি কিনা?

রাশিয়ান ডিফেন্ডারের জবাব, কেন ভয় পেতে যাব ওকে। সুয়ারেজকে আটকানোই তো আমার কাজ। আর অন্য আর একটা কারণ রয়েছে। অনেকে ভাবছেন, আমার সঙ্গে না পারলে ও হয়তো আবার কামড়ে দিতে পারে। তাহলে এটাই বলব, পাল্টার জন্য তৈরি থাকুক সুয়ারেজ। আমিও ওকে কামড়ে দেব।

সৌদি আরব আগের দিন প্রস্তুতি ম্যাচে জার্মানিকে প্রায় আটকে দিয়েছিল। বিশ্বকাপের আগে তারা তৈরি, এটা প্রমাণ হয়েছে। রয়েছে মিশর। যেখানে মোহাম্মদ সালাহ ফিট হয়ে উঠছেন।

সুয়ারেজের পর যাকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাশিয়ান ডিফেন্ডার বলে দিলেন, সব দলেই তারকা ফুটবলার থাকবে। কেউ স্ট্রাইকার, কেউ ডিফেন্ডার। সালাহর ব্যাপারটাকে আমি সুয়ারেজের মতোই দেখছি। ওকে নিয়ে একটুও ভাবছি না।

এখানে শেষ হলে ব্যাপারটা এক রকম হত। কুতেপভ এরপর যোগ করলেন, ওকে থামানোর উপায় আমার জানা আছে। আর না পারলে র‌্যামোসের মতো কিছু করতে হবে। সালাহকে থামানোর একটা উপায় ও আমাদের দেখিয়েছে। আরও অনেক কিছু আমরা নিজেরা ঠিক করেছি। সালাহ চোট পাওয়ায় আমি দুঃখ পাইনি। তবে চাইব বিশ্বকাপের আগে ও ফিট হয়ে যাক। কারণ সেরাদের বিরুদ্ধে খেললেই নিজের খেলার উন্নতি সম্ভব।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)