ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৫ মিনিট ২৪ সেকেন্ড

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৭ সফর, ১৪৪১

সম্পাদকীয় রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে সুশাসনের অভাব রয়েছে

রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে সুশাসনের অভাব রয়েছে

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের বাড়তি সংখ্যা এবং পরপর দুটি বড় অংকের অর্থ চুরি (সোনালী ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক) ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ব্যাংক পরিচালনায় সুশাসনের অভাব রয়েছে। এসব কারণে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে সরকার চিন্তিত। বর্তমানে বাজেট থেকে বরাদ্দ দিতে হচ্ছে মূলধন কমে যাওয়ার কারণে। ব্যাংকিং খাতে অনেক উন্নতি হয়েছে যেটা বেসরকারি বিনিয়োগকে ভালো সহায়তা করেছে। তবে এখন কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি ব্যাংকের সুপারভিশন কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছে। ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় দ্বৈততা রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সব ব্যাংক দেখভালের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নিরংকুশ ক্ষমতা দেওয়া উচিত। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যাংকিং নিয়মাচার ব্যতীত কোন ঋণ অনুমোদন দেওয়া ঠিক হবে না। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও দীর্ঘ মেয়াদে চিন্তা ভাবনার সময় এসেছে। সরকারের ট্রেজারি কার্য সম্পাদনে সর্বোচ্চ একটি ব্যাংক রেখে অন্যগুলো বেসরকারি খাতে দেওয়ার উপযোগ্যতা যাচাই করা যেতে পারে। এ পর্যন্ত জিডিপির ২৬ শতাংশ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি পর্যায়ে হয়েছে ২০ শতাংশ আর বাকিটা সরকারি বিনিয়োগ। তবে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়ানো দরকার। কিন্তু কীভাবে বাড়ানো যায় সেটা নিয়ে বিশদ পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগ বাড়াতে অগ্রাধিকারমূলক কিছু খাত উন্নত করতে হবে। তার মধ্যে রয়েছে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন। পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। গত পাঁচ বছরে বেশ কিছু কাজ হয়েছে, তবে কাংখিত বিনিয়োগের জন্য আরও জোর দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে সুশাসনের অভাব রয়েছে
রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের বাড়তি সংখ্যা এবং পরপর দুটি বড় অংকের অর্থ চুরি (সোনালী ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক) ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ব্যাংক পরিচালনায় সুশাসনের অভাব রয়েছে। এসব কারণে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে সরকার চিন্তিত। বর্তমানে বাজেট থেকে বরাদ্দ দিতে হচ্ছে মূলধন কমে যাওয়ার কারণে। ব্যাংকিং খাতে অনেক উন্নতি হয়েছে যেটা বেসরকারি বিনিয়োগকে ভালো সহায়তা করেছে। তবে এখন কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি ব্যাংকের সুপারভিশন কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছে। ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় দ্বৈততা রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সব ব্যাংক দেখভালের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নিরংকুশ ক্ষমতা দেওয়া উচিত। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যাংকিং নিয়মাচার ব্যতীত কোন ঋণ অনুমোদন দেওয়া ঠিক হবে না। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও দীর্ঘ মেয়াদে চিন্তা ভাবনার সময় এসেছে। সরকারের ট্রেজারি কার্য সম্পাদনে সর্বোচ্চ একটি ব্যাংক রেখে অন্যগুলো বেসরকারি খাতে দেওয়ার উপযোগ্যতা যাচাই করা যেতে পারে। এ পর্যন্ত জিডিপির ২৬ শতাংশ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি পর্যায়ে হয়েছে ২০ শতাংশ আর বাকিটা সরকারি বিনিয়োগ। তবে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়ানো দরকার। কিন্তু কীভাবে বাড়ানো যায় সেটা নিয়ে বিশদ পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগ বাড়াতে অগ্রাধিকারমূলক কিছু খাত উন্নত করতে হবে। তার মধ্যে রয়েছে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন। পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। গত পাঁচ বছরে বেশ কিছু কাজ হয়েছে, তবে কাংখিত বিনিয়োগের জন্য আরও জোর দিতে হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)