আপডেট ৩২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ পৌষ, ১৪২৫ , শীতকাল, ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪০

কৃষি, রংপুর লালমনিরহাটে একই জমিতে পেঁপে ও পেয়ারা চাষ

লালমনিরহাটে একই জমিতে পেঁপে ও পেয়ারা চাষ

আজিজুল ইসলাম বারী,নিরাপদ নিউজ : পাল্টে যাচ্ছে কৃষি নির্ভর লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা। পরিবর্তন এসেছে মানুষের জীবনমানে।কৃষি কাজে বিপ্লব ঘটিয়ে এ উপজেলার প্রান্তিক চাষীরা স্বাবলম্বী হয়ে ওঠছেন। জমিতে নানা রকম ফসল উৎপাদন করে নিজের চাহিদা মিটিয়েও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী করে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠছেন।
একই জমিতে পেঁপে ও পেয়ারা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার চাষীরা। অল্প  খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় এখানকার চাষীরা ঝুকেছে পেঁপে ও পেয়ারা চাষে। পাল্টে যাচ্ছে এক সময়ের অভাবী কর্মহীন মানুষের জীবন চিত্র। অন্যান্য ফসল আবাদ না হওয়ায় অধিক লাভের আশায় তারা এখন একই জমিতে পেঁপে ও পেয়ারা চাষ করেছেন । সাফল্যও মিলছে বেশ। বিঘা প্রতি ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ করে পঞ্চাশ থেকে ষাঁট হাজার টাকা বিক্রি করছেন তাদের উৎপাদিত পণ্য।
জেএএস এগ্রোর পরিচালক সাহেদুজ্জামান কোয়েল বলেন, আমি ৫ একর জমিতে পেঁপে ও পেয়ারা চাষ করে এর্পযন্ত বিঘা প্রতি লক্ষাধিক টাকা ঘরে তুলেছি। তেমনি তার ওই খামারে প্রতিদিন দশ থেকে বারজন শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। পাশাপাশি তাকে দেখে অনুপ্রানিত হয়ে একই এলাকার আ: হামিদ প্রায়  ২ একর জমিতে একই পদ্ধতিতে চাষ করেন।
সম্পূর্ণ জৈব সার ব্যবহার করে চাষকৃত আর বিষাক্ত রাসায়নিক মুক্ত এ সকল পণ্যের বাজারে চাহিদাও রয়েছে বেশ।উৎপাদন ভালো হওয়ায় চাষীরাও লাভবান হচ্ছে। সহজ শর্তে কৃষি ঋণ আর কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগীতা পেলে প্রান্তিক চাষীরা আরো স্বাবলম্বী হয়ে ওঠবে  এমনটিই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা কৃষকদের সবসময় পরার্মশ দিচ্ছি এবং কৃষকদের অনুপ্রানিত করছি।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)