আপডেট ২৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১০ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২৩ জিলহজ্জ, ১৪৪০

ব্যবসা-বাণিজ্য শহর ফাঁকা কিন্তু ক্রেতাদের ঢল শপিংমলে

শহর ফাঁকা কিন্তু ক্রেতাদের ঢল শপিংমলে

তাপসী রাবেয়া,নিরাপদ নিউজ: আর একদিন পরেই ঈদ, এখনও শেষ হয়নি নগরবাসীর কেনাকাটা। রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে গিয়ে দেখা যায় পান্থপথ মোড় থেকেই গাড়ির ভীড়। ওভারব্রিজ ঘুরে শপিং সেন্টারে আসতেই লাইন ধরা লাগছে ক্রেতাদের। বেজমেন্টের মোস্তফা মার্ট থেকে শুরু করে সাত তলার দেশী দশ পর্যন্ত এখনও গাদাগাদি করে চলছে কেনাকাটা। মোস্তাফা মার্টের এক বিক্রয়কর্মী বলেন, আমরা অপেক্ষায় আছি শেষ রোজার। পুরো মাসেই কাজ করেছেন কর্মীরা।

তবে ২০ রোজা পর্যন্ত যতটা না বিক্রি হয়েছে শেষে এই দশদিন বিক্রি ভালো হয়ছে। আর গতকাল ও আজ ভালো ক্রেতা ছিল বলে দাবি তাদের। গ্রাউন্ড ফ্লোরের স্মার্টেক্সেও বেশ ভীড়। বাচ্চাদের শোরুম গুলোতেও বেশ ভীড়। এনটিভির সিনিয়র সাংবাদিক শফিক শাহিন এসেছেন পরিবারের সদস্যদের পোষাক কিনতে। তিনি বলেন, সারামাস কাজের ব্যস্ততায় কেনাকাটা সম্ভব হয়নি। আজ না কিনলেই না। পাশ থেকে আরেক ক্রেতা বলেন, ভেবেছিলাম শেষ দিনে ঢাকা ফাঁকা থাকবে। নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করা যাবে। কিন্তু ভীড় কমেনি।আলমাসে ঢোকাই যাচ্ছিল না।

 

ক্রেতারা শ্যাম্পু, কাজল, লিপিস্টিক, চকলেট, চিজ, প্যাকেটজাত খাবার,কানের দুল, জুতাসহ আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র কিনছিলো। নিচতলার খোলা জুতার দোকানে নারী ক্রেতারা সারিসারি বেধে দাড়িয়ে জুতা কিনছেন। তন্বী নামের এক ক্রেতা বলেন, বসুন্ধরায় এখন ফিক্সড প্রাইস। ফলে দামাদামি করার ভেজাল নেই। পচ্ছন্দের জিনিস হলেই দাম দিয়ে নিয়ে নেয়া যাচ্ছে। তার বান্ধবী টুম্পা বলেন, দশ রোজায় জামা বানাতে দেয়া হয়ে গিয়েছিল । এখন শুধু ম্যাচিং জুতা আর কানের দুলটা কেনা বাকি।

 

তবে ক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশের দাবি ভীড় পরিহার করা আর ব্যস্ততার কারনেই এতদিন কেনাকাটা করা হয় নি। তৃতীয় তলার গয়নার দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের বেশ ভীড়। কেউ দেখছেন গলার হার, কেউ আংটি, কেউবা পায়েল। চতুর্থ তলার ক্রোকারিজের দোকানেও চলছে কেনাকাটা। মোবাইলের দোকানে তরুণদের সমাগমে হিমশিম সেলস এক্সিকিউটিভরা। দোকানিরা বলছেন রাত তিনটা অব্দি চলবে এই বিক্রয়যজ্ঞ। আর এই দৃশ্য প্রতিবছরের। যারা চাকুরি করেছেন তারাও আজ পালা করে কেনাকাটা করছেন।

দেশীদশের নিপুনের বিক্রয়কর্মী আফসানা নূর বলেন, সারামাস আমরা ব্যস্তছিলাম। আজ আমাদেরও কিনতে হচ্ছে। আমাদের পরিবারের লোকজনদের জন্যও কিনতে হবে। বসুন্ধরা সিটির আড়ং সেন্টারে গিয়ে দেখা যায় আগের মতই ভীড়। ট্রায়ালরুমে ১০/১৫ জন অপেক্ষা করছেন কাপড় ট্রায়াল দিতে। তবে উত্তরার আউটলেট বন্ধে এখানে ক্রেতা বাড়া বা কমা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেন নি কেউ। তবে ক্রেতারা বলছেন শেষমুহুর্তে আড়ংকে বর্জনের সুযোগ নেই।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)