ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট অক্টোবর ২৯, ২০১৬

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২১ জিলহজ্জ, ১৪৪০

কিডস শিশুর ইঞ্জেকশনে ভয় দূর করার উপায়

শিশুর ইঞ্জেকশনে ভয় দূর করার উপায়

শিশুর ইঞ্জেকশনে ভয় দূর করার উপায়

শিশুর ইঞ্জেকশনে ভয় দূর করার উপায়

২৯ অক্টোবর ২০১৬, নিরাপদ নিউজ : শিশুকে নানা কারণেই ইঞ্জেকশন দিতে হয়৷ তবে অধিকাংশ শিশু ইঞ্জেকশনের কথা শুনলেই ভয় পায় বা আতংকিত হয়ে পড়ে৷ শিশুর ভয় দূর করবেন কিভাবে তা জেনে নিন আজকের প্রতিবেদন থেকে৷

ঘুরে তাকান!
ইঞ্জেকশন দেওয়ার সময় সেদিকে একদম না তাকানো হচ্ছে ব্যথা কম অনুভব করা বা ভয় কম পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়৷ এটি ছোট বড় সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷ হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোফিজিওলজি এবং প্যাথোফিজিওলজি বিভাগের করা এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, শরীরের যে স্থানে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় সেদিকে না তাকালে কষ্ট বা ব্যথা অনেকটাই কম হয়৷

একেবারে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে
যে শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে ওকে ইঞ্জেকশন দেওয়ার আগে এবং পরে দুধ পান করানো উচিত৷ কারণ মায়ের বুকের দুধ পান করার সময় মায়ের উষ্ণতা শিশুর ব্যথা কিছুটা প্রশমন করে ও শিশুকে শান্ত রাখে৷

একটু বড় শিশুদের বেলায়
ইঞ্জেকশন দেওয়ার ঠিক আগে দুই চা চামচ পানিতে এক চামচ চিনি গুলিয়ে খাইয়ে দিলে ওরা ইঞ্জেকশনের ব্যথা তেমন অনুভব করবে না৷

মালিশ করে নিন
ইঞ্জেকশন দেওয়ার আগে যেখানে দেওয়া হবে ঠিক সেখানে ভালো করে মালিশ করে দিন, তাহলেও কিন্তু ব্যথা ও কষ্ট কম হবে৷

মা-বাবার কোলে
শিশু যে মা-বাবার কোলেই সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা৷ তাই মা বা বাবার কোলে বসিয়ে ইঞ্জেকশন দিলে শিশুর কষ্ট এবং ভয় এমনিতেই কম হয়৷

বসে ইঞ্জেকশন নেয়া
একটু বড় শিশুদের বেলায় না শুয়ে বসা অবস্থায় ইঞ্জেকশন দিলেই ভালো, কারণ, দেখা গেছে না শুয়ে বসে থাকলে মানুষের সাহস একটু বেশি থাকে৷

মনোযোগ ঘুরিয়ে দেওয়া
ইঞ্জেকশন দেওয়ার সময় শিশুর মা-বাবা শিশুর সাথে একেবারে অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলুন বা ওর মনোযোগকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিন৷ তাহলে শিশুর শরীরের কী ঘটছে তা সে হয়ত খেয়ালই করবে না৷ এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে জার্মানির সবচেয়ে পুরনো স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ডিজিকে থেকে৷

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)