আপডেট ৬ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৬ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২১ সফর, ১৪৪১

ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজশাহী শীতের আগাম সবজিতে ভরপুর বগুড়ার মহাস্থানহাট

শীতের আগাম সবজিতে ভরপুর বগুড়ার মহাস্থানহাট

গোলাম রব্বানী শিপন,নিরাপদনিউজ : বর্তমান সবজির কথা বললেই উঠে আসে উত্তরবঙ্গের প্রসিদ্ধ বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের হাটের নাম। মহাস্থানের এই হাট থেকে প্রতিদিন শতশত টন সবজি রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। শীতের আগমন হালকা হলেও আগাম সবজিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে বগুড়ার মহাস্থানহাট। ন্যায্য দাম পেয়েও মহাস্থান হাটে সবজি বিক্রি করতে আসা অনেক কৃষকদের চোখে মুখে খুশির ছাপ দেখা গেছে। এদিকে শীতের আগাম সবজির দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে বলে ভোক্তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তবে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে অনেক কৃষকেরা জানায়, ভারতীয় পানি বৃদ্ধি হয়ে অসময়ে করতোয়া নদী এলাকার নিম্ন অঞ্চলের সবজির ফসলি জমি গুলো ডুবে যাওয়ার কারণে সবজির উৎপাদন করেছে। যে কারণে সবজির বাজার কিছুটা চড়া।

সোমবার সকাল ৯টায় মহাস্থান হাটের সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এলাকার কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত নানা ধরনের শীতের সবজি বিক্রি করতে এসেছেন। শাকের মধ্যে দেখা গেছে, পালংশাক, লালশাক, সরিষাশাক, মুলাশাক, লাউশাক ধনেশাক প্রভৃতি। এগুলো আঁটি বেঁধে বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৫ টাকা দরে। এ ছাড়া সবজির মধ্যে লাউ প্রতিটি ২০-২৫ টাকা, শিম প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, ধুন্দুল ৪০ টাকা, চিচিঙা ৩০ টাকা, ফুল কপি প্রতিটি ৪০-৪৫ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিটি ১০-১৫ টাকা, বেগুন কেজি ২৫-৩০ টাকা, মরিচ ৪০-৪৫ টাকা, বই কচু ৪০-৪৫ টাকা, পটল ৩০-৩৫ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, পেপে ১০-১৫ টাকা, টমেটো ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মহাস্থান হাটে প্রতিদিন ভোর থেকে সবজির বাজার হলেও মূলত বুধবার ও শনিবার এখানে হাট বসে। আর হাট বারই চাষিরা ক্ষেত থেকে সবচেয়ে বেশি তাজা সবজি নিয়ে হাটে আসেন। মহাস্থান হাটের পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন গুলো ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা সবজিক্ষেত পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত।

মহাস্থান হাটে সবজি বিক্রি করতে আশা কথা হয় চাষি রেজাউল করিমের সাথে, তারা জানায়, এই এলাকার মাটি কিছুটা উঁচু এবং সঠিক আবহাওয়ার কারণে এখানে শীতের সবজি আগে আবাদ হয়। ফসলও অন্যান্য এলাকার থেকে আগে ভাগেই পাওয়া যায়। নতুন নতুন সবজির দামটাও তুলনামূলক ভাবে বেশি পাওয়া যায় বলে তারা সবজি চাষে অধি আগ্রহী। আর মহাস্থানহাটে যোগাযোগ মাধ্যম ভাল তাই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকারি বিক্রেতারা অনেকেই এখান থেকে সরাসরি সবজি নিয়ে বাজার জাত করেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)