ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট নভেম্বর ২১, ২০১৮

ঢাকা বুধবার, ৫ পৌষ, ১৪২৫ , শীতকাল, ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪০

ভ্রমন শীতে জাফলং বেড়ানো খুবই উত্তম সময়

শীতে জাফলং বেড়ানো খুবই উত্তম সময়

 

নাসিম রুমি, ২১ নভেম্বর ২০১৮, নিরাপদ নিউজ: প্রকৃতি কন্যা হিসেবে সারাদেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং। খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছে আকর্ষনীয়। সীমান্তের ওপারে ইন্ডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাড়ার থেকে অবিরাম ধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রীজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেল পানি, উঁচু পাহাড়ে গহিন অরণ্য ও শূনশান নিরবতায় কারণে এলাকাটি পর্যটকদের দারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশী-বিদেশী পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে।

প্রকৃতি কন্যা ছাড়াও জাফলং বিউটি স্পট, পিকনিক স্পট সৌন্দর্যের রাণী-এসব নামেও পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। ভ্রমণ পিয়াসীদের কাছে জাফলং এর আকর্ষণই যেন আলাদা। সিলেট এসে জাফলং না গেলে ভ্রমণই অপূর্ণ থেকে যায়। সিলেট নগরী থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় জাফলং এর অবস্থান। জাফলংয়ে শীত ও বর্ষা মওসুমের সৌন্দর্যের রূপ ভিন্ন।

বর্ষায় জাফলং এর রূপ লাবণ্য যেন ভিন্ন মাত্রায় ফুটে। ধুলি ধূসরিত পরিবেশ গয়ে উঠে সুচ্চ। স্নিগ্ধ পরিবেশে স্বাস-নিঃস্বাসে থাকে ফূরফূরে ভাব। খাসিয়া পাহাড়ের সবুজাভ চূড়ায় তুলার মত মেঘরাজির বিচরণ এবং যখন-তখন অঝোরধারায় বৃষ্টি পাহাড়ি পথ হয়ে উঠে বিপদজনক-সে যেন ভিন্ন শিহরণ। সেই সঙ্গে কয়েক হাজার ফুট উপর থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারার দৃশ্য যে কারোরই নয়ন জুড়ায়। আমি অসংখ্যবার জাফলং ভ্রমন করেছি।

নাসিম রুমি সাংবাদিক, লেখক ও পর্যটক

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)