আপডেট ৪৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ৬ শ্রাবণ, ১৪২৫ , বর্ষাকাল, ৭ জিলক্বদ, ১৪৩৯

নিসচা সংবাদ, লিড নিউজ শেষ হলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত রোড সিকিউরিটির সাউথ-ইস্ট এশিয়া মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

শেষ হলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত রোড সিকিউরিটির সাউথ-ইস্ট এশিয়া মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

শেষ হলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত রোড সিকিউরিটির মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

নিরাপদ নিউজ :  শেষ হলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সাউথ-ইস্ট এশিয়া সেমিনার। থাইল্যান্ডের প্রাইম মিনিষ্টার এর উপস্থিতিতে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সাউথ-ইস্ট এশিয়া মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে রোড সেফটি, ডিকেট, থাইল্যান্ডের কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে, ২৯ নভেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত এই সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সাউথ-ইস্ট এশিয়ার সেমিনারটি ২ডিসেম্বর শেষ হয়। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বৈঠকে জাতীয় ও সাব-জাতীয় পর্যায়ে উভয় দিকের ” রোড সেফটি ফর অ্যাকশন ফর ইউনাইটেড ডিকেড অব রোড সেফটি, ২০১০-২০২০” -এর পাঁচটি স্তম্ভের উপর জোর দেওয়া এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। মাল্টিলেসেকটালাল অংশগ্রহণ ছিল স্টেকহোল্ডার মন্ত্রিসমূহ, জাতিসংঘ সংস্থা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক / আঞ্চলিক সংগঠনগুলির মধ্যে এবং বিশেষ করে রাষ্ট্রে দুর্ঘটনাস্থল রাস্তা ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে, রাস্তাগুলিকে নিরাপদ করার জন্য স্কেল-আপ কর্মসূচিতে উভয় পক্ষের সহযোগিতায় জোরদার করা হয়
এই সভায় সড়ক নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট স্থায়ী উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য আঞ্চলিক যথাযথ লক্ষ্যমাত্রা এবং নির্দেশকের বিবেচনায় একটি সুযোগ ছিল (এসডিজি 3.6 এবং এসডিজি 11.2)। উচ্চ পর্যায়ের সমর্থন মাধ্যমে ডব্লিউ এইচ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অঞ্চলে সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির দশ দশকের কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের জন্য সামগ্রিক উদ্দেশ্য ছিল। সভায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো ছিলো বাংলাদেশ, ভুটান, উত্তর কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মায়ানমার, নেপাল ও শ্রীলংকা। মালয়েশিয়া, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও তাদের দক্ষতা ভাগ করার জন্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবদের সাথে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মল্লিক,বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় অংশ নেয়। অংশগ্রহণ করেন নিরাপদ সড়ক চাই’র চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। ফজলুর রহমান সিআইপিআরবিএ’র নির্বাহী পরিচালক, রোড সেফটি বিষয়ক ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের আঞ্চলিক কারিগরি অ্যাডভাইজরি গ্রুপের সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীরা সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে নানা দিক তুলে ধরেন এবং সড়ক দুর্ঘটনার হার কীভাবে হ্রাস করা যায় সে সব বিষয়ে আলোচনা করেন। জাপান ১৯৭১ সালে তাদের পরিবহন এবং সড়ক পরিস্থিতি যা ছিলো বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা অনুরূপ। বর্তমানে জাপান এর সড়ক দুর্ঘটনার হার অনেকটা কম আর এর কারণ উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালকদের প্রশিক্ষন ও জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি। ইলিয়াস কাঞ্চনের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতির জন্য জাপান ও তার দক্ষতার উদাহরণ আমরা ব্যবহার করতে পারি। সম্মেলনের শেষে অংশগ্রহণকারী দেশগুলির স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা দুর্বলশীল রোড ব্যবহারকারীদের রক্ষা করার জন্য PHUKET প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)