আপডেট ১ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ৪ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৯ মুহাররম, ১৪৪১

শিল্প-সংস্কৃতি সমাজের নির্যাতিত নারীর প্রতিচ্ছবি ‘জোঁক’

সমাজের নির্যাতিত নারীর প্রতিচ্ছবি ‘জোঁক’

নিরাপদ নিউজ: শর্ট-ফিল্ম ‘জোঁক’ যেন আমাদের সমাজের নির্যাতিত নারীর এক প্রতিচ্ছবি। এই পুরুষ প্রভুত্ব সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতনের রূপ কতটা নির্মম তারই এক প্রতিচ্ছবি অন্তু। গল্পের চরিত্রকে ছাপিয়ে অন্তু যেন হয়ে উঠেছে সমাজেরই এক আয়না। আয়নার ওপারের সমাজের এই রূপ সমাজ নিজেই আজ দেখতে নারাজ! এই নোংরা সমাজের ফলশ্রুতিতে পবিত্র সাদা অন্তুদের অন্তর যেন ধুসর রূপ ধারণ করছে! অন্তুদের রঙিন স্বপ্নগুলোকে সাদা-কালো করার অধিকার কে দিয়েছে এই সমাজকে?
‘জোঁক’ ঠিক যেমনটি মানুষর রক্ত শুষে নিজের জীবন ধারণ করে ঠিক তেমনি পুরুষ রূপি পশুগুলো নিজের বিনোদনের খোরাক হিসাবে বেছে নেয় নারীর সম্মান। তরুণ প্রজন্মের নির্মাতা পার্থ পৌলিনিউস ফলিয়ার পরিচালনায় শর্ট-ফিল্ম ‘জোঁক’ অন্তুদের কথাই সমাজকে জানান দিচ্ছে। ফিল্মটি ইতিমধ্যে দেশে এবং দেশের বাইরের চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে অনেক প্রশংসিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ১২তম আন্তর্জাতিক আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র উৎসব, ১২তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব, গ্লোবাল ইয়ুথ ফিল্ম ফেস্টিভাল, সেফালু ফিল্ম ফেস্টিভাল, লিট অফ ফিল্ম ফেস্টিভাল ইত্যাদি।
চলচ্চিত্র উৎসবের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শর্ট-ফিল্মটির প্রদর্শনী হয়েছে। বিখ্যাত সাহিত্যিক ডক্টর সেলিনা হোসেনও ফিল্মটি দেখেছেন এবং ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন। তরুণ এই নির্মাতা মনে করেন ফিল্ম হলো সকল ধরনের শিল্পের সংমিশ্রণে এক ত্রিমাত্রিক পরিবেশন যা সকল পর্যায়ের মানুষের কাছে খুব সহজেই পৌঁছাতে পারে। উল্লেখ্য তার নির্মিত ফিল্মগুলোতে সমাজকে দেখার এই ভিন্নধর্মী চিন্তার সুস্পষ্ট ছাপ পাওয়া যায়। যেমন এই নির্মাতার নির্মিত ফিল্ম- সাইলেন্স, ইন্সোমেনিয়া, টিল দা এনড, অপেক্ষা দর্শকদের উল্লেখযোগ্যভাবে স্থান করে নিয়েছে। পূর্বের কাজগুলোর মত ‘জোঁক’-এর সফলতা নিয়েও পার্থ আশাবাদী। খুব শিগগির দর্শকরা শর্টফিল্মটি অনলাইনে মুক্তি দেয়া হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)