ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ১৮ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২০ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

সিলেট সিলেটে রবীন্দ্র স্মরণোৎসব সমাপ্ত

সিলেটে রবীন্দ্র স্মরণোৎসব সমাপ্ত

জহিরুল ইসলাম মিশু,সিলেট ব্যুরো-নিরাপদ নিউজঃ শতবর্ষ পূর্বে বিশ্বকবি এসেছিলেন সিলেটে। শতাব্দির কালপটে দাঁড়িয়ে তাই আয়োজন করা হয় ‘সিলেটে রবীন্দ্রনাথ শতবর্ষ স্মরণোৎসব’। এই স্মরণোৎসবের সমাপনী।অনুষ্ঠানে প্রধান আতিথীর বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আব্দুল মোমেন।এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।গত ৫ই নভেম্বর থেকে সিলেটে রবীন্দ্র স্মরণোৎসব চলছিল। তবে মূলপর্ব শুরু হয় গতকাল বৃহস্পতিবার। রবীন্দ্রনাথকে মন ও মননে ধারণের আবাহনে আজ শুক্রবার রাতে শেষ হয়েছে এই স্মরণোৎসব।

শুক্রবার বিকাল ৪টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের শেষ দিনের অনুষ্ঠানমালা। একক ও সম্মেলক আবৃত্তি, নৃত্য, সঙ্গীত ও আলোচনা প্রভৃতি। আলোচনা পর্বে রবীন্দ্র স্মরণোৎসব পর্ষদের আহবায়ক ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ,রবীন্দ্র স্মরণোৎসব পর্ষদের সদস্যসচিব ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটে প্রায় তিন বছর আগে বেঙ্গল উৎসব হয়েছিল। এবার রবীন্দ্রনাথ স্মরণোৎসব হলো, যা সিলেটের সর্ববৃহৎ উৎসব।সিলেট সবসময়ই আলাদা। শতবর্ষ পূর্বে রবীন্দ্রনাথ যখন সিলেটে আসেন, তখন তাকে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান সবাই স্বাগত জানায়। শতবর্ষ পরে হিন্দু, মুসলিম সবাই একাত্ম হয়ে রবীন্দ্র স্মরণোৎসবকে সফল করেছেন।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, সিলেটে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করার দাবি ওঠেছে। সিলেটের মেয়র যদি একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে পাঠান, তবে তা অনুমোদন পেতে পারেন। রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন লাইসা আহমেদ লিসা,রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, অনুপম কুমার পাল, অসীম দত্ত, ভারতের পদ্মশ্রী পূর্ণদাস বাউল, অগ্নিভ বন্দোপ্যাধ্যায় প্রমুখ।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)