ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট এপ্রিল ২৭, ২০১৫

ঢাকা সোমবার, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৬ , শরৎকাল, ১৪ সফর, ১৪৪১

সড়ক সংবাদ সোনাতলায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুকিপূর্ন পারাপার…

সোনাতলায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুকিপূর্ন পারাপার…

৫ বছর আগে সেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে সাধারন মানুষ

৫ বছর আগে সেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে সাধারন মানুষ

২৭ এপ্রিল ২০১৫, নিরাপদ নিউজ,মামুনুর রশিদ মামুন :  বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের নূরারপটল-চিল্লিপাড়া সড়কের ভারালী খালের উপর দীর্ঘদিনেও ব্রীজ নির্মান করা হয়নি৷ এতে দূর্ভোগে পরেছে ওই এলাকার ৭ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ৷ তাই ৫ বছর আগে সেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে সাধারন মানুষ৷ সম্প্রতি বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে ৪ জন পথচারী আহত হওয়ায় স্থানীয় লোকজন সেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকোটি সংস্কার করে৷ নুরারপোটল গ্রামের বৃদ্ধ আজাহার আলী বলেন, এই বাঁশের বিরিজ আর কতই মেরামত করি বাবা৷ হামরা এতো কষ্টো করে পার হই, কেউতো বিরিজ করে দেয়না৷ খালি ভোটের সমে (সময়) আসে, মেলা কিছু করে দিবি বলে আশা দিয়ে যায়৷ হামাগেরে বিরিজটা হয়না৷
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার নুরারপোটল থেকে চিল্লিপাড়া সড়ক দিয়ে নূরারপটল, চারালকান্দী, মহিচরণ, লোহাগাড়া, চিল্লিপাড়া, দিগদাইড়, নুরপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চলাচল করে৷ খালে শুষ্ক মৌসুমেও পানি থাকায় এলাকাবাসীদেরকে ঘুরে আসতে হয় ৩/৪ কিলোমিটার পথ৷ এতে পথচারীদেরকে গন্তব্য স্থানে পৌছাতে সময় ও অর্থ দ্বিগুন লাগে৷ তাই স্থানীয়রা প্রায় ৫ বছর পূর্বে সেচ্ছাশ্রমে নিজেরা বাঁশ দিয়ে সাঁকো নির্মান করে৷
স্থানীয় রাসেদুজ্জামান, মাহবুব আলম, আপেল মাহমুদ, শহিদুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, রজিনা আকতার, শহীদ মিয়া বলেন, সরকার আসে, সরকার যায় তাদের দলীয় নেতা-কর্মিরা প্রতিশ্রুতি দেয়৷ এভাবেই স্বাধীনতার প্রায় ৪৪ বছর অতিবাহিত হলেও নূরারপটল খালের উপর ব্রীজ নির্মিত হয়নি৷ তারা বলেন, ভারালী খালের উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের পারাপার হতে হয়৷ তাই ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে চিন্তায় থাকতে হয় বাড়ি ফেরার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত৷ বাঁশের ব্রীজে কোনও দূর্ঘটনা ঘটলো কিনা৷
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোকছেদ আলী সরকারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি৷
উপজেলা প্রকৌশলী সৈকত দাস বলেন, আমরা পরিদর্শন করে দেখেছি যে ওই খালে ব্রীজ হওয়া প্রয়োজন৷ তাই উদ্ধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট জানানো হয়েছে৷ আশা করছি খালটিতে ব্রীজ নির্মান হবে৷
স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, বর্তমান সরকারের সময় রাস্তা ঘাট ব্রীজ কালভাট তথা যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে৷ বর্তমান সরকারের সময়ের মধ্যে ওই খালে ব্রীজ নির্মানের ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি৷

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)