ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ডিসেম্বর ১, ২০১৪

ঢাকা রবিবার, ১১ ভাদ্র, ১৪২৬ , শরৎকাল, ২৪ জিলহজ্জ, ১৪৪০

উপসম্পাদকীয় সড়ক দুর্ঘটনারোধে দায়িত্ব কার -শামীম আলম দীপেন

সড়ক দুর্ঘটনারোধে দায়িত্ব কার -শামীম আলম দীপেন

শামীম আলম দীপেন

শামীম আলম দীপেন

শামীম আলম দীপেন, ০১ ডিসেম্বর ২০১৪, নিরাপদ নিউজ : নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠার ২২ বছরে পদার্পন উপলক্ষে দৈনিক যুগান্তর,যমুনা টৈলিভিশন এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আয়োজিত ‘সড়ক দুর্ঘটনারোধে দায়িত্ব কার’ শীর্ষক আজকের গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত সম্মানিত প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের এবং আলোচক হিসাবে উপস্থিত মাননীয় অতিথিবৃন্দ ও উপস্থিত সুধি সমাবেশ শুরুতেই আপনাদের সকলকে এখানে উপস্থিতির জন্য জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর ১ ডিসেম্বর ১৯৯৩ প্রতিষ্ঠিত হয় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) নামে এই সামাজিক আন্দোলনের। যা ২০১৪ সালরে ১ ডিসেম্বরে ২২ বছরে পর্দাপন করতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সড়ককে নিরাপদ করার এই যে সামাজিক আন্দোলন,সেই আন্দোলনের ২২ বছরে পদার্পনের লগ্নে ‘সড়ক দুর্ঘটনারোধে দায়িত্ব কার’ এতদিন পর আজ এ ধরণের প্রশ্ন কেন উপস্থাপন করা হচ্ছে? কারণ, সড়ককে নিরাপদ করার আমাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের লক্ষ্যে সরকারীভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৯৫ সালে গঠিত হয় ন্যাশনাল রোড সেফটি কাউন্সিল। একই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০০১ সালে বুয়েটে গঠিত হয় এ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ সেন্টার বর্তমানে যা এ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনিষ্টিটিউট নামে সুপরিচিত। ২০০৪ সালে গঠিত হয় হাইওয়ে পুলিশ। এছাড়াও বিআরটিএ-তে রয়েছে রোড সেফটি সেল, রোডস এ্যান্ড হাইওয়ে এবং এলজিইডিতে রয়েছে রোড সেফটি ইউনিট। সড়ক নিরাপদ করার জন্য ২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কেবিনেট কমিটি। এই সমস্ত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ন্যাশনাল ল্যান্ড ট্রান্সপোর্ট পলিসি, সেফটি ম্যানুয়াল-হ্যান্ডবুক এবং গাইডলাইনস, রোড সেফটি সেল এবং জেলা রোড সেফটি কমিটি,স্পিড লিমিট জোনিং এবং স্পিড রেস্ট্রিকশন রুলস, এ্যাক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশন রুলস-২০১২, রোড মেইনটেন্যান্স ফান্ড বোর্ড এ্যাক্ট-২০১৩ এবং ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেশন অথরিটি-এসব উদ্যোগ গৃহীত হয়। এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক তথা ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করে তা সারিয়ে তোলার উদ্যোগের পাশাপাশি অতি সাম্প্রতিককালে লাইসেন্সবিহীন চালক এবং ফিটনেসবিহীন পরিবহনকে রাস্তায় নামতে না দেবার বিষয়ে কঠোর অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ করতে হয়।
১৯৯৫ সালে ন্যাশনাল রোড সেফটি কাউন্সিল গঠিত হবার পর থেকেই নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এই রোড সেফটি কাউন্সিলের সদস্য। পরবর্তীতে আরো অনেকেই সদস্য হয়েছেন। সব মিলিয়ে এটা সুস্পষ্ট যে আমরা সকলকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি, যথাযথ উদ্যোগ গৃহীত হলে এবং তদানুযায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব। আশার কথা, স্থানীয় পর্যায়ে এসব উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসংঘ,বিশ্বব্যাংক,এশিয়ান ডেভলাপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), জিটিজেড, কেএফডব্লিউ, জাইকা, আমেরিকান সেন্টারসহ বিভিন্ন সংস্থা বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। বাড়িয়ে দিয়েছে সহযোগিতার হাত।
জাতিসংঘ মনে করে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার অতিদ্রুত কমিয়ে আনতে না পারলে মানুষের মৃত্যুর হারের দিক থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ১ নম্বর স্থান দখল করে নিবে। ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেক কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০১১-২০২০ সাল পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনারোধ দশক হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং বিভিন্ন কর্মসুচি হাতে নিয়েছে। বাংলাদেশও এই কর্মসূচির অর্ন্তভুক্ত। দীর্ঘ তিন বছর পর ২০১৩ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়, নিরাপদ সড়ক চাই ও এই সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে একাধিক সেমিনার ও সভার মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা কিভাবে কমিয়ে আনা যায় সে সংক্রান্ত একটি দিকনির্দেশনা প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্যে সরকারের নিকট প্রদান করা হয়। ২০১৪ সাল পার হতে যাচ্ছে, কিন্তু সেসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে এ পর্যন্ত কোন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।
নিরাপদ সড়ক চাই-এর নিজস্ব উদ্যোগে ইতোমধ্যে কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ২০১০ সালে নিসচা ড্রাইভিং এন্ড মেকানিক্যাল ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিদ্যমান চালকদের দক্ষতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও আমরা সবসময়ই গুরুত্বারোপ করে আসছি। নিজেদের উদ্যোগের পাশাপাশি এলজিইডির সহায়তায় রিপ-২ প্রকল্পের আওতায় ১৯টি জেলায় ও আমেরিকান সেন্টারের সহায়তায় দুই দফায় ৫টি জেলায় এবং নিজেদের ও শাখাসমুহের সাংগঠনিক উদ্যোগে বিভিন্ন জেলায় ব্যাপকসংখ্যক চালককে দক্ষতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ট্রেনিং প্রদান করা হয়েছে।
রাস্তার পাশ থেকে হাট-বাজার সরিয়ে নেওয়ার দাবী আমরা শুরু থেকেই করে আসছি। এই বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গৃহীত হলেও পুরোপুরিভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে কিছুদিন পরে আবার সরিয়ে নেওয়া হাটবাজার আগের জায়গায় কিংবা কাছাকাছি কোথাও পুনঃস্থাপিত হয়েছে। হাইওয়েতে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়ানোর লক্ষ্যে মাঝখানে ডিভাইডার দিয়ে একমুখি চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবীও আমরা উত্থাপন করেছি। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের কথা বলা হলেও তাও অবশ্য যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুচিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতির পরিমান কমিয়ে আনার লক্ষ্যে যথাযথ রেসকিউ টিম গঠন করা এবং উদ্ধারকৃতদের যথাযথ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ ট্রমা সেন্টার গড়ে তোলার বিষয়টিতেও আমরা সবসময়ই গুরুত্ব দিয়ে আসছি। পাঠ্যপুস্তকে সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে পাঠক্রম অন্তর্ভুক্ত হলে পরবর্তী প্রজন্ম শৈশব-কৈশোর থেকেই সড়ক ব্যবহারে সচেতন হয়ে উঠবে। ন্যাশনাল রোড সেফটি কাউন্সিলের তরফ থেকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা লিখিত আকারে উত্থাপন করা হলেও সেই বিষয়েও কোন কার্যকর উদ্যোগ এখনো অব্দি পরিলক্ষিত হয়নি। আসা যাক আইনের প্রসঙ্গে। বিদ্যমান আইনের দ্বারা সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন যুগ-উপযোগী আইন প্রনোয়ন ও তার বাস্তবায়ন।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর প্রেক্ষিতে এটা প্রতিয়মান হয় যে, সড়ক দুর্ঘটনারোধের জন্য যে কর্মসূচি গ্রহণ প্রয়োজন সেটি মাত্র একটি মন্ত্রনালয় দ্বারা সম্ভব নয়। এখানে জড়িত আছে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়। এই বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের কাজের সমন্বয় না থাকার কারণে সড়ক দুর্ঘটনারোধে কোন পদক্ষেপই কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
ন্যাশনাল রোড সেফটি কাউন্সিল গঠিত হবার পরে সড়ক দুর্ঘটনারোধে কার্যকর উদ্যোগ গৃহীত হবে বলে আমরা আশাবাদী হয়ে উঠি। সড়ক দুর্ঘটনারোধে করণীয় সম্পর্কে রোড সেফটি কাউন্সিলে বিশদ আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ গৃহীত হয়। গৃহীত পরামর্শের আলোকে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনাও প্রণীত হয়।কিন্তু গৃহীত পরামর্শের আলোকে প্রণীত কর্মপরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হয়নি। সড়ক দুর্ঘটনারোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণতো দূরের কথা, এমনকি সড়ক দুর্ঘটনার যথাযথ পরিসংখ্যান তৈরির কোনো প্রয়াসও এতদিনে গ্রহণ করা হয়নি। বিগত ১৯ বছরে রোড সেফটি কাউন্সিলের মাত্র ২১টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যা অত্যন্ত স্বল্প এবং এই ২১টি সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর পর অধিকাংশই ফাইলবন্ধি হয়ে রয়েছে।
রোড সেফটি কাউন্সিলের বিগত ১৯ বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে আমরা স্পষ্টতই বুঝে উঠতে পারি, রোড সেফটি কাউন্সিল একটি উপদেশমুলক ব্যবস্থা। তারা বিশদ আলাপ-আলোচনার এখতিয়ার রাখে। আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে পরামর্শ বা উপদেশ প্রণয়নের অধিকারও তাদের আছে। আছে গৃহীত পরামর্শ বা উপদেশের আলোকে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের অধিকার। কিন্তু এসবের যথাযথ বাস্তবায়নের কোনো ক্ষমতাই তাদের উপর ন্যাস্ত হয়নি। আমরা মনেকরি, সড়ক দুর্ঘটনারোধে রোড সেফটি কাউন্সিলের মতো উপদেশমুলক প্রতিষ্ঠান নয়, প্রয়োজন এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব কেবল উপদেশ বা পরামর্শ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা; প্রস্তাব গ্রহণ বা পরিকল্পনা প্রণয়নের মধ্যেই শেষ হবে না। বরং এই প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যাস্ত হবে উপদেশ বা পরামর্শের আলোকে প্রণীত প্রস্তাব বা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব। আমরা জানি সড়ক দুর্ঘটনারোধের বিষয়টি একটি মন্ত্রনালয়ের মধ্যে সীমিত নয়। সড়ক দুর্ঘটনারোধের বিষয়টির সাথে অনেকগুলো মন্ত্রনালয় সংশ্লিষ্ট। অতএব সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রনালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে হতে হবে উচ্চপর্যায়ের। আমরা নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে প্রস্তাব করেছি অবিলম্বে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রনালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চতর কর্তৃপক্ষ গঠন করা হোক আজকের গোলটেবিল বৈঠকেও সেই দাবী আবারও জানাচ্ছি।
২১ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করছি। প্রস্তাব তুলছি। পরামর্শ দিচ্ছি। দাবী উত্থাপন করছি। বিগত পর্যায়ের বিভিন্ন সরকার যদি আমাদের প্রস্তাবনা, পরামর্শ, দাবী বা উদ্যোগসমুহ বাস্তবায়নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগী হতেন, তাহলে এতদিনে সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হতো। ২২ বছরে পদার্পনের লগ্নে ‘সড়ক দুর্ঘটনারোধে দায়িত্ব কার’-এই গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনায় আমরা আবারও বলবো, আর সময় ক্ষেপন না করে,অবিলম্বে সরকার যাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রনালয়ের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে একটি উচ্চতর কর্তৃপক্ষ গঠন করা হোক যা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যথাযথ কার্যকরী ভুমিকা রাখবে। এই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে, সড়ক দুর্ঘটনার শিকার একটি মানুষ অথবা তার পরিবার সাহায্য চাইতে পারে, আইনের সহায়তা পেতে পারে, পেতে পারে চিকিৎসার সুবিধা অথবা ক্ষতিপূরণ, এমনকি সড়ক দুর্ঘটনারোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে।

বিঃদ্রঃ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৯ নভেম্বর ২০১৪ শনিবার সকালে দৈনিক যুগান্তর কার্যালয়ে যুগান্তর, যমুনা টেলিভিশন ও নিসচা-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘সড়ক দুর্ঘটনারোধে দায়িত্ব কার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মূলপ্রবন্ধ হিসেবে লেখাটি উপস্থাপন করা হয়। লেখক নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর মহসচিব।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)