ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট এপ্রিল ৭, ২০১৫

ঢাকা শনিবার, ৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ২৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

বিনোদন, সাক্ষাৎকার হৃদয়ের প্রথম স্ত্রীর নাম পূর্ণিমা: সুজানা

হৃদয়ের প্রথম স্ত্রীর নাম পূর্ণিমা: সুজানা

মডেল-অভিনেত্রী সুজানা

মডেল-অভিনেত্রী সুজানা

ঢাকা, ৭ এপ্রিল ২০১৫, নিরাপদনিউজ : সদ্য দম্পতি জুটি সংগীতশিল্পী হৃদয় খান ও মডেল-অভিনেত্রী সুজানা জাফর। বিয়ের বয়স এখন এক বছরও গড়ায়নি। এরইমধ্যে সংসার ভেঙ্গে গেছে। বিয়ের দেড় মাস থেকেই সম্পর্কে সমস্যা শুরু হতে থাকে। প্রায়ই বাসা থেকে ১০-১৫ দিন বাসার বাইরে থাকতেন হৃদয়। এ ছাড়াও সম্পর্কের সম্মানের বিষয়গুলোও ছিল। সম্পর্কে এসব সমস্যা নিয়েই কথা বললেন সুজানা জাফর।
হৃদয়ের সাথে এখন সম্পর্কের অবস্থা কী?
-সংসারে স্বামী-স্ত্রীর ভুল বুঝাবুঝি থাকবেই। সেগুলো দুজনে বসে বা পরিবারকে সাথে নিয়ে ঠিক করে নিতে হয়। কিন্তু হৃহূদয় পরিবার মানে না। সম্পর্কের প্রতি তার কোনো সম্মানবোধ নেই। এখন আমি আমার মায়ের বাসায় আছি। বিয়ের আগের হৃদয় আর এখনকার হূদয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য। তার ফেসবুক পেজে, মিডিয়ায় সে শুধু বলে আমাকে ভালোবাসে। কিন্তু বাড়িতে আমি সেই হৃদয়কে পাই না।
সম্পর্কের এসব সমস্যাগুলো কবে থেকে শুরু হতে থাকে?
-বিয়ের প্রায় দেড় মাস পর্যন্ত হৃদয় ঠিক আগের মতোই ছিল। কিন্তু এরপর থেকে হৃদয়ের পরিবর্তন হতে থাকে। বিয়ের আগে হৃদয় উচ্ছৃঙ্খল ছিল। তাকে আমি নিজে ঠিক করি। আড়াই বছর প্রেম করে বিয়ে করি। বিয়ের দেড় মাস পর থেকেই তার এই সমস্যাগুলো শুরু হতে থাকে। সে কাউকে মানে না। তার মূল সমস্যাটা হলো সম্মানবোধ নেই; যাকে যা খুশি বলে। সে আমার চরিত্র নিয়েও অনেক প্রশ্ন তুলেছে।
বিয়ের পর হৃদয়ের পরিবারের সাথে আপনার সম্পর্কটা কেমন ছিল?
-আমাদের বিয়েতে হূদয়ের বাবা-মা আসেননি। হৃদয়ের খালা-খালু আমাদের দোয়া করে। বিয়ের পর হৃদয়ের বাবা আমাকে গ্রহণ করেননি। তিনি সবসময় বলতেন—আমি তার ছেলেকে খারাপ করেছি। আমার আগে বিয়ে হয়েছে, সে এই বিষয় নিয়েও কথা বলতো। আমারটা সবাই জানে, কিন্তু হৃদয়ের প্রথম বিয়ের খবর কেউ জানে না। তার প্রথম স্ত্রীর নাম পূর্ণিমা। সেই বিষয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু আমার বিষয়টি নিয়ে মাতামাতি কেন হবে!
হৃদয় আপনার কাজ নিয়ে কোনো সমস্য করতো?
-আগে করতো না। কিন্তু পরে করতে শুরু করে। আমি খুব কম কাজ করি, এটা সবাই জানে। হৃদয় এখন বলে মিডিয়াতে আমরা কাজ করা চলবে না। স্যাক্রিফাইস তো দুই দিক থেকে থাকতে হয়।
দুই পরিবার একসাথে বসেননি?
-হৃদয় তো পরিবার মানে না। তার কথা—তার সাথে থাকতে হলে তার মতোই থাকতে হবে। হৃদয় বিয়ের আগে থেকেই পরিবারের বাইরে থাকতো। কিন্তু আমি তো পরিবার নিয়ে থাকি। শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের বাসায় বসা হয়। হৃদয় পরিবারের সবার সামনে আমা চরিত্র নিয়ে কথা বলে।
এখন শেষ সিদ্ধান্ত কী নিয়েছেন?
-পারিবারিকভাবে সমাধানের মাধ্যমে আমি আমার স্বামীর সাথে থাকতে চেয়েছি। কিন্তু হৃদয় এখন ডিভোর্সের কথা বলছে। আমিও আর সহ্য করতে পারছি না। তাই ডিভোর্স হয়ে গেল আর কী?

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)