সংবাদ শিরোনাম

২৩শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং

00:00:00 শুক্রবার, ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ , হেমন্তকাল, ৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
বিনোদন ১৯৭৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরস্কারের তালিকা

১৯৭৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরস্কারের তালিকা

পোস্ট করেছেন: Nsc Sohag | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৭, ২০১৭ , ১২:৩২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: বিনোদন

১৯৭৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরস্কারের তালিকা

মৌসুমী আক্তার,নিরাপদ নিউজ : বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাস অনেক পুরানো। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে অনেক ছায়াছবি তৈরী হয় এবং সেইসব চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার দেওয়া আরম্ভ হয়। এর একটাই মাত্র কারণ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন পুরুষ্কারের মাধ্যেমে চলচ্চিত্রে কাজ করার আগ্রহ বাড়ানো এবং চলচ্চিত্রকে আরো উন্নতির শিখরে পৌছে দেবার লক্ষ্যে। স্বাধীন হওয়া রাষ্টে সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালে এই চলচ্চিত্র পুরুষ্কার দেওয়া শুরু করে। এই পর্যায়ে তুলে ধরা হচ্ছে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরস্কারের চিত্র।

১৯৭৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেই গুণি শিল্পীরা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুষ্ককারে ভূষিত হয় তাদের মধ্যে বাংলাদেশের স্বনামধন্য গুনী শিল্পী এন্ড্রু কিশোর পেয়েছেন ৮ বার। জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী ও সুবীর নন্দী পেয়েছেন ৫ বার। স্বনামধন্য শিল্পী মনির খান পেয়েছেন ৩ বার। এবং কুমার বিশ্বজিৎ ২ বার।

আজ পর্যন্ত সেরা সঙ্গীত শিল্পী (গায়ক) পুরস্কারের তালিকা –

১৯৭৫ – শিল্পী আব্দুল আলীম – সুজন সখি।
১৯৭৬ – মাহমুন নবী – দ্যা রেইন।
১৯৭৮ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – গোলাপী এখন ট্রেনে।
১৯৭৯ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – সুন্দরী।
১৯৮০ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – কসাই।
১৯৮২ – এন্ড্রু কিশোর – বড় ভালো লোক ছিল।
১৯৮৪ – সুবীর নন্দী – মহানায়ক।
১৯৮৬ – সুবীর নন্দী – শুভদা।
১৯৮৭ – এন্ড্রু কিশোর – সেরেন্ডার।
১৯৮৯ – এন্ড্রু কিশোর – ক্ষতিপূরণ।
১৯৯০ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – গরিবের বউ।
১৯৯১ – এন্ড্রু কিশোর – পদ্মা, মেঘনা,যমুনা।
১৯৯২ – সৈয়দ আব্দুল হাদী – ক্ষমা।
১৯৯৩ – আজাদ রহমান – চাপাবাজ।
১৯৯৪ – খালিদ হাসান মিলু – হৃদয় থেকে নেওয়া।
১৯৯৫ – সাইদুর রহমান বয়াতী – নদীর নাম মধুমতি।
১৯৯৬ – এন্ড্রু কিশোর – কবুল।
১৯৯৭ – কিরণ চন্দ্রের – দুঃখী।
১৯৯৯ – সুবীর নন্দী – শ্রাবন মেঘের দিন।
২০০০ – এন্ড্রু কিশোর – আজ গায়ে হলুদ।
২০০১ – মনির খান – প্রেমের তাজ মহল।
২০০২ – মনির খান – লাল দরীয়া।
২০০৩ – বসির আহম্মেদ – কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি।
২০০৪ – সুবীর নন্দী – মেঘের পরে মেঘ।
২০০৫ – মনির খান – দুই নয়নের আলো।
২০০৬ – আসিফ আকবর – রানী কুটির বাকি ইতিহাস।
২০০৭ – এন্ড্রু কিশোর – সাজঘর।
২০০৮ – এন্ড্রু কিশোর – কি যাদু করিলা।
২০০৯ – কুমার বিশ্বজিৎ – স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা।
২০১০ – এস আই টুটুল – ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না।
২০১১ – কুমার বিশ্বজিৎ – মা আমার চোখের মণি।
২০১২ – পলাশ – ক্ষুদার পড়ে।
২০১৩ – চন্দন সিনহা – পূর্ণ দৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী।
২০১৪ – জেমস – দেশা: দ্যা লিডার।
২০১৫ – সুবীর নন্দী – মহুয়া সুন্দরী।
২০১৫ – এস আই টুটুল – বাপজানের বাইস্কোপ।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn1Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us