সংবাদ শিরোনাম

২৯শে মার্চ, ২০১৭ ইং

00:00:00 বুধবার, ১৫ই চৈত্র, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ , বসন্তকাল, ২রা রজব, ১৪৩৮ হিজরী
টিভি প্রোগ্রাম টিভি অনুষ্ঠানসূচী আজ রোববার ১৯ মার্চ’২০১৭

টিভি অনুষ্ঠানসূচী আজ রোববার ১৯ মার্চ’২০১৭

পোস্ট করেছেন: Nsc Sohag | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ১৯, ২০১৭ , ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: টিভি প্রোগ্রাম

দেশটিভি

দেশ টিভি অনুষ্ঠানমালা ১৯ মার্চ, রবিবার
সময় অনুষ্ঠান
সকাল ৭:৩০ দেশ সংবাদ
সকাল ৮:০০ সিনেমার সকাল: জগত সংসার
সকাল ১০:০০ দেশ সংবাদ
দুপুর ২:০০ দেশ সংবাদ
দুপুর ৩:৩০ গান আর গান
বিকাল ৫:০০ দূরশিক্ষণ অনুষ্ঠান: দূরপাঠ (সরাসরি)
বিকাল ৬:০০ শিশুদের জন্যে কার্টুন: বার্নি
সন্ধ্যা ৬:৩০ সংস্কৃতি সারাদেশ
সন্ধ্যা ৭:০০ দেশ সংবাদ
রাত ৭:৪৫ বরেণ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথোপকথন: বেলা অবেলা সারাবেলা
রাত ৯:০০ সংবাদ
রাত ৯:৪৫ ধারাবাহিক নাটক: কম-ইউনিটি
রচনা ও পরিচালনা: আর বি প্রীতম।
অভিনয়ে: লুতফর রহমান জর্জ, কুমকুম হাসান, অপূর্বা, জোভান,
আব্দুল হান্নান সেলি, শামিমা নাজনিন, অপর্না প্রমুখ।
রাত ১০:৩০ ধারাবাহিক নাটক: দ্যা কর্পোরেট
রচনা ও পরিচালনা: আলভী আহমেদ।
অভিনয়ে: শহীদুজ্জামান সেলিম, প্রভা, হিল্লোল, উর্মিলা, মৌটুসী বিশ্বাস, সমাপ্তি মাসুক,
রাশেদ মামুন অপু, তাজিন আহমেদ, নাফিসা চৌধুরি নাফা প্রমুখ।
রাত ১১:০০ দেশ সংবাদ
রাত ১১:৪৫ টক শো: সোজা কথা (সরাসরি)
রাত ১২:৩০ গাজী গ্রুপ টোটাল স্পোর্টস
রাত ১:০০ দেশ সংবাদ

ধারাবাহিক নাটক: কম-ইউনিটি
রচনা ও পরিচালনা: আর বি প্রীতম
দেশ টিভিতে প্রচারিত হবে প্রতি শনি থেকে সোমবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে
অভিনয়ে: লুতফর রহমান জর্জ, কুমকুম হাসান, অপূর্বা, জোভান, আব্দুল হান্নান সেলি, শামিমা নাজনিন, অপর্না, শরমি, নিশা, সাজ্জাদ, আব্দুল্লাহ রানা, তন্নি, সাবরিনা, নীলাঞ্জনা নীলা, শাওন, অশিন, প্রনিল আরও অনেকে।

কমিউনিটির নবীন এবং প্রবীণ সকল বাসিন্দা প্রতিদিন একবার করে হলেও মেহেরিন ম্যাডাম কে দেখতে ব্যাকুল হয়ে থাকে। কখনো লিফট, কখনো গেইট, কখনো তার দরজার সামনে ভিড় লেগেই থাকে। মেহেরিন ম্যাডাম ও বিষয়গুলো খেয়াল করে। এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর হটাৎ একদিন সবাই লক্ষ্য করে মেহেরিন ম্যাডাম এর ফ্ল্যাট এর নেইম প্লেটে মেজর রায়হান আনসারি নাম। কারো বুঝতে বাকি থাকে না যে সে মেহেরিন ম্যাডাম এর হাজবেন্ড। আলী আশরাফ অ্যাপার্টমেন্টের ২য় ফ্লোরে থাকেন। ছেলে রিয়াদ অস্ট্রেলিয়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। আর মেয়ে এ্যালেনা নর্থ সাউথে। রিয়াদ মূলত দেশের একটি সুনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই সেমিস্টার শেষে গ্রাজুয়েশান কমপ্লিট করার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় চলে যায়। রিয়াদ মূলত কোন একটা সিধান্ত নিয়ে বেশী দিন অটল থাকতে পারে না। হটাৎ করে সিধান্ত নিলো অস্ট্রেলিয়া থেকে গ্রাজুয়েশান শেষ করবে, এখন তার চালচলন অন্য সিধান্তের বহিঃপ্রকাশ। প্রায় কিছুদিন পরপরই দেশে এসে থাকে। বাবা মা কিছু জিজ্ঞাসা করলে ঠিকঠাক মত উত্তর দেয় না। আপর দিকে এ্যালেনা বাবার খুব আদরের মেয়ে এবং শান্ত স্বভাবের। বাবা মার সাথেই আড্ডা দিতে পছন্দ করে। ভালো গিটার বাজায়। বাবার আবসর সময়ে বাবাকে গান শুনায়। বাবার ইচ্ছা বিয়ের পর এ্যালেনাকে কাছাকাছি একটা ফ্যাল্ট কিনে দিবে যাতে ইচ্ছে করলেই বাবা এ্যালেনার সাথে গিয়ে দেখা করতে পারে। গল্পের পরিক্রমায় পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেয়। মিসেস আশরাফ মূলত বিয়ের আগে কোন এক সুপার মডেল কন্টেস্টে টপ টেন ছিলো। বাবা মার চাপে আশরাফ সাহেবের সাথে বিয়ে করে সংসারী হতে হয়। তার সারা জীবনের ক্ষোভ তার বিয়ে দিয়ে না দিলে সে আজ সুপার মডেল থাকতো। আলী আশরাফ মূলত যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকে সে এখন সেই অ্যাপার্টমেন্টের বর্তমান সভাপতি। অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসকারী সবার সুযোগ সুবিধার কথা ও সোহার্দ্যপুর্ন আচরন বজায় রাখার জন্য সবার ঐক্যমতে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।
আলী আশরাফের ঠিক উপরের ফ্লোরে থাকেন তোফায়েল রশিদ চৌধুরী। তিনি মূলত এই অ্যাপার্টমেন্টের প্রাক্তন সভাপতি। তোফায়েল সাহেব কি কি বিষয়ে আশরাফ সাহেবের ব্যপারে বিশাদাগার করতে পারেন তা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। বিল্ডিং এর লিফট কেনো রাত ১১ টার পর বন্ধ হয়ে যাবে। ছাদে কেনো কেউ যেতে পারবে আবার কেনই বা পারবে না তার হিসাব করতে করতেই সময় পার করে দেন। বর্তমান সভাপতির কি কি অক্ষমতা তা তুলে নিয়ে এসে বিশাদগর করায় তার কাজ। তোফায়েল চোধুরির ধারণা ভদ্র ভাষায় আশরাফ সাহেব যতই সবার মণোযোগ আকর্ষন করুক না কেনো দরাজ কণ্ঠ ছাড়া কোন দিনই সুষ্ঠু ভাবে কোন সংগঠন চালানো সম্ভব না। তোফাইল সাহেবের দুই মেয়ে। বড় মেয়ে পিয়ার বিয়ে হয়েছে তিন বছর। মেহেদী-পিয়া প্রেম করে বিয়ে করলেও বিয়ের পর তাদের সংসার এর সুখ ছয়মাসও স্থায়ী হয়নি। বিয়ের পর পিয়া বুঝতে পারে মেহেদী মাদকাসক্ত, মেহেদী মূলত খুবই রগচটা স্বভাবের, মেজাজ খারাপ হলে সে সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। পিয়া মেহেদীর এই ধরনের আচরণ বেশীদিন মেনে নিতে পারেনি। পিয়া নিজ ইচছায় বিয়ে করে তাই তার মধ্যে সারাক্ষণ এই অপরাধ বোধটা কাজ করে। মেহেদীর সাথে তার এখনো ডিভর্স হয়ে যাইনি তাই মাঝে মাঝে এখনো মেহেদি এসে পিয়ার সাথে দেখা করে যায়। ছোট মেয়ে সাইনা সারাদিন ঘুরে বেড়াতে ও সাজসজ্জা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। বন্ধুদের সাথে সারাদিন আদ্দাবাজি করেই তার সময় কাঁটে, কিন্তু একটু হিংসুটে স্বভাবের। একদিন তাদের ফ্রেন্ডের মধ্যে একজন খুন হয় এবং ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়। তোফায়েল সাহেব এর বউ বদ মেজাজি। তোফাইল সাহেব মূলত শ্বশুরের টাকায় বিজনেস করে আজকের এই অবস্থানে আসছে। ফ্যামেলীর যে কোন সিধান্ত মিসেস তোফাইল দিয়ে থাকেন। মিসেস তোফাইল ছিলেন বাবার একমাত্র আদুরে কন্যা। তাই তার বাবার কথা সে বিভিন্ন কথায় কথায় বলতে থাকে। এই অ্যাপার্টমেন্টে আরেকটি ফ্লাটে যারা থাকেন তাদের উপর কম বেশি সবাই অতিস্ট, তার একমাত্র প্রধান কারণ তারা ব্যাচেলর, এবং তারা চারজনই নিজেদের কর্মকা-ে তার ই প্রমান রাখে , কখনো ফুল ভলিউমে ¯িপকারে গান শুনা,কখনো রাতের বেলা গেইট বন্ধ করার পরেও গার্ড কে পটিয়ে চা খেতে যাওয়া, বুয়া আসে না বলে প্রায়ই এর বাসা ওর বাসায় হানা দেয়, গার্ড এর মাদ্ধমে মেয়ে বন্ধুদের নিয়ে আসা যা আরেক গার্ড বলে দেয় সবাইকে । এভাবে তারা এপার্টমেন্টের আলোচনার বিষয় হয় প্রায় ই।

এই আপার্টমেন্টের প্রতিটি চরিত্রই যার যার বৈশিষ্ট অনুযায়ী চলতে থাকে, এই চলার পথেই কখনো হাসি কখনো দুঃখের দেখা পাওয়া যায় আবার কখনো দেখা পাওয়া যায় চরম রোমাঞ্চকর পরিস্থিতির ।

ধারাবহিক নাটক: দ্যা কর্পোরেট
রচনা ও পরিচালনা: আলভী আহমেদ
অভিনয়ে: শহীদুজ্জামান সেলিম, প্রভা, হিল্লোল, উর্মিলা, মৌটুসী বিশ্বাস, সমাপ্তি মাসুক, রাশেদ মামুন অপু, তাজিন আহমেদ, নাফিসা চৌধুরি নাফা, ডায়না, মাসুদা বিজলি, তুষার মাহমুদ, মোস্তাফিজ শাহীন
দেশ টিভিতে প্রচারিত হবে প্রতি শনি থেকে সোমবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে
সিগনেচার একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা এই। সংস্থার কর্ণধার নুসরাত। রেইনবো ইন্টারন্যাশনাল আরেকটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা। এই সংস্থার কর্ণধার রাজীব আহমেদ। বর্ণিত দুই বিজ্ঞাপনী সংস্থার কমন ক্লায়েন্ট হলো সেভেন রিংস গ্রুপ। সেভেন রিংস যেহেতু অনেক পণ্য তৈরী করে- তাই তাদের পণ্যের ব্রান্ডিং এবং মার্কেটিং এর জন্য কোনো না কোনো বিজ্ঞাপনী সংস্থার দারস্থ হতে হয়। সিগনেচার এর কর্ণধার নুসরাত এর সাথে আধো আধো একটা প্রেমের গুঞ্জন চালু আছে সেভেন রিংস এর কর্ণধার আদনান এর। খবরটা কতটুকু সত্যি কেউ জানে না- জাস্ট বাজার চলতি একটা গুজব। এদিকে রেইনবো’র কর্ণধার রাজীব খুব চতুর এবং ১০০ ভাগ প্রফেশনাল। সে নানান উপায়ে আদনানকে সন্তুষ্ট রাখে। আদনানকে সে নানানপ্রকার প্রিভিলাইজ দেয় এবং ইচ্ছা করেই দেয়। আদনানকে সন্তুষ্ট রাখতে রাজীব এবং নুসরাত এর মধ্যেকার দ্বন্দ্ব এই ধারাবাহিক এর মূল উপজীব্য। বিষয়টাকে ভালভাবে নেয় না রাজীব। নুসরাত যেন কাজটা কোনোভাবেই সাকসেসফুলি সম্পন্ন করতে না পারে- সেজন্য সে ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। আদনানকে নানানভাবে বোঝায়। আদনান এর অফিস এ আদনান এর সাথে জড়িত সকল কর্মচারীকে সে টাকার জোরে কিনে নেয়। এদিকে আদনান সত্যি সত্যিই একেবারে শেষ মোমেন্ট এ বেকে বসে। টিভিসি’র শুটিং বন্ধ করতে বলে নুসরাতকে। কিন্তু, নুসরাত এর ফুল টিম ততক্ষণে কক্সবাজার চলে গেছে এবং শুটিং শুরু হয়ে গেছে।
নুসরাত বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদনানকে ইমোশনাল ব্লাকমেইল করে। একই সাথে ব্লাফ দেয়। ব্লাফ দিয়ে বলে সে টিভিসিটা শুটিং করবে এবং অন্য আরেকটা যে কম্পানী মার্কেটে একইসাথে বিউটি সোপ লঞ্চ করছে- টিভিসিটা বানাবে তাদের জন্য। সেখানে তার মুনাফাও বেশি। ব্লাফিং কাজে লেগে যায়। আদনান কাজটা আবার দিয়ে দেয় নুসরাতকে। রাজীব এই ব্যাপারটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। সে ঠিক করে যে কোনোভাবেই হোক সে শুটিংটা হতে দেবে না। নুসরাত আনন্দিত হয়ে কক্সবাজার এ আবার শুটিং শুরু করতে বলে। টিভিসির নির্মাতা সুমন নায়িকা তমা খানকে এই সুখবর দিতে গিয়ে দেখে তমা খানকে তার হোটেল রুম এর মধ্যে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। শুরু হয় থানা পুলিশ। কক্সবাজার এ ব্যাপক পুলিশি তদন্তের মুখে অসহায় হয়ে পড়ে শুটিং ইউনিট। বাধ্য হয়ে নুসরাত কক্সবাজার যায়। এবং সবাইকে ছাড়ায়ে নিয়ে আসে। নুসরাত এর সন্দেহ স্বভাবতই গিয়ে পড়ে রাজীব এর ওপর। তমা হত্যা মামলায় রাজীব এর জড়িত থাকার সম্ভাবনা সে সরাসরি পুলিশকে গিয়ে বলে। রাজীব ফেসে যায় বাজেভাবে। রাজীব উল্টো কিছু এভিডেন্স যোগাড় করে যেখানে তমা হত্যার সাথে নুসরাত এর জড়িয়ে থাকার সম্ভাবনা প্রবল। চলে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ। আসলে নুসরাত বা রাজীব এর লোক তমাকে হত্যা করে নাই। করছে থার্ড কোনো পার্টি। যে থার্ড পার্টির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো নুসরাত এবং রাজীব এর গুডউইলে বাজেভাবে আঘাত করা এবং ব্যবসাটা এককভাবে নিয়ন্ত্রন করা।
এভাবেই কর্পোরেট জগত এর মানুষদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভালবাসা, হিংসা, প্রতিশোধ, হাসি, কান্না, হতাশা আর আশার মধ্য দিয়ে এই নাটকের কাহিনী এগিয়ে চলে। চলে প্রতিনিয়ত জিতে যাওয়া আর হেরে যাওয়ার নাগরদোলায় চড়া। চলে একদল উদ্যমী তরুণ, তরুণীর আশা, আকাংখা, স্বপ্ন আর স্বপ্নভঙ্গর গল্প।

টকশো : সোজা কথা
চলমান রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দেশ টিভিতে রবিবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে টকশো সরাসরি অনুষ্ঠান ‘সোজা কথা’। অনুষ্ঠানটি পালাক্রমে উপস্থাপনা করেন মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মুনীরুজ্জামান ও সুকান্ত গুপ্ত অলক। অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিশিষ্ট রাজনীতিক, অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবি, পেশাজীবি, শিক্ষক, সাংসদ ও মন্ত্রীবর্গ। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করছেন মশিউর রহমান নিবিড়।


এটিএন বাংলার অনুষ্ঠানসূচী/রবিবার/১৯ মার্চ’ ২০১৭
১০টা ৩৫মিঃ ইটালিয়ানো এ্যাকশন মুভি টাইমে পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি ‘ডন’ পরিচালনাঃ এ জে রানা।
১১টা ০০মিঃ এটিএন বাংলা সংবাদ
০২টা এটিএন বাংলা সংবাদ
০৩টা ১৫মিঃ টক শো ‘মেডিপ্লাস ওরাল ওয়ার্ল্ড হেলথ ডে ২০১৭’, উপস্থাপনা- ডা. তাজিন রফিক,
পরিচালনা- শাহেদ দৌলা খান।
০৩টা ৪৫ মিঃ ছোটদের অনুষ্ঠান ‘নীলগিরি’, পরিচালনা- নাহিদ রহমান ও লবী রহমান।
০৪টা এটিএন বাংলা সংবাদ।
০৪.২০মিঃ আইন বিষয়ক সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান ‘ল এন্ড অর্ডার’, পরিচালনা- নাহিদ রহমান ও লবী রহমান।
০৬টা ইংরেজি সংবাদ
০৬টা ১৫মিঃ স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান ‘ড্রিংকিং ওয়াটার পিউরিফায়ার সুস্থ থাকুন’ (পর্ব-৫৯)
উপস্থাপনাঃ ডা. সহেলী আহমেদ সুইটি, প্রযোজনাঃ কুইন রহমান।
০৭টা এটিএন বাংলা সংবাদ
০৮টা ধারাবাহিক নাটত ‘রূপালী প্রান্তর’ (পর্ব-৬৬) রচনাঃ রিজওয়ান খান, পরিচালনাঃ কায়সার আহমেদ।
অভিনয়েঃ শহীদুজ্জামান সেলিম, মোশাররফ করিম, শখ, নিলয়, অহনা, আলভি, আখম হাসান, নোভা, ছন্দা, অরিন, চিত্রলেখা গুহ, বাবুল আহমেদ, তমালিকা, ওবিদ রেহান, সোহান খান, ইভানা, রিক্তা, সুস্মিতা, আব্দুর রাতিন, সুবর্না মজুমদার, শিরিন বকুল প্রমুখ।।
০৮টা৪০মিঃ ইফাদ মাল্টিপ্রোডাক্টস নিবেদিত ধারাবাহিক নাটক ‘ডিবি’ (পর্ব- ৪৮৯) রচনাঃ মাহবুবা শাহরীন,
পরিচালনাঃ জি এম সৈকত।
অভিনয়েঃ ডি এ তায়েব, সৈয়দ শুভ্র, ইউসুফ রাসেল, মিমো, ছবি, হীরা প্রমুখ।
০৯টা ২০মিঃ প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ (পর্ব-১৪৯) রচনা- শফিকুর রহমান শান্তুনু, পরিচালনা- বি ইউ শুভ।
অভিনয়েঃ শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমা প্রমুখ।
১০টা এটিএন বাংলা সংবাদ
১০টা ৫৫মিঃ ধারাবাহিক নাটক ‘রাজু ৪২০’ (পর্ব-২৯) রচনা- জাকির হোসেন উজ্জল, পরিচালনা-জাহিদ হাসান।
অভিনয়ে: জাহিদ হাসান, অর্ষা, তারেক স্বপন, রাশেদ মামুন অপু, আলী রাজ, শবনম পারভিন, লুৎফর রহমান জর্জ, আনিসুর রহমান, শামীম হোসেন, মমিন বাবু নিজে।
১১টা ৩০মিঃ ধারাবাহিক নাটক ‘নীড় খোঁজে গাঙচিল’ (পর্ব ৫৬৭), রচনা ও পরিচালনাঃ মোহন খান। (২২ মিনিট)
অভিনয়েঃ শাহেদ শরীফ খান, মীর সাব্বির, শোয়েব, হাসান মাসুদ, আরফান, চাঁদনী, নওশিন, সাবাবা মোহন, মিতা নূর, সোমা, ফারজানা ছবি, মাহমুদজ্জামান সেলিম প্রমুখ।
১২টা সংবাদ পর্যালোচনামূলক অনুষ্ঠান ‘পাওয়ার টক শো’ সরাসরি সম্প্রচার। উপস্থাপনা ও পরিচালনা- জ. ই. মামুন।
০১টা এটিএন বাংলা সংবাদ
০১টা ২০মিঃ প্রাণ চানাচুর নিবেদিত ছায়াছবির গান নিয়ে অনুষ্ঠান ‘সিনে মিউজিক’ (পর্ব-৬২৮)

[প্রতি ঘন্টার সংবাদ : সকাল ৭টা, ৮টা, ১১টা, দুপুর ১২টা, ১টা, বিকেল ৩টা ও ৪টা। ইংরেজী সংবাদ সকাল ৯টা ও সন্ধ্যা ৬টা]
হা । ই । লা । ই । ট । স
রবিবার, ১৯ মার্চ ২০১৭

ধারাবাহিক নাটক ‘রাজু-৪২০’
এটিএন বাংলায় আজ (১৯ মার্চ) রাত ১০টা ৫৫মিনিটে প্রচারিত হবে দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক ‘রাজু ৪২০’। জাকির হোসেন উজ্জলের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ হাসান। ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন অর্ষা, তারেক স্বপন, রাশেদ মামুন অপু, আলী রাজ, শবনম পারভিন, লুৎফর রহমান জর্জ, আনিসুর রহমান, শামীম হোসেন, মমিন বাবু এবং জাহিদ হাসান নিজে।  রাজু একজন দূর্ধষ প্রতারক। বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন মানুষকে ঠকিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আতœসাৎ করাই ওর লক্ষ। রাজু নামের পাশাপাশি সাইদুল ইসলাম, আরেফিন আহমেদ, ইসতিয়াক আহমেদ, আবুল কাসেম ইত্যাদি নানান নাম বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করে সে। এমনকি এইসব নামের ভিজিটিং কার্ড এবং আইডি কার্ডও সে সংগ্রহ করে রেখেছে। নিজের কাজের সুবিধার জন্য সে কখনো পুলিশ, কখনো উকিল, কখনো ডাক্তার, কখনো ভিক্ষুক, কখনো রিক্সাওয়ালা, কখনো সচিব, কখনো মন্ত্রীর পিএস আবার কখনো ম্যাজিস্টেটের রূপ ধরে। সবধরণের পোষাক আষাকই আছে তার স্টকে। পোষাকের সাথে সামঞ্জস্য বিভিন্ন গেটআপ নেয়ায়ও পারদর্শি সে। জানে বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা। সময় এবং সুযোগ বুঝে যা ব্যবহার করে। কখনো অতি বোকা কখনো অতি চালাক এবং কখনো সিজনাল পাগল সাজে। কখনো গোফ ওয়ালা, কখনো গোফ ছাড়া, চুল-দাঁড়ি পরিবর্তন সহ বিভিন্ন গেটাফে দেখা যায় তাকে। এমনকি কানা-খোঁড়া বা প্রতিবন্দিও সাজতে হয় প্রয়োজন মতো। প্রচন্ড বুদ্ধিমান একজন প্রতারক হওয়ায় আজ পর্যন্ত বড় ধরণের কোন বিপদে পড়তে হয়নি। দু একবার পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও বুদ্ধির কারণে কৌশলে ঠিকই পার পেয়ে যায়। রাজুর প্রতারণার একটা ধরণ বা বিশেষত্ব আছে। আর তা হল সে কখনো কোন সৎ লোকের সাথে প্রতারণা করে না। সহকারীদের সহযোগীতায় খুঁজে খুঁজে সমাজের অসৎ এবং অন্যায় ভাবে প্রতিষ্ঠিত লোকদের তথ্য যোগার করে তাদের অবৈধ টাকা হাতিয়ে নেয়াই ওর লক্ষ।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn2Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us