সংবাদ শিরোনাম

২৮শে মার্চ, ২০১৭ ইং

00:00:00 বুধবার, ১৫ই চৈত্র, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ , বসন্তকাল, ১লা রজব, ১৪৩৮ হিজরী
অর্থনীতি, চট্টগ্রাম রাজস্ব ৬০ শতাংশ চট্টগ্রাম থেকেই চট্টগ্রামকে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই: শিল্পমন্ত্রী আমু

রাজস্ব ৬০ শতাংশ চট্টগ্রাম থেকেই চট্টগ্রামকে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই: শিল্পমন্ত্রী আমু

পোস্ট করেছেন: Nsc Sohag | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২০, ২০১৭ , ১২:২৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অর্থনীতি,চট্টগ্রাম

রাজস্ব ৬০ শতাংশ চট্টগ্রাম থেকেই চট্টগ্রামকে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই

শফিক আহমেদ সাজীব,  ২০ মার্চ ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশের আমদানি রপ্তানির সিংহভাগ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সম্পন্ন হয়। আর জাতীয় রাজস্ব আয়ের ৬০ শতাংশ এ চট্টগ্রাম থেকেই আহরিত হয়। সুতরাং চট্টগ্রামকে অবহেলার কোন সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বন্দুকের জোরে ক্ষমতায় আসীন হওয়া প্রেসিডেন্ট এরশাদ ও জিয়া দু’জনই উত্তরবঙ্গের। দু’জনের আমলেই উত্তরবঙ্গ ও মঙ্গা সমার্থক ছিল। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এ মঙ্গার কথা ভুলতে বসেছে উত্তরবঙ্গের মানুষ।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৩০ লাখ শহীদ, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য প্রতিচ্ছবি, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক আখ্যায়িত করে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, উল্লেখিত কারণে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যখন ক্ষমতায় আসেন তখন মনে করেন তাকে (প্রধানমন্ত্রী) ষোলকোটি মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে একটি স্বাধীন দেশ দিয়ে গেছেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে উন্নয়ন ও অগ্রগতি দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী সবসময় নিজেকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো একজন মনে করেন।

গতকাল রোববার বিকেলে পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ২৫তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন মন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি আরো বলেন, জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে নিয়ে মন্ত্রীসভা গঠন করে বিএনপি ৩০ লাখ শহিদের আত্মাকে অপমান করেছিল। আর জননেত্রী ক্ষমতায় এসে রাজাকার আলবদর নেতাদের বিচার করে শহীদদের আত্মাকে শান্তি দিয়েছেন।

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, জিডিপিতে ব্যবসায়ীদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত চিহ্নিত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করতে হবে। তিনি বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বেগবান করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে রিং রোড নির্মাণ করে যানজট নিরসন ও শহরের মূল সড়কের উপর অত্যাধিক চাপ হ্রাস করা সম্ভব।

এফবিসিসিআইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন) বলেন, বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য বিকাশে বিশেষ করে রপ্তানী পণ্যের প্রচার, বাজার সম্প্রসারণ এবং পণ্যের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন একটি প্রয়োজনীয় ও যথার্থ উদ্যোগ। তিনি রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে দেশীয় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি কারখানার উৎপাদন পরিবেশ, নিরাপত্তা ও কমপ্লায়েন্স বিষয়গুলো প্রতিপালনের উপর অধিকতর গুরুত্ব দিতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাহবুবুল আলম বলেন, দেশে উৎপাদিত পণ্যের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিপননে এ মেলার ব্যাপক ভুমিকা রয়েছে। এ লক্ষে মেলা আয়োজনের জন্য আমরা একটি স্থায়ী ভ্যানু চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা হয়ে উঠেনি। তাই প্রতিবছর মেলা আয়োজনে আমাদের কষ্ট হয়। চট্টগ্রাম চেম্বার শুধু নয়, বড় পরিসরে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন চেম্বার ও ওমেন চেম্বারও নগরীতে মেলা করে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে একটি স্থায়ী ভ্যানু এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তিনি এক্ষেত্রে রেলওয়ের বিপুল অব্যবহৃত জায়গার কথা উল্লেখ করেন।

চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মেলা কমিটির চেয়ারম্যান নুরুন নেওয়াজ সেলিম বলেন, এ মেলা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক বৃত্তে আবদ্ধ নেই। এটা বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবেও পরিগণিত হচ্ছে। এছাড়া ব্যবসা বাণিজ্যের গতি বাড়ানো ও বেসরকারি খাতের উন্নয়নে এ মেলা সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার অনরারি কনসাল, ভারতের সহকারি হাইকমিশনার, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn1Digg thisShare on Tumblr0Email this to someonePin on Pinterest0Print this page

comments

Bangla Converter | Career | About Us