ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মার্চ ৫, ২০২০

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৬ চৈত্র, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ১৫ শাবান, ১৪৪১

ক্রিকেট, লিড নিউজ অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন মাশরাফি

অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন মাশরাফি

নিরাপদনিউজ: অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন জাতীয় দলের সর্বকালের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। আজ বৃহস্পতিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।

মাশরাফি বলেন, ‘কালকে আমার শেষ ম্যাচ। আমার প্রতি দীর্ঘদিন ধরে আস্থা রাখার জন্য ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাই। ধন্যবাদ জানাই, আমার নেতৃত্বে যত প্লেয়ার খেলেছে, তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘আমি শিউর এ প্রক্রিয়াটা সহজ ছিল না, লাস্ট পাঁচ-ছয় বছরের যে জার্নি ছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই, যাদের আন্ডারে আমি খেলেছি বা আমি ক্যাপ্টেন্সি করেছি। তারা সবাই আমাকে ক্লোজলি খুবই সহযোগিতা করেছেন।’

নিজের অধিনায়কত্ব জীবন প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, ‘আমার ক্যাপ্টেন্সি শুরু হয় হাথুরুসিংহের সময়। তার আগে দুই একবার সুযোগ পেয়েছি কিন্তু ইনজুরির কারণে করতে পারিনি। হাথুরুসিংহে, খালেদ মাহমুদ সুজন, স্টিভ রোডস এবং আমার মনে হয় ডমিঙ্গো দিয়ে শেষ হচ্ছে।’

নির্বাচক ও বোর্ডের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচক কর্মকর্তারা যারা আছেন তারা শুরু করে প্রত্যেকটা বোর্ড স্টাফ, যারা ক্রিকেট বোর্ডে আছেন সবাইকে ধন্যবাদ, সহযোগিতা করার জন্য।’

সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনাদের, আপনারা যারা আছেন মিডিয়ার, সবাই অত্যন্ত সহযোগিতা করেছেন।’

সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে এ সময় তিনি বলেন, ‘সবশেষে অবশ্যই সমর্থক, যারা বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রাণ, আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এটা অবশ্যই সম্ভব হতো না। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

পুনরায় অবসরের ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অনন্য মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া এই অধিনায়ক বলেন, ‘আজকে আমি আনুষ্ঠাকিভাবে জাতীয় দলের অধিনায়ক থেকে সরে যাচ্ছি। অবসরে যাচ্ছি। আর আগামীকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে থার্ড ওডিআই অবশ্যই অধিনায়ক হিসেবে আমার শেষ ম্যাচ। খেলোয়াড় হিসেবে আমি অবশ্যই সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

অধিনায়ক হিসেবে মাশারাফি ৮৭ ম্যাচ খেলে ১০১ উইকেট নিয়েছেন। সর্বোচ্চ ২৯ রান দিয়ে পেয়েছেন চার উইকেট। ওভার প্রতি দিয়েছেন ৫ দশমিক ১২ রান।

অধিনায়ক না থাকা অবস্থায় ১৩২ ওয়ানডেতে নিয়েছেন ১৬৮ উইকেট। সেরা বোলিং ফিগার ২৬ রান দিয়ে ছয় উইকেট। ওভার প্রতি দিয়েছেন ৪ দশমিক ৭১ রান করে।

তার নেতৃত্বেই এক দিনের ক্রিকেটে বাংলাদেশ সাফল্য দেখেছিল। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের পর ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলে বাংলাদেশ। আইসিসির কোনো আসরে এটাই বাংলাদেশের সেরা অর্জন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)