ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২ মিনিট ১৪ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৭ রবিউস-সানি, ১৪৪১

ধর্মকর্ম আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন ও আল হাদিস

আল কোরআন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

৪৭. আহলে ইঞ্জিলের উচিত আল্লাহ তাতে যা কিছু অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী হুকুম প্রদান করা, আর যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী হুকুম প্রদান করে না, তারাই পাপাচারী, ফাসেক।

৪৮. আমি তোমার প্রতি সত্যসহ কিতাব অবতীর্ণ করেছি, পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের সত্যায়নকারী ও সংরক্ষকরূপে। অতএব, তুমি তাদের পারস্পরিক বিষয়ে আল্লাহর অবতারিত এই কিতাব অনুযায়ী মীমাংসা কর, যা তুমি প্রাপ্ত হয়েছ, তা থেকে বিরত হয়ে তাদের প্রবৃত্তি অনুযায়ী কাজ কর না, তোমাদের প্রত্যেকের (সম্প্রদায়) জন্য আমি নির্দিষ্ট শরীয়ত এবং নির্দিষ্ট পন্থা নির্ধারণ করেছিলাম; আর যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তাহলে তোমাদের সকলকে একই উম্মত করে দিতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি এই কারণে যে, যে ধর্ম তিনি তোমাদেরকে প্রদান করেছেন যাতে তোমাদের সকলকে পরীক্ষা করবেন, সুতরাং তোমরা কল্যাণকর বিষয়সমূহের দিকে ধাবিত হও; তোমাদের সকলকে আল্লাহরই সমীপে প্রত্যাবর্তন করতে হবে, তখন তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবেন যে বিষয়ে তোমরা মতবিরোধ করছিলে।

আল হাদিস
ঈমান ও তার বৈশিষ্ট্যসমূহের বিবরণ
৫। আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী (সা) লোকজন নিয়ে বসেছিলেন। এমতাবস্থায় একজন লোক এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলো, “ঈমান কি?” তিনি বললেন, “ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তা, (হাশরের দিন) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর বিশ্বাস রাখবে। মৃত্যুর পর আবার জীবিত হতে হবে তার উপর বিশ্বাস রাখবে।” লোকটি (আবার) জিজ্ঞেস করলো, “ইসলাম কি?” তিনি বললেন “ইসলাম হলো, তুমি আল্লাহর বন্দেগী করবে এবং তাঁর সাথে কাউকে শরিক করবে না সালাত কায়েম করবে, নির্ধারিত হারে (ফরয) যাকাত আদায় করবে ও রমজান মাসে (সিয়াম) রোযা রাখবে।” লোকটি পুনরায় জিজ্ঞেস করলো, “ইহসান কি?” তিনি বললেন, “ইহসান হলো তুমি এমনভাবে আল্লাহর বন্দেগী করবে, যেন তাঁকে দেখছো। যদি মনের অবস্থা এমন না হয়, তবে অন্তত তিনি তোমাকে দেখছেন এটা ভাবতে হবে। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো; “কিয়ামত কখন হবে”? তিনি বললেন, “এ বিষয়ে জিজ্ঞাসিত ব্যক্তি জিজ্ঞাসাকারীর চেয়ে বেশি জানে না। তবে আমি তার কতিপয় নিদর্শন বলে দিচ্ছি। যখন বাঁদী-দাসী তার মনিবদের জন্মদেবে এবং কালো উটের রাখালরা দালান-কোঠায় বসে গর্ব-অহংকার করবে। যে পাচঁটি বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না, কিয়ামত তাদেরই একটি। এরপর নবী (সা) এ সম্পর্কিত কুরআনের আয়াতটি
শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। এরপর লোকটি চলে গেল। তিনি আল্লাহর রাসূল বললেন, তোমরা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসো। কিন্তু সাহাবীগণ গিয়ে কাউকেই দেখতে পেলেন না। তখন রাসূল (সা) বললেন, “ইনি জিব্রাঈল; লোকজনকে তাদের দীন সম্পর্কে জ্ঞানদানের জন্য এসেছিলেন।
(বুখারী-কিতাবুল ঈমান)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)