ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জুন ২৬, ২০১৯

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ মাঘ, ১৪২৬ , শীতকাল, ২৬ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১

এই দিনে ইতিহাসের এই দিনে

ইতিহাসের এই দিনে

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস
বিশ্বব্যাপী ২৬ জুনকে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। মাদকের বিস্তার ও পাচার বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা। এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উদ্দেশ্যে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক সাংস্কৃতিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয় ।
১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪২তম অধিবেশনে প্রতিবছর ২৬ জুন এ দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাদক দ্রব্যের ব্যবহার ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি ও এর বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখার জন্য সমাজকে উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘভুক্ত সকল দেশে দিবসটি পালিত হয়। এই সংক্রান্ত কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশেও ১৯৯০ সাল থেকে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
মাদকের অপব্যবহার ও মাদকাসক্তি পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই আজ একটি গুরুতর সমস্যা। জনসাধারণের মধ্যে মাদকাসক্তির বিস্তৃতি দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক আবরণের ওপর অশুভ প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশেও আশির দশক থেকে মাদকের ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার জাতিকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশে মাদকাসক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিশ্বে মাদকাসক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি হারের প্রায় দ্বিগুণ। এদেশের মাদকাসক্তের অধিকাংশই তরুণ। শতকরা ৮৫ ভাগ মাদকাসক্তের বয়স ১৫ থেকে ২৯ এর মধ্যে । মাদকাসক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান খুবই নাজুক। মাদক উৎপাদনকারী গোল্ডেন ট্রাংগেল ও গোল্ডেন ক্রিসেন্টের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশকে ঘিরে গোল্ডেন ট্রাংগল সৃষ্টিকারী তিনটি মাদক উৎপাদনকারী দেশ হলো মায়ানমার থাইল্যান্ড ও লাওস এবং গোল্ডেন ক্রিসেন্ট সৃষ্টিকারী দেশগুলো হলো পাকিস্তান,আফগানিস্তান ও ইরান।

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ মাদক পাচারের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহার ও পাচার বিষয়টি গুরুত্ব বিবেচনায় বিগত দশকের শুরুতে সরকারী ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। Maybe plan on Drug Nose control in Bangladesh’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আর্থিক ও কারিগরী সহায়তাকারী হচ্ছে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (ইউএনডিসিপি)।

মাদকমুক্ত একটি সমাজ গঠনের প্রয়াস নিয়ে আশির দশকে সরকার প্রতিষ্ঠা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এই অধিদপ্তরের নানামুখী কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা কর্ম ও মাদক অপরাধের সংবাদ সংগ্রহ, মাদক অপরাধ দমন অভিযান, তল্লাশি, অবৈধ মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতার, মাদক অপরাধের বিচার ও সাজা, প্রশিক্ষণ নিরোধ শিক্ষা ও মাদক বিরোধী প্রচারাভিযান, মাদকাসক্তি চিকিৎসা, পুনর্বাসন, লাইসেন্সিং ও মাদক শুল্ক।

(আন্তর্জাতিক নির্যাতন বিরোধী দিবস)
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এ দিবসটির প্রচলন বা আয়োজন নেই। নির্যাতনের বিভিন্নরকম প্রকারভেদ আছে। নির্যাতন শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক বিভিন্নরকম হতে পারে। সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তির মতো জাতিসংঘের বিভিন্ন দলিলে নির্যাতনের বিরুদ্ধে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ১৯৮৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক অথবা মর্যাদাহানিকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশন গ্রহণ করে। ১৯৮৭ সালের ২৬ জুন তা কার্যকর হয়।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সুপারিশ অনুযায়ী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৯৭ সালের ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রতি বছর ২৬ জুন নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৯৯৮ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়। বিশ্ব জুড়ে নির্যাতন বন্ধ ও নির্যাতন, অন্যান্য নিষ্ঠুরতা অমানবিক অথবা মর্যাদাহানিকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টিই দিবস পালনের লক্ষ্য ।
(আন্তর্জাতিক বণবৈষম্য বিলোপ দিবস)
২৬ জুনের আরেকটি অন্তর্জাতিক দিবস হচ্ছে আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস। মানব ইতিহাসের একটি ঘৃণিত বিষয় এ বর্ণবাদ। ১৯৪৮ সাল থেকে বর্ণবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর শুরু হয় বৈষম্যমূলক আচরণ। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার একের পর এক নিবর্তনমূলক আইনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের স্বাভাবিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত করতে থাকে। এর বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্ন আন্দোলনের ফলে কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর রাষ্ট্রীয় নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। ১৯৬০ সালের ২১ মার্চ বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। এতে প্রাণ হারায় ৬৯ জন কৃষ্ণাঙ্গ । এতে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে ওঠে। জাতিসংঘ বর্ণবাদ বৈষম্যের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয় ১৯৬২ সালে । ১৯৬৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ নিয়ে বিশদ আলোচনা হয় এবং ১৯৬০ সালের ২১ মার্চ বর্ণবাদীদের ওপর গণহত্যার ঘটনাটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
(জাহানারা ইমামের মৃত্যু)
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রুমীর মা শহীদ জননী খ্যাত জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার জন্ম ১৯২৯ সালের ৩ মে মুর্শিদাবাদের সুন্দরপুর গ্রামে। ১৯৪৭ সালে কলকাতা লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ থেকে বিএ পাসের পর ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল আলম ইমামের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। শিক্ষিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫১ তে ছিলেন সিদ্ধেশ্বরী স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড এবং বাংলায় এমএ পাসের পর স্কলারশিপ নিয়ে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ৬৬ তে দেশে ফিরে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে যোগ দেন। ৭১-এ পুত্র রুমীকে হারানোর শোকে জাহানারা ইমামের স্বামী শরিফুল হার্টফেলে মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ওপর তার স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি পাঠক প্রিয়তা অর্জন করে। তার প্রকাশিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে গজ কচ্ছপ, সাতটি তারার ঝিকিমিকি, নিঃসঙ্গ মাইন, ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস, প্রবাসের দিনগুলো অন্যতম। সাহিত্য কীর্তির জন্যে ১৯৯০ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পেয়েছেন। আশির দশকের শুরুতে ওরাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। জামায়াত নেতা অধ্যাপক গোলাম আযম বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ এবং বাম সংগঠনগুলো তাকে সামনে নিয়ে গঠন করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের একটি মহলে সমাদৃত ও আরেকটি মহলে বিতর্কিত হয়ে পড়েন। ১৯৯৪ সালে তার ক্যান্সার মারাত্মক রূপ ধারণ করলে তিনি চিকিৎসার্থে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। সেখানে ওই বছরেরই ২৬ জুন চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
১২৫৪ সালের এই দিনে ইতালীর বিশ্বখ্যাত পর্যটক মার্কোপোলো জন্মগ্রহণ করেন। মার্কোপোলোর বাবা ও চাচা ছিলেন খ্যাতনামা পর্যটক এবং তারা চীনের উত্তরাঞ্চল, মঙ্গোলিয়া, বর্তমান চীনের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলসহ পূর্ব তূর্কিস্তান ও ইরান ভ্রমণ করেছিলেন। এই অঞ্চলগুলো তখন চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরীর শাসনাধীন ছিল। মার্কোপোলো যৌবনে বাবার সাথে চীন সফরে গিয়েছিলেন এবং সেখানে বেশ কিছুকাল অবস্থান করেন। এ ছাড়াও তিনি এশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দ্বীপগুলোতে ভ্রমণ করেন। এইসব সফর শেষ করে তিনি ওয়ান্ডার্স বা বিস্ময়কর বিষয়াদি নামের একটি বই লিখেন। মার্কোপোলো তার এই বইয়ে চীন সফরের বৃত্তান্ত চীনের মঙ্গোলীয় স¤্রাটের দরবারসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশ ও শহরের বিবরণ তুলে ধরেন।
১৯২৭ সালের এ দিনে সবাক চলচ্চিত্র তার যাত্রা শুরু করে। চলচ্চিত্রের কলাকুশলীরা প্রথম থেকেই সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য চেষ্টা করছিলেন। ১৯২৬ সালে চলচ্চিত্রে বিভিন্ন ধরনের শব্দ ও সঙ্গীত বা মিউজিক জুড়ে দেয়া সম্ভব হয়। এর এক বছর পর চলচ্চিত্রের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কথপোকথনও অন্যান্য শব্দের সাথে জুড়ে দেয়া সম্ভব হয়। প্রথম সবাক চলচ্চিত্রের নাম জাজ সিঙ্গার বা “জাজ গায়ক”।
১৯৪৫ সালের এই দিনে সানফ্রান্সিসকো শহরে ৫০ টি দেশের প্রতিনিধির এক সম্মেলনে জাতিসংঘ গঠনের লক্ষ্যে জাতিসংঘের সনদ বা নীতিমালা গৃহীত হয়। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর এটাই ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন। জাতিগুলোকে পরস্পরের ঘনিষ্ঠ করা এবং জাতিগুলোর মধ্যে যুদ্ধ ও সংঘাতের মতো সংকট প্রতিরোধ করা ছিল জাতিসংঘ গঠনের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু দুঃখজনকভাবে জাতিসংঘ এক্ষেত্রে সফল তো হয়ই নি, বরং এর আগের বিশ্ব সংস্থা লীগ অব নেশনের চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে। কয়েকটি পরাশক্তি ভেটো ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিশ্বের বিভিন্ন জাতির ওপর তাদের অন্যায় ইচ্ছে চাপিয়ে দেয়ার কাজে এবং জাতিগুলোর অধিকার পদদলিত করার কাজে জাতিসংঘকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। জাতিসংঘকে ব্যবহার করে ফিলিস্তিনে অবৈধ ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এভাবে সেখানে ৬০ বছর ধরে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জাতিসংঘ ইরাক, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, কাশ্মীর, চচনিয়া ও বসনিয়ার মুসলমানদের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এইসব অঞ্চলে গণহত্যা ঠেকাতেও ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের মাধ্যমে খৃষ্টান অধ্যুষিত ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব তিমুরকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হলেও ফিলিপাইনের মিন্দানাও ও মরোর মুসলমানদের জন্য কিংবা বিশ্বের অন্য অনেক দেশের মুসলিম অঞ্চলের স্বাধীনতার দাবী জাতিসংঘের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতিসংঘের মাধ্যমে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচীর বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, অথচ একই জাতিসংঘ পরমাণু অস্ত্রধর ইসরাইলসহ পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী অন্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিশ্বের প্রায় ৬০ টি মুসলিম দেশ ও ১৫০ কোটি মুসলমানের জন্য জাতিসংঘে কোনো স্থায়ী আসন নেই। ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজা ও পশ্চিম তীর ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব প্রায় ৪০ বছর ধরে অমান্য করে আসছে। অন্যদিকে কাশ্মীরের ভাগ্য নির্ধারণের ব্যাপারে ভারতও প্রায় ৬০ বছর ধরে নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে আসছে।
১৯৬০ সালের এই দিনে মাদাগাস্কার দ্বীপ ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৯৪৮ সালে ফরাসী উপনিবেশবাদীদের বিরুদ্ধে মাদাগাস্কারের জনগণের বিদ্রোহ শুরু হলে উপনিবেশবাদীদের হামলায় প্রায় ৮০ হাজার স্বাধীনতাকামী জনতা নিহত হয়। আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র মাদাগাস্কারের আয়তন ৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৪১ বর্গ কিলোমিটার।

১৯৮১ সালের এই দিনে বর্তমান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াত্ল্লুাহিল উজমা খামেনেয়ী হত্যার প্রচেষ্টা থেকে বেঁচে যান। সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তাঁর একটি হাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তিনি বেঁচে যান। মোনাফেকীন গোষ্ঠী নামে পরিচিত পিপলস মুজাহিদীন দল তাঁর ওপর ঐ হামলা চালায়। সে সময় আয়াত্ল্লুাহিল উজমা খামেনেয়ী ছিলেন তেহরানের জুমা নামাজের খতিব এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা পরিষদে মরহুম আয়াতুল্লাহিল উজমা ইমাম খোমেনী (রঃ)’র প্রতিনিধি। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী বিপ্লবের রূপকার আয়াতুল্লাহিল উজমা খোমেনী (রঃ) বলেছিলেন, এবার ইসলামী বিপ্লবের শত্রুরা এমন এক ব্যক্তিকে হত্যার চেষ্টা করেছে যে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)’র উত্তরসূরী এবং হোসাইন বিন আলী (আঃ)’র বংশধর। ইসলাম ও ইসলামী দেশের সেবা করা ছাড়া তাঁর অন্য কোনো আপরাধ নেই এবং তিনি হলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি যুদ্ধের ময়দানে ত্যাগী সেনা, মসজিদের মেহরাবে শিক্ষাদানে সফল শিক্ষক, জুমা নামাজে ও জামায়াতে শক্তিশালী খতিব, বিপ্লবের অঙ্গনে আন্তরিক গাইড। তাঁর উন্নত রাজনৈতিক চিন্তাধারা, জনগণের প্রতি দরদ এবং অত্যাচারীদের ব্যাপারে কঠোরতা প্রমাণিত হয়েছে।

আজ থেকে এক হাজার ৩৯ বছর আগে এই দিনে বিখ্যাত আরব কবি ইবনে হেজাজ মারা যান। তিনি বাগদাদে জন্ম গ্রহণ করেন। হেজাজের লেখা দশ খন্ডের কাব্যগ্রন্থ বাগদাদের লাইব্রেরীতে সংরক্ষিত রয়েছে। এ ছাড়াও তার কাব্যগ্রন্থের অংশ বিশেষ বৃটেনের জাদুঘর ও ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সংরক্ষিত আছে। বিখ্যাত কবি মাহলাবি ইবনে হেজাজের বন্ধু ছিলেন।

এ ছাড়াও ২০০০ সালের এই দিনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের আওতায় টেষ্ট ক্রিকেটের দশতম সদস্যপদ লাভ করে, যদিও বাংলাদেশ ৮ বছর পর এখনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেনি টেষ্ট অঙ্গনে।

দুহাজার চার সালের এ দিনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জাফরুল্লাহ খান জামালী পদত্যাগ করেন। আজকের দিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো এ দিনটি বিশ্ব মাদক বিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

চৌহাসের যুদ্ধে শের শাহর কাছে হুমায়ুনের পরাজয় (১৫৩৯)
পেরু বিজয়ী স্পেনীয় বীর ফ্রানথিস্কো পিথাররোর মৃত্যু (১৫৪১)
রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের ব্রিটিশ সিংহাসনে আরোহণ (১৮৩০)
ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ জর্জের মৃত্যু (১৮৩০)
ইংরেজদের চীনের সাংহাই বন্দর দখল (১৮৪২)
সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নিরাপত্তা সনদে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর (১৯৪৫)
গণপ্রজাতন্ত্রী মালাগাছি নামে মাদাগাস্কারের স্বাধীনতা লাভ (১৯৬০)
সোমালিয়ার স্বাধীনতা লাভ (১৯৭৯)
লন্ডনে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পা-ুলিপি নিলামে । ভারত সরকারের ২৬৬০০ পাউন্ডে তা খরিদ (১৯৯১)
বাংলাদেশের কাছে ভারতের ৩ বিঘা করিডোর হস্তান্তর (১৯৯২)

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)