ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ফেব্রুয়ারি ১, ২০২০

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৬ চৈত্র, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ১৫ শাবান, ১৪৪১

টেনিস একে একে সব তারকার পতন: ফাইনালে মুখোমুখি দুই বিস্ময়কন্যা

একে একে সব তারকার পতন: ফাইনালে মুখোমুখি দুই বিস্ময়কন্যা

নিরাপদ নিউজ: একে একে সব তারকার পতন হয়ে গেলো। বাকি আছে দুই বিস্ময়কন্যা গারবিন মুগুরুজা এবং সোফিয়া কেনিন। এর মধ্যে মুগুরুজা আবার কিছুটা হলেও পরিচিত। দুটি গ্র্যান্ডস্ল্যাম রয়েছে তার ঝুলিতে। অন্যদিকে সোফিয়া কেনিন একেবারেই আনকোরা, পুরোপুরি অপরিচিত। বিস্ময় ছড়িয়েই এসেছে এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে।

ইতিমধ্যেই জায়ান্ট কিলার হিসেবে পরিচিতি পেয়ে গেছেন সোফিয়া কেনিন। আজ, মেলবোর্ন পার্কে এই দুই বিস্ময় কন্যার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শিরোপা লড়াই।

সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে কিভাবে অসি ওপেনের ফাইনালে উঠলেন সোফিয়া, শুক্রবার সে কাহিনিই বলেছিলেন তার বাবা আলেকজান্ডার। যিনি একাধারে সোফিয়ার কোচও।

১৯৮৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়েন আলেকজান্ডার এবং তার স্ত্রী লেনা। বেশ কিছুদিন নিউ ইয়র্কে থাকার পরে তারা ১৯৯৮ সালে রাশিয়ায় ফেরেন সোফিয়ার জন্মের আগে। যাতে সদ্যজাত সোফিয়াকে সামলাতে তার দাদী সাহায্য করতে পারেন। কিছুদিন পরে সোফিয়ার বাবা-মা ফের যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। এবার ফ্লোরিডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য।

সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ট্যাক্সি চালকের কাজও করতে হয়েছিল তাকে। বাবা-মার জীবনের এই কঠিন পথ পেরিয়ে আসাই টেনিসে সাফল্যের দিকে এগোতে সাহায্য করেছে সোফিয়াকে।

মুগুরুজারও প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ ছিল না। ২০১৬ ফরাসি ওপেন ও পরের বছরে উইম্বলডন জেতার পরে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে এক নম্বরেও উঠে আসেন তিনি; কিন্তু এরপরই ছন্দ হারিয়ে পিছিয়ে পড়েন।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠার পরে তিনি বলেন, ‘কঠিন সময়ে ধৈর্য্য রাখতে হয়, তাহলে খারাপ সময় কেটে সু-সময় আসবেই।’

মুখোমুখি লড়াইয়ে সোফিয়া ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মুগুরুজার সঙ্গে। গত বছর বেইজিংয়ে তিন সেটে তিনি হারান মুগুরুজাকে। তবে সেই মুগুরুজা যে অনেক পাল্টে গেছেন, সেটা খুব ভাল করেই জানেন সোফিয়া।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)