আপডেট আগস্ট ২০, ২০১৫

ঢাকা সোমবার, ২৭ কার্তিক, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১

জাতীয় ক্লাস্টার পদ্ধতি চিংড়ি রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

ক্লাস্টার পদ্ধতি চিংড়ি রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক -ফাইল ফটো

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক -ফাইল ফটো

ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০১৫, নিরাপদনিউজ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেছেন, ক্লাস্টার পদ্ধতিতে উৎপাদিত চিংড়ি দেশের রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, চিংড়ি খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আয়বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি অন্যতম হাতিয়ার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আজ বৃহষ্পতিবার হোটেল সোনারগাঁও-এ ‘ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র চিংড়ি চাষিদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অর্জিত ফলাফল বিষয়ে সুফলভোগীদের সাথে মতবিনিময় বিষয়ক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। মৎস্য অধিদপ্তর ও এফএও-এর যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ আরিফ আজাদো সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আনিছুর রহমান, এফএও বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাইকরবসন, ওয়ার্ল্ডফিশকান্ট্রি ডাইরেক্টর ড. ক্রেইগ মেইজনার বক্তৃতা করেন।
সেমিনারে ড. রোহানাসুভাসিংহে, এফএও, রোম, ইতালী মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেন, দারিদ্র বিমোচন এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে জাতিসংঘের সহস্রাব্ধ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মৎস্যখাত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের চিংড়ি চাষকে একটি দায়িত্বশীল এবং নির্ভরযোগ্য পর্যায়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের পাশাপাশি বাংলাদেশ শ্রিম্প এ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশন ও ওয়ার্ল্ডফিশসহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহ নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির গুণগতমানের বিষয়ে যে সমসত্ম অভিযোগ উত্থাপিত হয় তার অনেকটায় চিংড়ির ঘের এবং আহরণ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ে অসাবধানতা বা অজ্ঞতার কারণে ঘটে থাকে। আহরণ থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ করার পূর্ব পর্যন্ত মধ্যবর্তী ধাপগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিচর্যা গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী এ বিষয়ে ক্ষুদ্র চিংড়ি চাষিদের আরো সচেতন হওয়ার আহবান জানান।
আগামী বছরগুলোতে চিংড়ি খাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগিরা তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।-বাসস

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)